গত অক্টোবর মাসে বিভিন্ন দেশ থেকে বেশ কয়েক হাজার শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছেন জার্মানিতে। জার্মানির রাজধানী বার্লিন শরণার্থীদের সে াত সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে এখন। এজন্য বেশ কিছু জরুরি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে শহরটিতে। তবে সেইসব কেন্দ্রকে শুধুমাত্র মাথা গোঁজার ঠাঁই বলা যায়। এই রকমই একটি দালানের এক কক্ষে দাঁড়িয়ে সব কিছু লক্ষ্য করেছিলেন কেন্দ্রের পরিচালক মিশাইল গ্রুনেভাল্ড। ঘরটি প্রায় নিরাভরণ, ডানদিকে চারটি, বাঁদিকে দুটি ক্যাম্প খাট পাতা। পাশে একটা টেবিল। জানালায় পাতলা পাতের পর্দা। এই কেন্দ্রটি আগে পুলিশ অফিস ছিল।—খবর ডয়চে ভেলে
বার্লিনে এখন ৯টি জরুরি আশ্রয়স্থল গড়ে তোলা হয়েছে। বেশিরভাগই পরিত্যক্ত স্কুল বা অফিস ভবন। যেমন গ্রুনাউ-এর আশ্রয় কেন্দ্রটি। এখানে ৯০ জন মানুষ একটি মাত্র স্নানাগার ব্যবহার করেন। সারাদিন তাদের কিছু করার থাকে না। কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কী উত্তর আসে, তাদের কী দ্রুত জার্মানি ছাড়তে হবে নাকি কিছু দিনের জন্য এখানে থাকার অনুমতি পাওয়া যাবে—এইসব চিন্তাই মাথায় ঘুরতে থাকে তাদের। সিদ্ধান্ত আসতে ৬ সপ্তাহ লেগে যায়। বিশেষ করে বাচ্চাদের জন্য এই অবস্থা বেশি অস্বস্তিকর। ৪০ জনের মতো ছোট ছেলে-মেয়ে রয়েছে এইসব আশ্রয়কেন্দ্রে। জরুরি আশ্রয়কেন্দ্রে থাকাকালীন তারা কোনো স্কুলে যেতে পারে না।
করিডোরে আফ্রিকার নানা দেশের ও আরবি ভাষায় কথাবার্তা শোনা যাচ্ছে। বিশেষ করে বসনিয়ান ও সার্বিয়ান ভাষার প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায়। বলকান অঞ্চলের দেশগুলো থেকে জার্মানিতে আসা শরণার্থীর সংখ্যা ইদানীং খুব বেড়ে গিয়েছে। তবে তাদের রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়ার সম্ভাবন খুব কম। জার্মান কর্তৃপক্ষের মতে, তারা অর্থনৈতিক কারণে শরণার্থী হয়েছেন।
