নতুন আইফোন এবং আইপ্যাড আসছে এ বছরেই

আপডেট : ২৮ জানুয়ারি ২০১৩, ১৯:৪৭
পাঁচ মাস হলো অ্যাপল বাজারে ছেড়েছে তাদের আইফোনের সর্বশেষ সংস্করণ আইফোন ৫। তবে আইফোনের পরবর্তী সংস্করণ নিয়েও কাজ শুরু করেছে তারা আরও আগেই। আর এরই ফলশ্রুতিতে আসছে জুলাইয়েই বাজারে আসতে যাচ্ছে আইফোনের পরবর্তী সংস্করণ, যার নাম দেওয়া হয়েছে আইফোন ৫এস। আইফোন ৫এস ছাড়াও অপেক্ষাকৃত স্বল্পমূল্যের একটি আইফোন নিয়েও কাজ করছে তারা। একইসাথে আইপ্যাড এবং মিনি আইপ্যাডের নতুন সংস্করণ নিয়েও কাজ করছে অ্যাপল। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের ধারণা, আগের চাইতে আরও অনেক চমকপ্রদ সব ফিচার নিয়ে এবারের নতুন সংস্করণটি বাজারে নিয়ে আসার পরিকল্পনা করেছে অ্যাপল। আর এসব ফিচারের মধ্যে রয়েছে আরও উন্নত সংস্করণের প্রসেসর, ফিংগারপ্রিন্ট রিকগনিশন, উন্নততর ক্যামেরা, আরও শক্তিশালী এলইডি ফ্ল্যাশ প্রভৃতি। প্রযুক্তি বাজার গবেষণা সংস্থা কেজিআই সিকিউরিটিজের প্রযুক্তি বিশ্লেষক মিং-চি কোউ নতুন আইফোন সম্পর্কে জানিয়েছেন, কিছুদিন আগেই অ্যাপল অথেনটেক নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে কিনে নেয়, যারা আঙুলের ছাপ সনাক্তকরণের প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করে থাকে। অ্যাপল পণ্যেও তাই এই প্রযুক্তির সংযোজনকে অবশ্যম্ভাবী বলেই ধারণা করছেন কোউ। এদিকে প্রযুক্তি বিষয়ক ব্লগ আইলাউঞ্জ তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সনির ১৩ মেগাপিক্সেল ইউনিটের ক্যামেরা সেন্সর ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে আইফোন ৫এস-এ। স্বল্পমূল্যের আইফোন নিয়েও জল্পনা-কল্পনা রয়েছে প্রযুক্তি বিশ্বে। বেশ কয়েকটি প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইটেই জানানো হয়েছে, বর্তমানের আইফোন ৫-এর আকারেই তৈরি করা হবে স্বল্পমূল্যের আইফোন। তবে এর প্রসেসর এবং কেসিংয়ে আসবে পরিবর্তন। আর ছয় থেকে আটটি রঙে এই স্বল্পমূল্যের আইফোন বাজারে আসবে বলে ধারণা প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের। এদিকে আইপ্যাডেও বড় কিছু পরিবর্তন নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে অ্যাপল’র—এমনটিই জানিয়েছে প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাশাবল। তারা জানিয়েছে, নতুন আইপ্যাডে স্টোরেজ থাকবে ১২৮ গিগাবাইট। এর আগে ১৬ গিগাবাইট, ৩২ গিগাবাইট এবং ৬৪ গিগাবাইটের স্টোরেজ নিয়ে বাজারে এসেছে আইপ্যাড। তবে শুরু থেকেই আইপ্যাডের স্টোরেজ বাড়ানোর দাবি ছিল অ্যাপল ভক্তদের। এবারে তাদের সেই দাবি পূরণ হতে যাচ্ছে বলেই জানিয়েছে ম্যাশাবল। এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে আইফোনের চাহিদা কমে যাওয়ার যে গুঞ্জন চলছে প্রযুক্তি বিশ্বে, সে বিষয়টি খানিকটা স্পষ্ট করে দিয়েছেন অ্যাপল’র প্রধান নির্বাহী টিম কুক। এক বক্তব্যে কুক জানিয়েছেন, ‘সাপ্লাই-চেইনের বিষয়টি অত্যন্ত জটিল এবং সারা বিশ্বেই আমাদের বাজার রয়েছে। এ ক্ষেত্রে চাহিদা-সরবরাহের বিষয় নিয়ে চকিত কোনো মন্তব্য করা কঠিন। আর বাজারের চাহিদা কোথাও কম থাকবে, কোথাও বেশি থাকবে—এটাই স্বাভাবিক। সার্বিকভাবে পরিস্থিতি আমাদের অনুকূলেই রয়েছে। এ নিয়ে আমরা খুব বেশি চিন্তিত নই।’