১৯৯০ সালের পূর্বে বিশ্বে দুটি পরাশক্তি ছিল। একটি হলো আমেরিকা অপরটি হলো সোভিয়েত ইউনিয়ন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়নকে কমিউনিস্ট আখ্যায়িত করে ভেঙে দশ ভাগ করে। তত্কালীন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ছিলেন গর্ভাচেভ। চিরদিনের জন্য কমিউনিস্ট শাসন অবসান করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা হয়। আসল কথা হলো রাশিয়া একটি গরিব রাষ্ট্র। মানুষ মারার জন্য কিছু অকেজো অস্ত্র ছাড়া আর কিছু নেই। রাশিয়ার বৈদেশিক আয়ের উত্স হচ্ছে অস্ত্র বিক্রি করা। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ১৯৯৬ সালে রাশিয়া থেকে চারটি যুদ্ধ বিমান ক্রয় করেছিল। যা বর্তমানে পরিত্যক্ত ঘোষণা করে কেজি দরে বিক্রি করতে হয়েছে। ১৯৯০ সালে উপসাগরীয় যুদ্ধে ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন রাশিয়ার এই অকেজো অস্ত্র দিয়ে আমেরিকার সাথে যুদ্ধ করে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়েছিল। রশিয়ার অর্থনৈতিক অবস্থা এতই খারাপ যে, তত্কালীন প্রেসিডেন্ট গর্ভাচেভ তিন মাসের বেতনভাতা না নিয়েই পদত্যাগ করেন। এমনকি ক্ষুধার জ্বালা নিবারণের জন্য জেলখানার কয়েদিরা অন্য কয়েদিকে হত্যা করে তার মাংস ভক্ষণ করে। আধুনিক বিশ্বে আমেরিকাকে বলা হয় একক পরাশক্তির দেশ। সমগ্র বিশ্বের রাজনীতি এবং অর্থনীতি শতকরা আশিভাগ আমেরিকা নিয়ন্ত্রণ করে। তবে আমেরিকা বিশ্বে একটি অপবাদ সৃষ্টি করেছে। তা হলো জঙ্গিবাদ। এই জঙ্গিবাদ হলো আমেরিকার সৃষ্টি। পাকিস্তান কিংবা আফগানিস্তানে অস্ত্রসহ কোন জঙ্গি ধরা পড়লে তার গায়ে লেখা থাকে মেড ইন ইউএসএ। আমেরিকাকে বলা হয় প্রাচুর্যের দেশ। অভাব কাকে বলে তারা জানে না এবং বোঝে না। জাতিসংঘ, বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ এবং ন্যাটো— এগুলো আমেরিকা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। আমেরিকার হুকুম ছাড়া এ সংগঠনগুলো এক ইঞ্চি সামনে আগানোর শক্তি নেই।
হাজী মো. দেলোয়ার হোসেন
১/১৭/বি সিকদার রিয়েলস্টেট
টালি অফিস, ঢাকা
বৃহত্তর রাশিয়ার পতনের পর থেকেই এক মেরু বিশ্বের উত্থান। এর পরই দেখা গেছে বিপক্ষ বা দুর্বল পক্ষকে ঘায়েল করার জন্য যে কোন একটা বিশেষণ লাগিয়ে তাকে মানসিকভাবে চাপের মধ্যে রাখা হয়। এটা যেন একটা চিরাচরিত প্রথা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই বর্তমান একক পরাশক্তির বিশ্বে ভারসাম্যের একান্ত প্রয়োজন। তাই এই প্রয়োজনীয়তার অভাবটা মেটাবে কে? পরাশক্তি রাশিয়া, চীন, ভারত এদেরকে এগিয়ে আসতে হবে। নতুবা এই ভারসাম্যহীন পৃথিবীতে দুর্বল রাষ্ট্রগুলো আরও দুর্বল হয়ে যাবে। পদদলিত হবে মানব জীবন। বিপন্ন হবে রাষ্ট্রীয় অধিকার এবং স্বাধীনতা।
ওবায়দুল ইসলাম
মংলা, বাগেরহাট
এখন বিশ্বে ভারসাম্য রক্ষা করা যাচ্ছে না। কমিউনিস্ট, নকশাল, জঙ্গিবাদ অমরা যা-ই বলি না কেন রাজনীতিতে পক্ষ ও প্রতিপক্ষকে ঘায়েল বা শায়েস্তা করবার জন্যই এই গোষ্ঠীর সৃষ্টি হচ্ছে। এর মূলে তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করে রাখা। ক্ষমতাকে স্থায়ীকরণের জন্যই কমিউনিস্ট, নকশাল, জঙ্গিবাদের উত্থান এখন সারা বিশ্বেই বিস্তার লাভ করেছে। ধরে নেয়া যায়, এরা অতীত থেকে বর্তমান এবং ভবিষ্যত্ পর্যন্ত থাকবে। তাই বিশ্বের ভারসাম্যকে রক্ষা করতে হলে বিশ্ববাসীকেই সজাগ হতে হবে।
