লালপুরে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য সেবার বেহাল অবস্থা

আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২০:৫৪
নাটোরের লালপুর উপজেলার ২টি ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ৭টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের চিকিত্সা সেবার বেহাল অবস্থা। চিকিত্সা কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ থাকলেও ডাক্তারসহ জনবল সংকটের কারণে কাঙ্ক্ষিত চিকিত্সা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র দু’টিতে মেডিক্যাল অফিসার নেই দীর্ঘদিন ধরে। ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বসার পরিবেশ নেই অজুহাতে ২ সহকারী সার্জন দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। কোথাও কোথাও পানি ও বিদ্যুতের ব্যবস্থা নেই, জানালা-দরজা চুরি হয়ে যাচ্ছে। জানা যায়, বিলমাড়িয়া এবং ওয়ালিয়া ইউনিয়নে ২টি উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে সেখানে একজন মেডিক্যাল অফিসার, একজন সাব এসিস্ট্যান্ট কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার, একজন ফার্মাসিস্ট ও একজন এমএলএসএস’র পদ থাকলেও বিলমাড়িয়া উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ৩বছর এবং ওয়ালিয়া উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ১বছর ধরে মেডিক্যাল অফিসারের পদ শূন্য রয়েছে। ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে একজন উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার, একজন সহকারী সার্জন, একজন ফার্মাসিস্ট, একজন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা, একজন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক, একজন নৈশ প্রহরী এবং একজন আয়ার পদ রয়েছে। উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের ৬১টি পদের ১৯টি পদই বর্তমানে শূন্য রয়েছে। উপজেলার ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিদিন গড়ে দেড় শতাধিক রোগি চিকিত্সা সেবা নিতে আসেন। প্রাথমিক চিকিত্সার প্রায় সব ধরনের ওষুধ সেখানে পাওয়া যায়। বিলমাড়িয়া ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ফার্মাসিস্ট কামালউর নূর জানান, প্রতি তিনমাস অন্তর অন্তর সরকারিভাবে যে ওষুধ পাওয়া যায় চিকিত্সা নিতে আসা রোগীদের জন্য তা পর্যাপ্ত।