বৌদ্ধ মনীষী অতীশ দীপংকর ছিলেন শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির সকল শাখায় এক বিরল প্রতিভাধর মহত্ প্রাণ। এই মহান মানবের জন্মস্থান বাংলাদেশে। তবে তিনি তেমন পরিচিতি লাভ করেননি! যা দুঃখজনক বলে মনে করেন অতীশ দীপংকরের ১০৩৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানের বক্তারা। বক্তারা আরো বলেন, বাংলাদশে দীর্ঘদিন ধরে মুসলমান, হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ সহাবস্থান করছে। আমরা অসাম্প্রদায়িক এই পরিবেশ বজায় রাখতে চাই। গতকাল শনিবার অতীশ দীপংকর রোডস্থ ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে এই জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ হেরিটেজ ফাউন্ডেশন।
অনুষ্ঠানে তিনজন প্রত্নতত্ত্ববিদ তিনটি এলাকার বৌদ্ধ ঐতিহ্যঋদ্ধ স্থাপত্য নিয়ে তাদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি শুধানন্দ মহাথের। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা হাসনা জসীম উদ্দীন মওদুদ, ডা. মাহমুদ শাহ কোরেশী প্রমুখ। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে অংশ নেন বাংলাদেশসহ মিয়ানমার, মালয়েশিয়া, তিব্বত প্রভৃতি দেশের ভিক্ষুগণও ।
শুধানন্দ মহাথের বলেন, অতীশ দীপংকর ছিলেন বাঙালির অহংকার, বাংলার গৌরব এবং সমগ্র জাতির সম্পদ। হাসনা মওদুদ বলেন, বিশ্ব প্রেম, মৈত্রী, অব্যাহতভাবে প্রসারিত করার ক্ষেত্রে যে মহাপুরুষের অবদান ছিল অতুলনীয় তিনি বাংলাদেশের অতীশ দীপংকর। চারদিকে যে অশান্তি, অসহিষ্ণুতা বিরাজ করছে তা দূর করতে আমাদের এই মহামানবের পথ অনুসরণ করতে হবে।