শাহ মো. হেলালউদ্দিন হিরু
কালিহাতী, টাঙ্গাইল
শক্তির ভারসাম্য নেই বলেই বিশ্বের সর্বশক্তিমান দেশটি দুর্বল প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদের সত্য বা মিথ্যা তকমা লাগিয়ে রাজনৈতিক অসত্ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার সুযোগ পাচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো যতদিন পর্যন্ত না অন্য আরো কিছু পরাশক্তির আবির্ভাব হবে ততদিন পর্যন্ত এক দেশ আরেক দেশকে বা এক দল আরেক দলকে জঙ্গিবাদী তকমা লাগিয়ে রাজনৈতিকভাবে ঘায়েলে লিপ্ত থাকবেই। তাই পৃথিবীর সকল দেশের শক্তির ভারসাম্য কম-বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ হোক এটাই মঙ্গল।
মো. লুত্ফুর রহমান
এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা
বিশ্ব রাজনীতিতে এখন চলছে অস্থিতিশীল ভাব। পরাশক্তি হিসেবে ব্যবহূত হচ্ছে জঙ্গি সংগঠন। জঙ্গি সম্পর্কে এখন মানুষের ধারণা— জঙ্গি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং ভয়ংকর সংগঠন। বিশেষ করে মুসলিম দেশগুলো জঙ্গি সংগঠনের মূল হোতা। সরকার পতনের জন্য মুসলিম রাষ্ট্রে জঙ্গি সংগঠনের অনেক সময় নীরব ইঙ্গিত থাকে। জঙ্গি সংগঠন সম্পূর্ণ ইসলাম পরিপন্থি সংগঠন। জাতিসংঘ শান্তির জন্য কাজ করে কিন্তু তারা জঙ্গি সংগঠন নির্মূলে তেমন তত্পর নয়।
নাসিরউদ্দিন ফুরকান
শিক্ষার্থী, বাংলা বিভাগ
১ম বর্ষ, সরকারি ঢাকা কলেজ
এক পরাশক্তির জন্যই দেশে দেশে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটেছে। তাই পরাশক্তি আরও কয়েকটি দেশ হলে জঙ্গিবাদ কিংবা কমিউনিস্ট থাকবে না। মোট কথা ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা দরকার।
সালেহ্ বায়েজিদ
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ
বিশেষ করে গত শতকের ষাট ও সত্তরের দশকে বিশ্বে দু’পরাশক্তির দাপুটে অস্তিত্ব ছিল। স্নায়ুযুদ্ধও ছিল বিশ্বময়। একক পরাশক্তির ছড়ি ঘোরানোর সুযোগ না থাকায়, স্বাধীনতাকামী অনেক দেশের ‘স্বাধীন রাষ্ট্র’ বিশ্ব মানচিত্রে উঁকি দিতে পেরেছিলো, বাংলাদেশ সৌভাগ্যবান দেশগুলোর একটি। সোভিয়েত ইউনিয়ন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যথাক্রমে কেজিবি ও সিআই-এর মাধ্যমে বিশ্বে তাদের স্ব স্ব শক্তি ও অস্তিত্ব রক্ষার কাজটি করতো। পরাশক্তিদ্বয়ের শক্তির মহড়া হয়েছে ভিয়েতনামে, কম্বোডিয়া, সুদানে এমনকি বিশ্বের অনেক দেশেই। ক্রেমলিন ও পেন্টাগনের শক্তির ভারসাম্যে মার্কিন প্রতিবেশী কিউবা স্বমহিমায় এখনো সমুজ্জ্বল। দু’শক্তির মনস্তাত্ত্বিক শ্লোগান ছিলো ‘ধর্ম অফিম, নাস্তিক, মগজ না গুনে মাথা গোনা এবং পার্লামেন্ট বিশেষ প্রাণীর খোয়াড়’,এসবই এখন বাসি। সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্তির পর বিশ্বশক্তির একক মোড়ল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ধর্মকে ধর্ম হিসাবে ব্যবহারের পথ ভুলে, জঙ্গিবাদের তকমা লাগিয়ে ফাঁকা মাঠে গোল দিচ্ছে, যার উদাহরণ আফগানিস্তান ও ইরাক দখল। সব মিলিয়ে আমাদের অভিমত হলো— একক শক্তি, একক ইচ্ছা কখনই ভাল না। যে কারণে বিশ্ব রাজনীতিতে শক্তির ভারসাম্য থাকা একান্তই প্রয়োজন। বিশ্বে দুর্বল রাষ্ট্রগুলোকে সুরক্ষা দিতে একাধিক পরাশক্তি রাষ্ট্রের উপস্থিতি এখন সময়ের দাবি। আরব বসন্ত বা স্থিতিশীল রাষ্ট্র সিরিয়ার বর্তমান হাল এক মেরু বিশ্বেরই ফসল।
