শিবগঞ্জে ভুয়া চিকিত্সকের ভুল চিকিত্সায় কলেজ ছাত্র সুমনকে পঙ্গুত্ববরণ করতে হয়েছে। মামলা করায় বাদিকে ও বাদির পরিবারকে আসামি পক্ষের হুমকি অব্যাহত রয়েছে। এলাকাবাসী ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ নভেম্বর উপজেলার চল্লিশ রশিয়া গ্রামের জোবদুলের কলেজ পড়ুয়া ছেলে মাসুদ রানা সুমন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হলে রাজশাহী হাসপাতালে যাবার পথে জামায়াত শিবির পরিচালিত শিবগঞ্জ হেল্থ কেয়ার ক্লিনিকের এক্সরেম্যান ও জাল মাছমারী গ্রামের নুর মোহাম্মদের ছেলে কাউসার নিজেকে ভাল চিকিত্সক বলে তার রাজশাহী যাওয়া বন্ধ করে এবং রোগীর পায়ে ৮টি ইনজেকশন পুশ করে। এরপর মোটা অংকের টাকা নিয়ে ৭ দিন পর আবার আসতে বলে।
২দিন পর অবস্থার অবনতি হলে ডাঃ সামিল উদ্দীন আহম্মেদ শিমুলের পরামর্শে প্রথমে রাজশাহী হাসপাতাল ও পরে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করার পর সুমনের পা কেটে ফেলতে হয়। বর্তমানে সুমন পঙ্গু অবস্থায় মানবেতর জীবন-যাপন করছে। সুমনের পিতা বিআরডিবির পিয়ন জোবদুল দৈনিক ইত্তেফাককে জানান, কাউসারের ভুলের কারণে সুমন পঙ্গু হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ থানায় মামলা হলে পুলিশ আসামি ধরলেও কিছুক্ষণ পর অজ্ঞাত কারণে ছেড়ে দেয়। বর্তমানে আসামি পক্ষ আমাকে ও আমার পরিবারকে প্রাণনাশসহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিচ্ছে।
