[ স মা জ ]

আমরা কি হিংস্র সমাজ প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখছি

আপডেট : ২৬ জানুয়ারি ২০১৩, ২০:৩৪
দশ ডিসেম্বর, সকাল সাতটা। টাঙ্গাইলের রসুলপুর এলাকার রেললাইনে অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিল পনেরো বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রী। স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তির পর জানা যায়, তাকে গণধর্ষণ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন মেয়েটিকে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়তে হয়েছে। প্রায় মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলা মেয়েটির পাশে তার মা ছাড়া দাঁড়ায়নি কেউই। ঘটনার জন্য মেয়েটিকে দায়ী করে নির্মম নির্যাতনের পর বাসা থেকে তাড়িয়ে দিয়েছেন তার বাবা। এলাকার প্রভাবশালীরাও খারাপ মেয়ে আখ্যা দিয়ে তাকে সমাজচ্যুতির ঘোষণা দেয়। তাত্ক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়নি থানা পুলিশও। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে গত ষোলো ডিসেম্বর পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের নয়াদিল্লিতে যাত্রীবাহী বাসে গণধর্ষণের শিকার হন এক মেডিক্যাল ছাত্রী। টানা দশদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে হার মানেন ওই ‘ভারতকন্যা’। তার এ মর্মান্তিক মৃত্যুর পর ক্ষোভে উত্তাল হয় ভারত। ঘটনার প্রতিবাদে সরকার থেকে শুরু করে বিরোধী দল—সবাই এক কাতারে দাঁড়ায়। মেয়েটির মরদেহ গ্রহণ করতে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী ছুটে যান এয়ারপোর্টে। এই মৃত্যুর ঘটনার পর নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ধর্ষণের কঠোর শাস্তি বিধানে ভারতবাসী একাট্টা হয়েছেন। মাস দুয়েক আগে উপমহাদেশের আরেকটি মেয়ে একইভাবে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে বেঁচে ওঠে। পাকিস্তানের কিশোরী মালালা ইউসুফজাইয়ের ওপর এই আক্রমণে আলোড়ন উঠেছিল গোটা বিশ্বে। আর দিল্লির ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে উপমহাদেশ। দুটি ঘটনার প্রেক্ষিত ভিন্ন। কারণও আলাদা। পাকিস্তানে এখন তালেবান নামের একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক শক্তি সক্রিয় রয়েছে। ওদের আদর্শিক অবস্থা হচ্ছে— নারী সবরকম ব্যক্তি অধিকার প্রাপ্তির অযোগ্য। তাই নারীর শিক্ষা গ্রহণের অধিকারও কেড়ে নিতে চায় ওরা। এজন্য মালালার ওপর আক্রমণে বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদ হয়েছে। তবে মানুষের আলোচনা আর আবেগের জায়গা দখল করেছে পাকিস্তানের মালালা আর দিল্লিতে ধর্ষণের শিকার মেয়েটি। প্রসঙ্গটি তাই উল্লেখ করা। প্রতিবেশী তিনটি দেশের পৃথক তিনটি ঘটনা। ভারত এবং পাকিস্তানের ঘটনা দুটি নিয়ে পৃথিবীব্যাপী তোলপাড় হলেও বাংলাদেশের ঘটনাটি নিয়ে তেমন কোনো আলোড়ন নেই, বিশেষত আমাদের রাজনৈতিক মহলে। ক্ষমতাসীন এবং ক্ষমতাপ্রত্যাশী বড় দুটি দলই নারী নির্যাতনের ব্যাপারে নীরব। শেখ হাসিনাও মুখ খোলেননি, মুখ খোলেননি বেগম খালেদা জিয়াও। খুব একটা জোরালো