মুরাদ হোসেন
মধুখালী, ঝিকরগাছা, যশোর
একক শক্তি বা পরাশক্তির আস্ফাালন বিশ্বের কোথাও কোন মঙ্গল বয়ে আনেনি। বিশ্বে শক্তির ভারসাম্যের চরম আশীর্বাদ আমরা বাঙালিরা পেয়েছিলাম ১৯৭১ সালে আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে। সে সময় আমেরিকা ও সোভিয়েট ইউনিয়ন ছিল বিশ্বের দুই পরাশক্তি। আমরা ঐ পরাশক্তির মধ্যেকার সোভিয়েট ইউনিয়নের পূর্ণাঙ্গ সহায়তা পেয়ে আমাদের পরম কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতার লাল সূর্যকে ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছিলাম ত্রিশ লাখ শহীদ ও দুই লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে। অপরদিকে উদিত পরাশক্তি চীনের মোকাবিলায় আমরা তখন পেয়েছিলাম মহান ভারতের অকৃত্রিম সাহায্য ও সার্বিক সহযোগিতা।
কার্ল মার্কস সূত্র দিয়েছিলেন পৃথিবীর মেহনতি মানুষ চার স্তরে মুক্তির সোপানে পৌঁছতে পারবে। সেগুলো হলো যথাক্রমে ফিউডালিজম,ক্যাপিটালিজম,সোস্যালিজম ও কমিউনিজম । কিন্তু লেনিন ও মাও সে তুং কার্ল মার্কসের থিওরি থেকে শিক্ষা নিয়ে ক্যাপিটালিজমকে পাশ কাটিয়ে ফিউডালিজম স্তর থেকে সরাসরি সোস্যালিজমে পদার্পণ করে বিশ্বে যে শান্তি, উন্নতি ও সংহতির বিপ্লব ঘটিয়েছেন তাকে কোণঠাসা করার জন্য অপর পরাশক্তি আমেরিকা ক্যাপিটালিজমের প্রেমে বুঁদ হয়ে সোস্যালিজমকে প্রতিহত করার জন্য ধর্মকে যথেচ্ছাচারভাবে ব্যবহার করেছেন। দীর্ঘ সাত দশকের প্রবল বিরোধিতার মুখে সোভিয়েট পরাশক্তির পতন ঘটে। ফলে আমেরিকা একক পরাশক্তি হিসাবে পৃথিবীতে বর্তমানে জেঁকে বসেছে। মজার ব্যাপার হচ্ছে ধর্মীয় জঙ্গিবাদ যদিও বর্তমান একক পরাশক্তির জন্য আতঙ্ক হয়ে দেখা দিয়েছে কিন্তু এই জঙ্গিবাদ কমিউনিস্টদের ঠেকানোর জন্য তাদেরই সৃষ্টি। অথচ পৃথিবীর কোন ধর্মেই মানুষের কল্যাণ ভিন্ন অন্য কোন আবেদন নেই। ফলে বর্তমান বিশ্বে শক্তির ভারসাম্যের পাশাপাশি সকল ধর্মের মূলবাণীর চর্চা অপরিহার্য।
ভূঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী
চৌমুহনী, হাজীপুর, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী
জঙ্গিবাদ কাম্য নয়। প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করার জন্য জঙ্গিবাদী তমকা লাগিয়ে দেয়া হয়। এখন বিশ্বে শক্তির ভারসাম্য বলেও আর কিছু নেই। এ বিষয়ে আমি একমত হতে পারছি না। কোন ধর্মেই জঙ্গিবাদীর স্থান নেই। সমাজের অভ্যন্তরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা, হত্যার চেয়েও জঘন্য অপরাধ। প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করার জন্য জঙ্গিবাদীর তকমা লাগিয়ে দেয়া হলেও প্রমাণ করা সহজ নয়। ছায়াছবির আলোকে দেশে এখন