দলিতদের জন্যও চাই সমান সুযোগ-সুবিধা

আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:৪২
যুগ যুগ ধরে দেশের দলিত সম্প্রদায় রাষ্ট্রের সকল রকম সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে অথচ রাষ্ট্রের সকল সুবিধা পাওয়ার অধিকার তাদেরও আছে। দলিত সম্প্রদায়ের জন্য চাকরি এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে কোটা বরাদ্দ, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রশিক্ষণে তাদের বিনা খরচে প্রশিক্ষণ দান, দলিত নারীদের সামাজিক ক্ষমতায়ন সৃষ্টি, দলিত রেজিস্টার্ড ইউনিয়ন করা, দলিত সম্প্রদায়কে রাষ্ট্রের মূলধারায় যুক্ত করাসহ রাষ্ট্রীয় সকল সুযোগ দেয়া প্রয়োজন বলে দাবি করেন বাংলাদেশ দলিত নারী আন্দোলনের প্রথম-দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে বক্তারা। গতকাল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা শারি এবং দাতা সংস্থা অক্সফাম যৌথভাবে এই সম্মেলন আয়োজন করে। সম্মেলনের প্রধান অতিথি জাতীয় সংসদের সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য বেবী মওদুদ এমপি সরকারের পক্ষ থেকে দলিত সম্প্রদায়ের জন্য রাষ্ট্রের সকল সুযোগ দেয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। সম্মেলনে বক্তারা আরো বলেন, দলিত নারীর ভাগ্যোন্নয়নে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। যেন তারা রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন, সিদ্ধান্ত গ্রহণ, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ, যৌতুক প্রথা বিলোপ, পারিবারিক নির্যাতন বন্ধ, দলিত পল্লীতে পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থার পাশাপাশি নারীর নেতৃত্ব সৃষ্টি করে আত্মপ্রত্যয়ী হতে পারে। বাংলাদেশ দলিত নারী আন্দোলনের আহ্বায়ক দিপালী রানী দাসের সভাপতিত্বে সম্মেলনে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিআইডিএস’র জ্যেষ্ঠ গবেষক প্রতিমা পাল মজুমদার, নারী পক্ষের অমিতা দে, অক্সফাম বিজির প্রোগ্রাম অফিসার সৈকত বিশ্বাস, বাংলাদেশ হরিজন ঐক্যপরিষদের মহাসচিব নির্মল চন্দ্র দাস প্রমুখ। সম্মেলনে ঝিগাতলা ঋষি কলোনীর দিপালী রানী দাসকে সভাপতি এবং গণকটুলি হরিজন কলোনীর পিংকী রানী দাসকে সাধারণ সম্পাদক করে ২৭ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়।