প্রতিবাদ হয়নি নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকেও। নারী ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো কিছু মানববন্ধন করেছে মাত্র। অথচ এই ঘটনাটি মোটেও এভাবে আড়ালে চাপা পড়ার মতো নয়। ভারত এবং পাকিস্তানের মেয়ে দুটির ঘটনা নিয়ে বিশ্বব্যাপী তোলপাড় হলেও আমাদের দেশের টাঙ্গাইলের এই পৈশাচিক ধর্ষণের খবরটি অনেকটা চাপা পড়ে যাওয়ায় মনে হচ্ছে দিল্লি, এমনকি পাকিস্তান জাগলেও আমরা এখনো জাগতে পারছি না! যদিও ধর্ষণ উপমহাদেশের ও বিশ্বের নারীজীবনে নতুন কোনো ঘটনা নয়, সারা পৃথিবীর নারীরা বসবাস করেন যে কোনো মুহূর্তে যে কারো দ্বারা ধর্ষণের শিকার হওয়ার এক পুরুষতান্ত্রিক বাস্তবতায়। কিন্তু দিল্লি আর টাঙ্গাইলের ঘটনা দুটি একটু অভিনব এবং বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। কারণ ধর্ষণের ওই ঘটনা দুটির একটি ঘটেছে প্রকাশ্যে, চলন্ত বাসের ভিতরে, অন্যটি মিথ্যে কথা বলে, একটি নাটকের সুটিং-স্পটে নিয়ে। ঘটনা দুটির সঙ্গেই জড়িত ছিল পাঁচ-ছয়জন পুরুষ ও উপভোগ করেছে উপস্থিত অন্যরা। এ দুটি আক্ষরিক অর্থেই গণধর্ষণের ঘটনা। কারণ অংশগ্রহণকারী থেকে উপভোগকারী উপস্থিত প্রত্যেকেই শারীরিক বা মনস্তাত্ত্বিকভাবে এই অমানবিক অপরাধে অংশ নিয়েছে। আমরা জানি, প্রকাশ্য ধর্ষণের ঘটনা সাধারণত ‘শান্তির’ সময় ঘটে না, কখনো কখনো ঘটে ‘যুদ্ধের’ সময়। কিন্তু বাংলাদেশে বা ভারতে সেদিন কোনো যুদ্ধ চলছিল না! না কি এটাই ঠিক যে, হয়তো নারীর বিরুদ্ধে সবসময়ই যুদ্ধ চলছে সারা দুনিয়ায়, কখনো গোপনে ও কখনো প্রকাশ্যে। নিজেকে বাঁচানোর লড়াইয়ে নারী কখনো সফল হচ্ছে, কখনোবা ব্যর্থ। সে বিবেচনায় ওই ভারতীয় ছাত্রী গণমাধ্যম যার নাম দিয়েছে দামিনি—সেই সার্বক্ষণিক যুদ্ধের এক সামপ্রতিক শহীদ, আর বাংলাদেশের ছাত্রীটি আহত যোদ্ধা, বীর! তিনটি ভিন্ন ভৌগোলিক সীমায় ভিন্ন আর্থ-সামাজিক বাস্তবতায় সংঘটিত তিনটি আপাত বিচ্ছিন্ন ঘটনা বিবেকবান প্রতিটি মানুষকেই নাড়া দিয়েছে। পৃথিবী এগোচ্ছে, সভ্যতা প্রসারিত হচ্ছে, অথচ আমাদের সমাজে নারীরা এখনও চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছে। কখনও তারা মৌলবাদের টার্গেট হচ্ছে, কখনও শিকার হচ্ছে পুরুষের হিংস্রতার। শক্তি, ক্ষমতার দম্ভ আর লালসা নারীর মানবিক সত্তাকে বারবার টুঁটি টিপে ধরছে, খুবলে খাচ্ছে। অথচ আমরা এর বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো প্রতিবাদ, শক্ত কোনো প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারছি না। এই ব্যর্থতার পাপ আমরা মোচন করবো কীভাবে? অন্যায়ের বিরুদ্ধে, তা সে প্রতিক্রিয়াশীল মৌলবাদী থাবাই হোক, আর পুরুষতন্ত্রের হিংস্রতাই হোক, আমাদের অবশ্যই প্রতিবাদ করতে হবে। দূরের বা অন্য মানুষের ঘটনা বলে মুখ ফিরিয়ে থাকলে এসব ঘটনার বিস্তার থেমে থাকবে না। এক সময় তা আমাদের নিজের ঘরেও কড়া নাড়তে পারে। আঘাত করতে পারে আমাদের পুত্র-কন্যা-স্বজনকেও। কাজেই প্রতিবাদ আমাদের করতেই হবে। মুখ বুঁজে দিন পার করার সময় এখন আর নেই। বিপদ সমাগত। দলমতনির্বিশেষে অন্যায়ের প্রতিবাদ করা দরকার। যেখানে অন্যায় আছে সেখানে প্রতিবাদ থাকা