পেশীশক্তি প্রদর্শনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঝড় বইছে। মহামানবেরা মানব কল্যাণে জীবন উত্সর্গ করেছে। বর্তমানে যারা জনদরদী, সমাজসেবক, রাজনীতিবিদ— অনেকের মধ্যেই মানবিক গুণাবলি বিকশিত হয়নি। ৭ শ কোটিরও অধিক মানুষের জীবনকে বিষিয়ে তুলছে। এ দেশের নগণ্য কয়েকজনের স্বার্থ রক্ষার জন্য সারাদেশের শান্তিকামী মানুষের জীবনকে বিষিয়ে তুলছে। ভয়াবহ দুঃসময় জাতির জীবনে বিরাজ করছে। চোরাগুপ্তা হামলা, ধর্ষণ, খুন, মানুষকে পুড়িয়ে মারা, জনজীবনে ভয়ের সৃষ্টি করার জন্য এক শ্রেণির মানুষ জঙ্গিবাদের পক্ষকে অনুসরণ করছে। এরা অবশ্যই প্রতিপক্ষ। এরা দেশে শান্তিকামী মানুষের প্রতিপক্ষ, স্বাধীনতার প্রতিপক্ষ, সত্যের বিরুদ্ধে এদের অবস্থান। এরা জঙ্গিবাদী, এরা মাস্তান। এদেরকে শায়েস্তা করা রাষ্ট্র ও জনগণের পবিত্র দায়িত্ব। প্রতিপক্ষ অজুহাত দেখিয়ে এর সুযোগ গ্রহণ করতে পারে না। সারাবিশ্বে এখন জঙ্গিবাদ মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। এশিয়ার অনেক দেশই এখন জঙ্গিবাদের আগ্রাসনে। মানুষের শান্তি হনন করা হয়েছে। রাষ্ট্রের অস্তিত্ব হুমকির মুখে। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন শুরু করতে হবে। জঙ্গিবাদ সমূলে বন্ধ করতে হবে। বিশ্বে শক্তির ভারসাম্যসহ শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এজন্য প্রত্যেক নাগরিককে যার-যার অবস্থান থেকে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে। কারো পক্ষে কিংবা বিপক্ষে নয়। অন্যায়ের বিরুদ্ধে এবং শান্তির পক্ষে সকলকে কাজ করতে হবে। মানব জাতির কল্যাণে প্রত্যেককে ন্যূনতম অবদান রাখতে হবে। শান্তি ও সাম্য প্রতিষ্ঠিত হলে, কেউ কারো প্রতিপক্ষ থাকবে না।
ডা. এস এম মোশারফ হোসেন
আলমপুর, শ্রীনগর, মুন্সীগঞ্জ
সোভিয়েট ইউনিয়ন থেকে বেশিরভাগ মুসলিম রাষ্ট্র ১ যুগেরও বেশি সময় আগে স্বাধীনতা লাভ করেছে। সোভিয়েট ইউনিয়ন বিভক্ত হওয়ার পূর্বে আমেরিকার সাথে শক্তির একটা ভারসাম্য বজায় ছিল। বর্তমান সময়ে আমেরিকা এককভাবে আধিপত্য বিস্তার করে চলেছে বিশ্বে। জাতিসংঘের নিষেধ উপেক্ষা করে এককভাবে আফগানিস্তান, সিরিয়া, লিবিয়া, ইরাকের সরকারকে ক্ষমতা থেকে উত্খাত করেছে; পাশাপাশি অন্যান্য মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে বিভিন্ন প্রকার দ্বন্দ্বের সৃষ্টি করে চলেছে আমেরিকা। সম্প্রতি ইরানকে হুমকি ধমকি দিয়ে চলেছে আমেরিকা ও ইসরাইল। কিন্তু তাদের হুমকির তোয়াক্কা না করে ইরান তাদের কর্মসূচি অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। আমেরিকা ইসরাইলকে সাথে নিয়ে তাদের স্বার্থ হাসিল করেই চলেছে; তারই উদাহরণ হচ্ছে:ইসরাইল জাতিসংঘের নিষেধ না মেনে ফিলিস্তিনের সীমানা পেরিয়ে তাদের ভূমিতে ঘর-বাড়ি নির্মাণ করেছে অবৈধভাবে। বিশ্বের বড় বড় রাষ্ট্র যেমন:রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান, ইরান, সিরিয়া যদি এক কাতারে দাঁড়িয়ে আমেরিকার শক্তির বিরুদ্ধে কঠিন অবস্থান নেয় তবে আমেরিকা পরাজয়ের সম্মুখীন হবে।
মো. লিটন গাজী
দক্ষিণ টেংরা, সারুলিয়া, ডেমরা, ঢাকা ১২০৫
