গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ইত্তেফাকের শেষের পাতায় ছোট্ট করে রিপোর্টটি ছাপা হয়েছে। শিরোনাম ‘শাহবাগে দুশমনদের সমাবেশ হচ্ছে।’ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সভাপতির ক্ষুব্ধ মন্তব্য এটি। তার ভাষায়, শাহবাগে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের দুশমনদের সমাবেশ হচ্ছে। তাই শাহবাগের এই আন্দোলনকারীদের প্রতিহত করার জন্য তিনি তৌহিদী জনতা, পীর মাশায়েখ সকলকে আহবান জানিয়েছেন। এই অমীয় বাণী শুনে ‘দুশমনে’র সংজ্ঞাই যেন পাল্টে গেল। ১৯৭১-এ যারা বাংলাদেশের জন্ম রুদ্ধ করতে চেয়েছিল, লক্ষ লক্ষ বাঙালির হত্যাকারী পাক-হানাদারদের সহযোগিতা করেছিল, নিজেরা হত্যাকাণ্ডে যুক্ত থেকেছে, নারী ধর্ষণ করেছে, ধর্ষণে পাকবাহিনীকে সহযোগিতা করেছে, লক্ষ লক্ষ বাঙালির ঘর-বাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে—লুণ্ঠন করেছে, তারা যখন শাহবাগে দুশমন খোঁজেন তখন চমকে যেতে হয়। আজ এসব অনাচারকারী পাপীদের শাস্তির দাবিতে শ্লোগানে—গানে শাহবাগ মুখরিত করে তুলছে যারা, তারা জামায়াত নেতার ভাষায় আল্লাহ ও রাসুলের দুশমন। শাহবাগে তরুণরা বিচার দাবি করছে সেসব যুদ্ধাপরাধীদের জন্য, যারা দেশ, জাতি ও মানবতার শত্রু। দুশমনী করেছে দেশের সাথে। এখনও তা অব্যাহত রেখেছে। যুগ যুগ ধরে ভণ্ড পাপীরা আল্লাহ ও রাসুলের নাম ব্যবহার করে সাধারণ ধার্মিককে বিভ্রান্ত করতে চেয়েছে একইভাবে।
শাহবাগ এখন শুধু শাহবাগ নয়, পুরো বাংলাদেশই শাহবাগ। দেশের সকল অঞ্চলে বয়স-নির্বিশেষে সকল দেশপ্রেমিক মানুষ মানবতা বিরোধী দুশমনদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাগরণের মঞ্চে জমায়েত হয়েছে। অথচ জামায়াত নেতারা মুক্তিযুদ্ধের সময় তাদের খুনে ধর্ষক চরিত্র না পাল্টিয়ে তরুণ প্রজন্মের শিবির কর্মীদের খুনে হার্মাদ বানিয়ে মাঠে ছেড়ে দিচ্ছে। প্রতারণার দীক্ষা দিয়েছে তরুণদের। ‘নারায়ে তকবিরে’র মত ধর্মীয় শব্দের শ্লোগান শানিয়ে কর্মীদের নামিয়েছে চোরাগোপ্তা হামলা করতে। বোমা ককটেল ফোটাচ্ছে শহরে। সাধারণ মানুষের গাড়ি-ঘোড়া ভাঙ্গছে। আগুনে পোড়াচ্ছে। রক্তাক্ত করছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও সাধারণ পথচারীকে। আর এ সবকিছু করছে দেশের সিংহভাগ মানুষের ইচ্ছের বিরুদ্ধে গিয়ে। জামায়াতে ইসলামীর নেতারা এভাবে তাদের তরুণ অনুসারীদের পথভ্রষ্ট করছেন। গণদুশমনে পরিণত করছেন। এই দেশদ্রোহী দুশমনরা এখন শাহবাগের মুক্তিকামী তরুণ প্রজন্মের ভেতর দুশমন খুঁজে বেড়াচ্ছেন। প্রকৃত অর্থে নিজেদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সুবিধা পাওয়ার জন্য এসব ধর্মবণিক নেতারা অবলীলায় ধর্মের নামে অধর্ম ছড়িয়ে প্রতিদিন বিভ্রান্ত করছেন তাদের মগজ ধোলাইকৃত অনুসারী তারুণ্যকে। প্রগতি ও মুক্তচিন্তা বরাবর এদের ভীত করে। তাই শাহবাগের গণআন্দোলন নিয়ে