দরকার। তা না হলে অপরাধ চলতেই থাকবে এবং সমাজের দৃষ্টিভঙ্গিও বদলাবে না। রাষ্ট্রকে বাধ্য করতে হবে ধর্ষণ, নির্যাতনবিরোধী কঠোর আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে। লড়াই করতে হবে কূপমণ্ডূকতা, রক্ষণশীলতার বিরুদ্ধে। দিল্লির ধর্ষকদের মা-বাবার মতো সোচ্চার হয়ে আমাদের দেশের অপরাধী সন্তানদের অপরাধের জন্য কঠোর সাজা চাইতে হবে। আমাদের পরিবার-দেশ-সমাজে অপরাধী-নির্যাতনকারীদের জন্ম থেকেই বিনাশ ঘটানোর উদ্যোগ নিতে হবে। সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের দেশে ধর্ষণের ঘটনা বেড়ে গেছে। শিশুরাও রেহাই পাচ্ছে না। একজন শিশু ধর্ষণকারী জেল থেকে ছাড়া পেয়ে বাইরে এসে পাঁচ বছর বয়সের ওই শিশুটিকে পুনরায় ধর্ষণ করে হত্যা করেছে। কিন্তু ওই ধর্ষণকারীর যদি কঠোর শাস্তি হতো, সে যদি সহজে জেল থেকে বের হতে না পারতো তাহলে হয়তো ওই শিশুটির দুঃখজনক মৃত্যু এড়ানো সম্ভব হতো। সেজন্যই ধর্ষণকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে কড়া শাস্তির ব্যবস্থা থাকা উচিত। এজন্য কঠোর আইন প্রয়োজন। দিল্লির সামপ্রতিক ঘটনাটি এখন শুধু ভারতের জন্য নয়, সারা পৃথিবীর মানবজাতির জন্য একটি ধাক্কা। সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে যে মেয়েটি বিচারের দাবি করে গেল, সে শুধু নিজের বিচার দাবি করেনি। সভ্যতাকে বুঝতে হবে, সে পুরো মানবজাতির অর্ধেক নারীর ওপর চলমান পুরুষের যাবতীয় নৃশংসতার বিচার চেয়ে গেল। মেয়েটির ওপর ঘটা নৃশংসতার প্রতিবাদে যে নারী, শিশু বা পুরুষ রাস্তায় নেমে এসেছে, তারা দাবি জানিয়েছে সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি বদলের। ধর্ষকদের উপযুক্ত শিক্ষা দেয়া উচিত, আমাদের দেশে বেশিরভাগ ধর্ষণের শিকার নারী সামাজিক লজ্জার ভয়ে ঘটনা গোপন করে রাখেন। কেউ কেউ সাহস করে মামলা করলেও সঠিক বিচার পান না। বাংলাদেশে নারীর প্রতি সহিংসতা এক ধরনের মানবিক বিপর্যয়ের পর্যায়ে উপনীত হয়েছে। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে নারী নির্যাতনের প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে ভয়াবহ ব্যাধির মতো। বিভিন্ন স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উদ্যোগ সত্ত্বেও নারী নির্যাতনের ঘটনা হ্রাস না পাওয়ায় সকলেই উদ্বিগ্ন। আমরা জানি, কেবল নারী হওয়ার কারণে ঘরে কিংবা ঘরের বাইরে নারীর স্বাধীন ও নিরাপদ জীবনযাত্রা প্রতিনিয়ত হুমকির সম্মুুখীন। নারী নির্যাতন দেশ-কাল-জাতি ও সামাজিক অবস্থানভেদে সব নারীকে অসহায় ও দুর্বল করে তোলে। নির্যাতনের শিকার নারী পরিবারের অনেক মানুষের মধ্যে থেকেও একাকী ও অসহায় বোধ করে। পরিণামে যা মানসিক বিপন্নতা বা বিষাদগ্রস্ততা বয়ে আনে। এর ফলে নারীর কর্মোদ্দীপনা স্তিমিত হয়ে পড়ে এবং স্বাভাবিক চলাফেরা বাধাগ্রস্ত হয়। নির্যাতনের ফলে নারীর শরীর ও মনে যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় তার ফলস্বরূপ পরিবার, জাতি বা সমপ্রদায়ের কোনো উদ্যোগ, সিদ্ধান্ত, সামাজিক-রাজনৈতিক-ধর্মীয় কর্মকাণ্ড ইত্যাদিতে নারীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। ভারতের