বিশ্বে একক পরাশক্তির উদ্ভব কখনই ঘটে নাই। যতক্ষণ না পর্যন্ত সোভিয়েট রাশিয়াকে ভাংচুর না করা হলো। সোভিয়েট রাশিয়া ভেঙে যাবার পরে আমেরিকার দুর্দমনীয় বিকাশ ঘটে। একটি কথা আছে ক্ষমতার দর্পে মানুষের চোখ কানা হয়ে যায়। ঠিক সে অবস্থাটি পুঁজিবাদীর রাষ্ট্র আমেরিকার যখন হলো তখনই তাকে দমানোর জন্য তৃতীয় বিশ্ব থেকে উদ্ভব ঘটলো জঙ্গিবাদের। এই জঙ্গিবাদ সচেতন মানুষ এবং শিক্ষিত সমাজ গ্রহণ করতে পারেনি তবে ইসলামী জাগরণের পক্ষে লাদেন যা করলো তাও মেনে নেয়া যায় না। আমরা অবশ্যই আশা করি আমেরিকার শক্তিকে এক সময়ে সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনে এগিয়ে আসতে হবে। তা-না হলে চীন, জাপান, ভারত, তার উপর এক সময় ক্ষমতার ছড়ি ঘোরাবে। সত্যি কথা বলতে কী ক্ষমতার ধর্মই হলো দুর্বলকে শাসন করা, শোষণ করা। আর আমরা দেখেছি ইদানীং অর্থনৈতিক চাপে আমেরিকা নিজেকে সামলাতে পারছে না আর সেজন্যই আগামী দিন আর একচ্ছত্র আধিপত্য আমেরিকার থাকবে না। আমরা আশাবাদী তৃতীয় বিশ্বের কোন দেশও অর্থনৈতিক সফলতার মাধ্যমে আমেরিকার বিপক্ষে বড় শক্তি হিসাবে দাঁড়াতে পারে। সেদিন বেশি দূরে নয় যেদিন বাংলাদেশও বড় শক্তি হিসাবে নাম লেখাবে।
ওয়াহিদ মুরাদ
অষ্ঠাধার বাজার, ময়মনসিংহ
সকল দেশের হিংসাত্মক পথ পরিহার করতে হবে। কারণ সারাবিশ্বে শক্তির ভারসাম্য বলতে যা বোঝায় তা এখন আর নেই।
মুন্সী মোহাম্মদ ওয়াহীদ উল্লাহ
মিরপুর-১, ঢাকা
একক পরাশক্তির বিশ্বে ভারসাম্য শীর্ষক মন্তব্যের সাথে আমি একমত। কারণ সোভিয়েট ইউনিয়ন বিলুপ্ত হওয়ার আগে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য বিভিন্ন দলকে দেখা গেছে কাজের জন্য উলোট দিকে। বর্তমানে বিশ্বে শক্তির ভারসাম্য অনেকে হারিয়ে ফেলেছে।
মো. মোজাহারুল ইসলাম
সাভার, ঢাকা
আসলেই এখন বিশ্বে শক্তির ভারসাম্য বলে কিছু নেই। তবে এ ব্যাপারে সকল দেশের জনগণকে সচেতন ও আত্মত্যাগী হতে হবে।
মো. শওকত আলী শাহীন
মহাখালী, ঢাকা
সোভিয়েট ইউনিয়নকে বিলুপ্ত করার পরে শক্তিশালী বিশ্ব ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দেশকে তাদের কাছে টেনে নেয়ার জন্য বিভিন্ন ফন্দি ফিকির করে যাচ্ছে। তাই জঙ্গিবাদ ও মৌলবাদ আখ্যা দিয়ে যারা বিশ্বের দেশে ও দেশের ভেতরে যুদ্ধের দাবানল জ্বালিয়ে দিয়েছে। এই দাবানল নেভাতে হলে প্রত্যেক দেশের নিজ নিজ জনতাকে ত্যাগের মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।
এম মতিউর রহমান
৫/এ, আমিনাবাদ কলোনি
রমনা, ঢাকা ১২১৭
বর্তমান বিশ্বে জঙ্গিবাদ শব্দটি বহুল প্রচলিত একটি শব্দ আর প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য এ শব্দটি মন্ত্রের মত ব্যবহার হচ্ছে। সোভিয়েট ইউনিয়ন বিলুপ্তির পূর্বে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা করে রাখার জন্য তাদেরকে কমিউনিস্ট বলে আখ্যায়িত করা হতো। আসলে কমিউনিস্ট অর্থ হলো শ্রেণি বৈষম্য বিলোপ সম্পর্কিত মার্কসিস্ট ও মতবাদে বিশ্বাসী। আর জঙ্গিবাদ শব্দটি কমিউনিস্ট শব্দটির স্থলাভিসিক্ত। বিশ্বের অন্যান্য মুসলিম দেশের কথা নাই বা বললাম, বাংলাদেশ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হওয়া সত্ত্বেও এখানে সাধারণ মুসলমান যারা কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত নয় তাদের কেউ দাড়ি, টুপি এবং হিজাবে বিশ্বাসী হওয়ার কারণে আজকাল জঙ্গিবাদ বলে আখ্যায়িত করা হয়। জঙ্গিবাদ বর্তমান বিশ্বে একটি গালিতে পরিণত হয়েছে। আসলেই বর্তমান বিশ্বে শক্তির ভারসাম্য বলেও আর কিছুই নেই।