তাদের এত উষ্মা, অস্বস্তি আর ভীতি। একসময় মাদ্রাসার গরীব সরল ছেলেদের মগজ ধোলাই করে ধর্মবণিক নেতারা ধর্মের দোহাই দিয়ে নিজ রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য মানবতাকে লাঞ্ছিত করতে মাঠে নামাতো। এখন এ ক্ষেত্রে ডিজিটাল উন্নতি হয়েছে। অনেক কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া পোশাকে আধুনিক তরুণদের ওপরও ভর করেছেন জামায়াত নেতারা। ধর্মের মতলবী ব্যাখ্যা দিয়ে এদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। অর্থ আর চাকরির লোভে স্বপ্ন দেখাচ্ছেন। তারপর মাঠে নামিয়ে দিচ্ছেন মানুষকে রক্তাক্ত করতে, সম্পদ ধ্বংস করতে।
পাঠক নিশ্চয়ই মনে করতে পারবেন ২০০৮ সালের অক্টোবরের কথা। ঐতিহাসিকভাবে অসামপ্রদায়িক জীবন কাঠামোয় বেড়ে ওঠা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে জীবন্ত এদেশের মানুষ আহত দৃষ্টিতে কতগুলো ধর্ম-মূর্খ অর্ধউন্মাদকে দেখেছিল বিমানবন্দরের কাছে সড়কদ্বীপে নির্মিত লালন ভাস্কর্য ভাঙতে। লজ্জিত ও বিধ্বস্ত অনেকেই টিভির পর্দায় দেখেছিলেন রশি টানাটানি করে ভাস্কর্য ভাঙ্গার সময় একজন মাদ্রাসার শিক্ষক (বা ছাত্র) আরবি আয়াত উচ্চারণ করে ধর্মীয় নির্দেশ মতো তাদের এখন ‘মূর্তি’ ভাঙ্গা কর্তব্য—এমন বক্তব্য দিচ্ছিলেন। এই দৃশ্য দর্শনে বিনয়ের সঙ্গে জানতে ইচ্ছে করছিল, আল কোরআন আর হাদিস তিনি কতটা বুঝতে পেরেছেন? আল কোরআন গভীর সাহিত্যিক মানসম্পন্ন একটি মহাগ্রন্থ। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, উপমা, অনুপ্রাস ও গভীর তাত্ত্বিক শিল্প প্রকরণে বিন্যস্ত হয়েছে কোরআনের আয়াতসমূহ। শাব্দিক অর্থে রূপান্তর করলে এর তল পাওয়া সম্ভব নয়। তাই তফসিরকারকগণ বহু খণ্ডে কোরআনের তফসির রচনা করেছেন। তারপরও এসব ব্যাখ্যা কতটা সহি তা নিয়ে যুগ যুগ ধরে বিতর্ক রয়ে গেছে ইসলামী পণ্ডিতদের মধ্যে।
যে ধর্মের নবী শিক্ষার জন্য সুদূর চীনে যাওয়ার কথা বলে মুসলমানকে মুক্তচিন্তা চর্চায় প্রাণিত করেছিলেন সেই নবীর নাম ভাঙ্গিয়ে দেশপ্রেমিক মুক্তচিন্তার তরুণদের দুশমন হিসেবে চিহ্নিত করতে চাইছেন জামায়াত নেতারা। নবী যে যুগে শিক্ষার জন্য সুদূর চীনে যেতে বলেছিলেন তখন কোনো মুসলমান চীনে পৌঁছেনি। প্রতীক হিসেবে নবী চীনের কথা উল্লেখ করেছেন। আরব থেকে চীনে যাওয়া খুব সহজ ছিল না তখন। শিক্ষার জন্য কষ্ট স্বীকার করতে তিনি অনুপ্রাণিত করার চেষ্টা করেছিলেন উম্মতদের। শুধু কি তাই? নবীর জন্মের আগে থেকেই মক্কায় বিদেশি ধ্রুপদী সাহিত্য, দর্শন, বিজ্ঞান, আরবী ভাষায় অনূদিত হতো। এসব জ্ঞানের ব্যাপক চর্চা হতো আরবের বিদ্যোত্সাহীদের মধ্যে। ইতিহাসে নবী হযরত মুহম্মদ (স.) একজন জ্ঞানী মানুষ হিসেবে সুপরিচিত। ধরে নেয়া যায় চীনের কনফুসিয়াসের দর্শন তাঁর অজানা ছিল না। তাই জ্ঞানের চারণক্ষেত্র হিসেবেই তিনি চীন দেশকে বিবেচনা করছিলেন। আর সে কারণে তিনি জ্ঞান অর্জনের জন্য প্রতীকী অঞ্চল হিসেবে নির্বাচন করেছিলেন চীনকেই। এই ব্যাখ্যায় স্পষ্ট—নবী (স.) শিক্ষাকে ধর্মীয় বলয়ে আবদ্ধ না করে তাকে উন্মুক্ত করার শিক্ষা দিয়েছিলেন।
