মালালা ইউসুফজাই শুধু এক কিশোরীর নাম নয়, এখন চেতনারও নাম। পাকিস্তানের প্রতিবাদী মেয়েটি ইংল্যান্ডেও অনেকের পথপ্রদর্শক। ইংল্যান্ডের মুসলিম পরিবারগুলো এখনই প্রেরণাদায়ীর ভূমিকায় দেখতে শুরু করেছে তাকে। কদিন হলো সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে মালালা। একেবারে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে আরো কিছুদিন লাগবে। কিন্তু এখন থেকেই ইংল্যান্ডের মুসলিম পরিবারগুলোতে শুরু হয়ে গেছে মালালাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখা—প্রতিবাদী মেয়েটি এবার এখানেও মেয়েদের লেখাপড়ার দিকে আগ্রহ বাড়ানোর জন্য কিছু করবে।
লন্ডনেও মুসলিম পরিবারের মেয়েদের মধ্যে লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ কম। তাই ইংল্যান্ডের ইয়ং মুসলিম সংগঠনের সাবেক প্রধান মরিয়ম দালে তার ১৩ বছরের মেয়েটির লেখাপড়ার আগ্রহ বাড়ানোর জন্য তাকিয়ে আছেন মালালার দিকে। তিনি বললেন, ‘আমার মেয়ে লেখাপড়া করতেই চায় না। আমি মনে করি, এমন মেয়েদের জন্য মালালা প্রেরণা হয়ে উঠবে, ওকে দেখে সব মেয়েই জানবে লেখাপড়ার জন্য জীবন উত্সর্গ করার কথাও ভাবা যায়।’
মালালার বাড়ি পাকিস্তানের সোয়াত উপত্যকার কাছে। শত হুমকির পরও নারী শিক্ষার পক্ষে লড়েই যাচ্ছিল মালালা। তারপর সে বিবিসি ব্লগে লিখে সবার নজর কেড়েছিল, সাহসী ভূমিকার জন্য পাকিস্তানে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার পেয়েছিল, এসব তো সবারই জানা। গত অক্টোবর মাসে মালালার কণ্ঠ চিরতরে রুদ্ধ করতে গুলি করে এক তালেবান। তারপর পাকিস্তানে চিকিত্সার পর আরো উন্নত চিকিত্সার জন্য তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ইংল্যান্ডের বার্মিংহামে।