ড. মর্জিনা আক্তার
গুলশান, ঢাকা
প্রায় ১ যুগেরও বেশি সময় হলো সোভিয়েট ইউনিয়ন থেকে ৮টি দেশ স্বাধীনতা লাভ করেছে। এর বেশির ভাগই মুসলিম। সোভিয়েট ইউনিয়ন বিভক্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আমেরিকার সাথে শক্তির একটা ভারসাম্য বজায় ছিল। এই কমিউনিস্ট বৃহত্ রাষ্ট্রকে আমেরিকা সুকৌশলে মুসলিম জনগণকে বুঝিয়ে সোভিয়েট ইউনিয়ন মানেই কমিউনিস্ট আর কমিউনিস্ট মানেই যারা আল্লাহকে বিশ্বাস করে না। মুসলমানদের অর্থ ও জনবলকে পুঁজি করে রাশিয়াকে সুকৌশলে ভাঙা হলো। এখন আমেরিকা এক তরফা খবরদারি করছে। জাতিসংঘের কাঁধে ভর করে একে একে ইরাকের সাদ্দাম হোসেন, লিবিয়ার গাদ্দাফী এবং সিরিয়ার আসাদ সরকারকে উত্খাত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। জঙ্গিবাদের তকমা পরিয়ে লাদেনকে হত্যা করা হয়েছে। অথচ গণতন্ত্রের লেবাজ পরিয়ে ইসরাইলকে দিয়ে জাতিসংঘের তোয়াক্কা না করে ফিলিস্তিনিদের ভূখণ্ডে বাড়ি-ঘর নির্মাণ করছে। তবুও বিশ্ব শক্তিধর আমেরিকাকে ভুলে গেলে চলবে না যদি প্রয়োজনের তাগিদে কমিউনিস্ট রাষ্ট্র রাশিয়া, চীন, উত্তর কোরিয়া এবং তকমা লাগানো ইরান, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, সিরিয়া যদি একই সারিতে দাঁড়িয়ে যায় তবে আমেরিকার শক্তির ভারসাম্য খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে যাবে।
রফিকুল ইসলাম
৩৮৩ পশ্চিম রামপুরা, ঢাকা
যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী দেশ। কোন দিক থেকেই তাদের জুড়ি মেলা অনেক। এটাকে কোনভাবে অস্বীকার করা যাবে না। তাদের মধ্যে দেশপ্রেম আছে। ন্যায় নিষ্ঠা আছে, আছে ঐক্য। আমাদেরও দেশপ্রেম ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। তাহলে ভারসাম্য রক্ষা হবে।
সৈয়দা নাসরিন সুলতানা
স্যানি সাইড নিউইর্য়ক, আমেরিকা
সোভিয়েট ইউনিয়ন বিলুপ্ত হওয়ার আগে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য সেটাকে কমিউনিস্ট বলে ডাকা হতো। কিন্তু বর্তমানে যেটা হচ্ছে সেটা বিশ্বে অনেকেই মনে করেন অন্যটা। সুতরাং আমাদের দেশে ভারসাম্য রক্ষার জন্য প্রয়োজন একাগ্রতা ও নিষ্ঠাসহ সততা।
নার্গিস
হাজারীবাগ, ঢাকা
রাজনৈতিক দলগুলো যদি তাদের নৈতিকতা ঠিক রেখে চলে তাহলে আমি মনে করি ভারসাম্য রক্ষা করা সহজ হবে।
শিশির
পিলখানা, ঢাকা
এখন একমেরু বিশ্বে অনেকেই মনে করেন যে প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করার জন্য জঙ্গিবাদীর তকমা লাগিয়ে দেয়া হয়। বলা হচ্ছে বিশ্বে শক্তির ভারসাম্য বলেও আর কিছু নেই কিন্তু এর সাথে আমি একমত নই।
পারভীন সুলতানা
আরাপপুর, ঝিনাইদহ
আমাদের দেশের রাজনীতিবিদরা উল্টো দিকে চলছে যার কোন পরিসীমা নেই। সোভিয়েট ইউনিয়ন এক সময় ছিল সেটা শেষ হয়েছে। সুতরাং একক পরাশক্তির মধ্যে থেকে সেটা ভারসাম্যের লক্ষ্যে থাকতে হবে।