এ যুগের ধর্ম-বণিকরা এসব সত্য বুঝতে না চাইলেও যেসব সুফি সাধক ও ইসলামী চিন্তাবিদ হাজার বছর আগে ইসলামের মানবিক আবেদন ছড়িয়ে দিয়ে বাংলায় ইসলাম ধর্মের বিকাশের পথ তৈরি করেছিলেন, তাঁদের নবীর আদর্শ বুঝতে কোনো অসুবিধা হয়নি। যাঁরা প্রথম মাদ্রাসা তৈরি করে মুসলমানদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়েছিলেন তাঁরা তাঁদের উদারতা ও অসামপ্রদায়িক মনোভঙ্গি দিয়ে প্রকৃত অর্থেই আলোকিত করতে পেরেছিলেন চারপাশ। চৌদ্দ শতকে সোনারগাঁওয়ে মাদ্রাসা তৈরি করেছিলেন দিল্লী থেকে আসা প্রখ্যাত সাধক শায়খ শরফুদ্দিন আবু তাওয়ামা। এই বিজ্ঞ ইসলামী চিন্তাবিদ তাঁর মাদ্রাসায় কোরআন-হাদিসের পাশাপাশি গণিত, আইন, চিকিত্সাবিদ্যা ইত্যাদি জাগতিক বিষয় অধ্যয়নের ব্যবস্থা করেছিলেন। এই মাদ্রাসায় এক সময় শিক্ষকতা করেন সে যুগের বিশিষ্ট পণ্ডিত সমরখন্দ থেকে আসা বহু ভাষাবিদ কাজী রুকনউদ্দিন আল সমরখন্দী। তিনি একবার জানতে পারেন আসামে একজন ব্রাহ্মণের কাছে ‘অমৃতকুণ্ড’ নামে সংস্কৃত ভাষায় লেখা হিন্দু যোগশাস্ত্রের মূল্যবান গ্রন্থ আছে। জ্ঞান অন্বেষী রুকনউদ্দিন ‘অমৃতকুণ্ড’ পড়ার জন্য সংস্কৃত শিখলেন। এই জ্ঞানগর্ভ দার্শনিক গ্রন্থটি পড়ে তিনি এতই আলোড়িত হয়েছিলেন যে, আরবি ও ফারসি ভাষায় অমৃতকুণ্ডের অনুবাদ করেন। শুধু তাই নয়, অমৃতকুণ্ড সোনারগাঁও মাদ্রাসার পাঠ্যতালিকার অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। প্রকৃত অর্থে নবীর অনুসারী এ সকল পণ্ডিত শুধু ইসলামী জ্ঞানের ভেতর জ্ঞানচর্চাকে আটকে রাখেননি।
মধ্যযুগে বাংলায় আসা সুফি সাধকগণ তাঁদের কপর্দকটুকু বিলিয়ে দিতেন মানবকল্যাণে। তাঁরা যেখানে খানকাহ প্রতিষ্ঠা করতেন তাতে অনেক কিছুর আয়োজন থাকত। থাকত নিরন্ন মানুষের জন্য লঙ্গরখানা, মসজিদ, মাদ্রাসা আর চিকিত্সালয়। এখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের প্রবেশাধিকার ছিল অবারিত। সেন রাজাদের হাতে অবহেলিত, লাঞ্ছিত, বিপন্ন শূদ্র হিন্দুদের কাছে ছিল এ এক নতুন অভিজ্ঞতা। ধর্মের এই মানবিক আচরণ তাদের জীবনের আশ্বাসবাণী শোনায়। তাই সুফি সাধকগণ সহজেই ধর্মান্তকরণে সফল হয়েছিলেন।
জামায়াত অনুসারী তরুণদের আচরণ দেখে আমার তো বিশ্বাস করতে ইচ্ছে হয়, এরা ইসলামের এই স্বাভাবিক, সরল, মানবিক আচরণ সম্পর্কে শিক্ষা নেয়ার বদলে ধর্ম রক্ষার জন্য জিহাদ করা বা জঙ্গী হওয়ার দীক্ষাটিই আগে পেয়ে যায়। সম্ভবত খুব পরিকল্পনামাফিক এ কাজটি হয়। যাতে সাধারণ শিক্ষা ও প্রকৃত ইসলামী শিক্ষা নিয়ে আলোকিত হতে না পারে। বদ্ধবুদ্ধি নিয়ে জ্ঞানপাপী বা জ্ঞান-মূর্খ ‘হুজুরের’ আহ্বানে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে। মানবতার বুক বিদীর্ণ করতে পারে। রক্তাক্ত করতে পারে জনপদ। সংস্কৃতিবোধহীনতা নিয়ে আবহমানকালের বাংলার সংস্কৃতিকে অকাট মূর্খের তাণ্ডব আচরণে পায়ের তলায় পিষে ফেলতে পারে।
