জাপানের অল নিপ্পন এয়ারওয়েজ (এএনএ) তাদের বিমান বহর থেকে ১৭টি বোয়িং ৭৮৭ (ড্রিমলাইনার) প্রত্যাহার করে নেয়ার ঘোষণা দেয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় বিমান চলাচল প্রশাসন (এফএএ ) ইউএস এয়ারলাইন্সকেও সাময়িকভাবে বোয়িং ৭৮৭ বিমানগুলো ব্যবহার স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছে। চিলি ও ভারতও তাদের বিমান পরিবহন সংস্থাগুলোতে থাকা বোয়িং-এর ড্রিমলাইনারগুলো প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
সরবরাহ করার পর থেকেই বোয়িংয়ের ড্রিমলাইনার বিমানগুলোতে একটার পর একটা সমস্যা ধরা পড়ছেই। সর্বাধুনিক এই যাত্রীবাহী বিমানগুলো প্রধানত কার্বনের তৈরি। বিশ্বে এগুলোই প্রথম এ ধরনের বিমান। সরবরাহের পর থেকেই বিমানগুলোর কোনটির জ্বালানি পথে ছিদ্র আবিষ্কৃত হয়, কোনটির ব্যাটারিতে আগুন ধরার ঘটনা ঘটে, বৈদ্যুতিক তারের সমস্যা ধরা পড়ে, কম্পিউটারে সমস্যা, ককপিটে ফাটল ইত্যাদি একের পর এক বিপত্তি ঘটছে।
এএনএ জানিয়েছে, অভ্যন্তরীণ রুটে ইয়ামাগুচি থেকে টোকিও আসার পথে বিমানের যন্ত্রপাতিগুলো ব্যাটারির সমস্যা নির্দেশ করে সঙ্কেত দেয়, এতে বিমানচালকদের কাছে জরুরি সতর্ক সঙ্কেত চলে গেলে তারা জরুরি অবতরণে বাধ্য হয়। এদিকে, বায়িংয়ের কর্মকর্তা মার্ক বিরটেল বলেছেন, তারা এসব প্রতিবেদন দেখেছেন, এসব বিষয়ে সজাগ আছেন এবং তাদের ক্রেতাদের সঙ্গে বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছেন।
জানা গেছে, জাপানের দুটি বিমান সংস্থা যুক্তরাষ্ট্রের বিমান নির্মাতা কোম্পানি বোয়িংয়ের নতুন বিমান বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনারের সবচেয়ে বড় ক্রেতা। এখন পর্যন্ত বোয়িংয়ের সরবরাহকৃত ৫০টি ড্রিমলাইনার বিমানের প্রায় অর্ধেক কিনেছে ঐ দুটি জাপানি বিমান সংস্থা।