আবদুল মালেক মিয়া
মিরপুর-১, ঢাকা
পৃথিবীর একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্ত পর্যন্ত অনেকেই মনে করছেন যে, প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্যই জঙ্গিবাদীর তকমা লাগিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু বাস্তবে কতটুকু ঠিক তা বিবেচ্য বিষয়।
এস কে মোহাম্মদ রমিজ উদ্দিন
ঢাকা
নৈতিকভাবে পরাজিত কোন শক্তি কোন কিছু অর্জন করতে পারে না। তাই বলবো, প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করার জন্য জঙ্গিবাদীর তকমা লাগিয়ে দেয়া হয়।
মজিব
উত্তরা, ঢাকা
জঙ্গিবাদ ও মৌলবাদ বলে অনেকেই অনেক দেশ তাদের অভ্যন্তরে একটা অরাজকতা সৃষ্টি করে যাচ্ছেন। এই নীতি থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন সচেতন সফল দেশকে।
জাহাঙ্গীর খান বাবু
সিরাজদিখান, মুন্সিগঞ্জ
ভারসাম্যহীনতা কোনো শুভ লক্ষণ বহন করে না। আবহাওয়াই অনেকটা দুর্বলের কথা বলে। তাই আগামী বিশ্বব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসা দরকার।
বিপ্লব আলম
উর্দু রোড, লালবাগ, ঢাকা
সারাবিশ্বের শক্তির ভারসাম্য কম হওয়াতে কোনদিকই মঙ্গলজনক হচ্ছে না। তাই ভারসাম্যপূর্ণভাবে তত্পর হতে হবে।
ফারুক আলম
মালিবাগ, ঢাকা
চারদিকে এখন শুধু সমস্যা। এই সমস্যা সমাধানের জন্যও বিশ্বকে ভারসাম্যের দিকে ব্যবহার করতে হলে সারা পৃথিবীর মানুষকে জাগ্রত করতে হবে।
মাসুম আহাম্মদ
যাত্রাবাড়ী, ঢাকা ১২৩৬
পরাশক্তি দেশগুলোর সামনের দিকে এগিয়ে আসা দরকার। তা না হলে এই পৃথিবীতে অনেক দেশ পিছনে পড়ে থাকবে। তাদের সম্পূর্ণ জীবনটাই হবে অন্যরকম।
কাউছার আকন্দ
মতিঝিল, ঢাকা
পরাশক্তির ভারসাম্য এই স্বাধীন বাংলাদেশের সরকার ও জনগণকে পরাশক্তির ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে। আর আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশ ও জনগণ পিছিয়ে নেই, পরাশক্তির প্রভাবমুক্ত হয়ে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে দেশ। স্বাধীন দেশের জনগণ গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দেশ স্বাধীন ও পাকিস্তানি হায়নাদের হাত থেকে রক্ষা করেছিল। সেই পরাজিত শক্তি জামায়াত শিবির শক্তি প্রদর্শন করে জনগণকে হেনস্তা করছে হরতাল ও অবরোধ দিয়ে। রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের প্রতি জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থন আছে বলে জনগণ নৌকায় ভোট দিয়ে সরকার গঠন করায় বিরোধী দল বিএনপি এরশাদকে ১৪ দলীয় জোট ছাড়ার আহবান জানিয়েছে তাতে জাতীয় পাটি সাড়া দেয়নি রাজাকারদের সাথে মিশতে। জনগণ মনে করছে, মহাজোট থেকে এরশাদ বেরিয়ে গেলেও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আগামী সংসদ নির্বাচনে একক মানে সব দলের অংশ গ্রহণে একক রাজনৈতিক শক্তি অর্জন করবে, জনগণের উন্নয়ন করবে। এতে করে জনগণ পরাশক্তির প্রভাবমুক্ত হয়ে উন্নয়নের ভারসাম্য রক্ষা করতে পারবে। আর কেউ যেন ঐ ৭১-এর মত আক্রমণ বাংলাদেশের জনগণের উপর না আসে এ জন্য জনগণের উচিত হবে নৌকায় ভোট দিয়ে তা রক্ষা করা।
ফারুক আহমেদ