এ কারণেই সম্ভবত অসামপ্রদায়িক মানবতাবাদী লালনকে এ যুগের মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকগণ চিনতে পারলেন না। যে মরমী সাধক লালন আল্লাহর সঙ্গে নিজের হূদয় এক করে দিতে চেয়েছিলেন, তাঁকে প্রতীক হিসেবে ধারণ করে আমরা প্রতিদিন শুদ্ধ হতে পারতাম। তার বদলে কিছুসংখ্যক অশিক্ষিত, অসংস্কৃত, অমার্জিত মানুষ বোকা ছাত্রদের উস্কে দিয়ে লালন ভাস্কর্যকে পায়ের তলায় পিষে ফেলতে চাইল। এদের কাছে কি মূর্তি (idol) আর ভাস্কর্যের (sculpture) পার্থক্য স্পষ্ট নয়? নিরাকার আল্লাহর প্রতিরূপ যাতে কেউ না দেয় সেই অর্থে মূর্তি গড়ার বিরুদ্ধে বক্তব্য আছে ইসলামে। ভাস্কর্য তো সৌন্দর্যের প্রতিরূপ, সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যের প্রতিরূপ। এর প্রতিহিংসা প্রকাশ করতে পারে একমাত্র অন্ধকারের জীবরা।
আজ শাহবাগে তারুণ্যের বিস্ফোরণ আর দেশজুড়ে সর্বস্তরে এর ঐকতান জামায়েতে ইসলামী নেতাদের আতঙ্কিত করে তুলেছে। তাই উদ্ভ্রান্তের মত শাহবাগের সমাবেশকে দুশমনের সমাবেশ বলে বিবৃতি দিচ্ছেন। এই ধর্মের অপব্যবহারকারী বাংলাদেশ বিরোধী দলটির নেতারা তাদের আশ্রয় দেয়া বিএনপির দশা দেখেও কি সতর্ক হচ্ছেন না? শাহবাগের গণবিস্ফোরণ দেখে বিএনপির নানা নেতার নানা অভিভাষণ তাদের দোদুল্যমানতাকে স্পষ্ট করছে। যত দিন গড়াচ্ছে বিএনপির অবস্থানে পরিবর্তন আসছে। প্রথমে গরম, তারপর মাঝারি, এখন নরম লয়ে সুর তুলছে। সতর্কতার সাথে স্বাগত জানাচ্ছে শাহবাগের আন্দোলনকে। আমার তো বিশ্বাস নিজ অস্তিত্ব রক্ষার জন্য জামায়েতের সাথে বন্ধুত্বের ছেদ ঘটানোর সময় সমাগত। কাজটি আগে করলে বিএনপির লাভ হতো। তবুও আরো বেশি হারানোর আগে বিএনপি নিশ্চয় বাস্তবতার উঠোনে নেমে আসবে।
জামায়াত অনুসারী বিভ্রান্ত তরুণরা কি বুঝতে পারছে জামায়াত ক্রমে জনবিচ্ছিন্ন ও একা হয়ে যাচ্ছে? জামায়াতে ইসলামী নিষিদ্ধ করার যে জনদাবি বড় হচ্ছে তা বাস্তবায়িত হলে এসব তারুণ্যের ভবিষ্যত্ কোথায় দাঁড়াবে? বাংলাদেশে জামায়াতের ‘ইসলামী ব্রাদারহুড’ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কারণ এদেশের সাধারণ মানুষ ধার্মিক তবে ধর্মান্ধ নয়। হাজার বছরের অসামপ্রদায়িক চেতনা লালন করে বেড়ে উঠেছে। অধিকার আদায়ের আন্দোলনে হাজার বছর ধরে নিজেদের যুক্ত রেখেছে। সেখানে ধর্ম ভিত্তিক অমানবিক রাজনীতির নিভৃতে বেড়ে ওঠার সুযোগ তৈরি হতে পারে না। তাই দেশের সাথে দুশমনী করা জামায়াত নেতারা যদি শাহবাগের জমায়েতে দুশমন খুঁজে বেড়ান তবে তা দ্রুতই বুমেরাং হয়ে ফিরে আসবে। সতর্ক হোন। আপনাদের ‘ইয়া নফসি’ করার সময় বয়ে যায়।
লেখক :অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]