সংঘটিত ধর্ষণের ঘটনাটির ক্ষেত্রে দেখা যায় সেখানকার কোটি কোটি মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়েছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন পালন করেছে নানা কর্মসূচি। মিডিয়া এ বিষয়ে বিশেষ তত্পরতা দেখিয়েছে। সেখানকার রাজনৈতিক নেতৃত্বও ঘটনাটির ব্যাপারে বিশেষ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ধর্ষণ রোধে এবং নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর আইন প্রণয়ন ও বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। কংগ্রেস প্রধান সোনিয়া গান্ধী ধর্ষণের শিকার মেয়েটিকে দেখতে হাসপাতালে গেছেন, ধর্ষণকারীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। বিরোধীদলীয় নেত্রী সুষমা স্বরাজও এই ঘটনা নিয়ে সংসদে বিশেষ অধিবেশন ডাকার দাবি জানিয়েছেন। কিন্তু আমাদের দেশে একটি মেয়ে গণধর্ষণের শিকার হয়ে হাসপাতালের বেডে নরক যন্ত্রণায় ছটফট করলেও এ নিয়ে আমাদের নেতানেত্রীরা ছিলেন নির্বিকার। কি বিরোধী দল, কি সরকারি দল উভয়পক্ষের ভূমিকাই এ ব্যাপারে হতাশাব্যঞ্জক। এ ধরনের নৃশংস ঘটনার প্রতিবাদে দেশে যতটা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়া দরকার ছিল তার অভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে কী আমাদের অনুভূতিগুলো ক্রমেই ভোঁতা হয়ে যাচ্ছে? নাকি নারীদের জন্য এমন একটা হিংস্র সমাজই আমরা প্রত্যাশা করছি? টাঙ্গাইল এবং দেশের অন্যান্য স্থানে সংঘটিত ধর্ষণের ঘটনাগুলো সত্যিই আমাদের আত্মজিজ্ঞাসার সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশে প্রতিদিন যে পরিমাণ ধর্ষণ এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে, প্রতিটি ঘটনার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য সবাইকে জেগে উঠতে হবে, প্রতিবাদী হতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের ৪১ বছর পর একাত্তরে যারা মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করেছিল তাদের বিচার করা হচ্ছে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে আমরা বেরিয়ে আসার সাহস দেখাতে পারছি। ধর্ষণসহ নারী নির্যাতনের মতো ঘৃণ্য অপরাধ এখন যারা করছে তাদেরও বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে দৃঢ়তা দেখাতে পারব না কেন? তবে এজন্য দরকার রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও কর্মসূচি। রাজনৈতিক নেতৃত্ব যদি নারীর নিরাপত্তা ও ধর্ষণসহ সব ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার নিয়ে এ ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা ও বাস্তবায়নে এগিয়ে আসে তাহলে আমাদের সমাজ থেকে নারী নির্যাতনের সংস্কৃতিকে উপড়ে ফেলা খুব একটা কঠিন কাজ হবে না। রাজনৈতিক সদিচ্ছা, নির্যাতন রোধে প্রচলিত আইনের ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করে আইনের কঠোর বাস্তবায়ন এবং নারীর প্রতি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বদলানোর জন্য সম্মিলিতভাবে সক্রিয় হওয়ার ভালো বিকল্প কিছু নেই।  লেখক : সাংবাদিক ও কলামিস্ট [email protected]