বাগমারা, রাজশাহী
গত শতাব্দীর নব্বই দশকে সোভিয়েট ইউনিয়ন ভেঙে দেয়ায় বিশ্বে রাজনৈতিক ভারসাম্য মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। মার্কিন সাম্রাজ্য অপ্রতিহত হয়ে ওঠে। ফলে পৃথিবীর সর্বত্র একটা নৈরাজ্যকর অবস্থার উদ্ভব হয়েছে। সেদিন কমিউজিমের পতন দেখে মুসলমানরা খুশিতে মিষ্টি বিতরণ করেছিল; কিন্তু ঐ ঘটনার পর দুনিয়াজুড়ে মুসলমানরাই সবচেয়ে বেশি বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়ে। অবস্থা এমন পর্যায়ে এসেছে এখন কাউকে হেয় বা আক্রমণ করতে চাইলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে মৌলবাদী বা জঙ্গিবাদী বলে প্রচার করা হচ্ছে। এতে সামাজ্যবাদী আগ্রাসনের একটা পটভূমি রচনা অনায়াসেই সম্ভব হচ্ছে। এর প্রতিক্রিয়ায় বিশ্বজুড়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আঞ্চলিক পরাশক্তির উদ্ভব ও বিকাশ ঘটছে। এসব আঞ্চলিক শক্তি এখনও মার্কিন আগ্রাসন ঠেকাতে যথেষ্ট সক্ষম না হলেও আগামীর বিশ্বব্যবস্থায় একটা নতুন মেরুকরণের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। অবশ্য এ নবমেরুকরণ কতটা ইতিবাচক বা নেতিবাচক হবে সে আশংকার উদ্ভব এখনও ভবিষ্যতের গর্ভে। তবে এ আশঙ্কা একেবারে অমূলক নয় যে, শক্তির ভারসাম্যহীন বৈশ্বিক আবহই শেষ কথা নয়।
খালেদ মাহবুব মোরশেদ
কুতুবদিয়া, কক্সবাজার
বাংলায় একটি কথা আছে— সত্যই সুন্দর, সুন্দরই সত্য। সত্যের মধ্যে ও সুন্দরের মধ্যে আছে স্বচ্ছতা, আছে আলোর মিছিল। সুতরাং আমাদের রাজনীতিবিদদেরও এ কথাটি মনে রাখতে হবে। তৈরি করতে হবে দেশপ্রেম, সততা ও ন্যায়নিষ্ঠা। তাহলেই ভারসাম্য তৈরি করা সম্ভব হবে।
মোস্তান সিরুন করিম
ধানমণ্ডি, ঢাকা
রাজনীতি করতে হলে কোন যোগ্যতা অথবা নিয়ম-কানুনের প্রয়োজন নেই। যে যাকে বলতে পারে সেভাবে বলে। কেউ জঙ্গিবাদী বলে, কেউ কাউকে কমিউনিস্ট বলে। কিন্তু সত্য কথা হলো রাজনীতি করতে হলে নিজেকে সত্যবাদী হতে হবে, দেশপ্রেমিক হতে হবে, অন্যের অন্যায় ও নিজের অন্যায়কে স্বীকার করার ক্ষমতা থাকতে হবে। জনগণের সামনে স্পষ্ট কথা বলার সাহস থাকতে হবে। কমিউনিস্ট ও জঙ্গিবাদ এটা অন্যকে হেয় করার জন্য বলা হয়।
সৈয়দ হায়দার আলী
মহাখালী, ঢাকা
একক পরাশক্তিতে দিব্যশক্তির অধিকারী হতে পারলে তবেই সকল প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করা সম্ভব। বর্তমান বিশ্বে শয়তানের শক্তিই ভারসাম্য রক্ষা করছে। পবিত্র কোরআন শরীফ ও পবিত্র বাইবেলে পৃথিবীর জমানায় শয়তানের শক্তি বাড়বে। হাশরের ময়দানেই তার বিচার হবে। কমিউনিজিম তো শয়তানের কাছে কিছুই না, নস্যি মাত্র। কথায় আছে— উঁই পোকার পাখা হয় মরিবার তরে। তাই রাজনীতিবিদদেরও মাঝে কিছু কিছু পাখা গজিয়েছে। যেমনি করে সোভিয়েট ইউনিয়ন বিলুপ্ত হয়েছে। সেই পথে চলছে আমাদের দেশের রাজনীতিবিদরা।
আশা এলিজাবেত গোমেজ
লক্ষ্মীবাজার
ঢাকা ১১০০
সোভিয়েট ইউনিয়ন বিলুপ্ত হবার আগে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য কমিউনিস্ট বলে আখ্যায়িত করা হতো। কিন্তু আমাদের দেশে রাজনৈতিক দল যেভাবে চলছে তাতে দেশের মানুষ কোন কিছু বুঝতে পারছে না।
মো. সেলিম
মহাখালী, ঢাকা
