জুুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা

আপডেট : ০৯ মার্চ ২০১৩, ১৯:১১
‘মানবধর্ম’ ১। ‘মানবধর্ম’ কবিতাটির রচয়িতা কে? উত্তরঃ লালনশাহ। ২। ‘মানবধর্ম’ কবিতাটি কত লাইন? উত্তরঃ ১৪ লাইন। ৩। মানুষের কোন পরিচয়টি সবচেয়ে বড়? উত্তরঃ মানুষের মানুষ পরিচয়। ৪। লালনের মতে মানুষের জন্য কী ক্ষতিকর? উত্তরঃ জাতের বড়াই। ৫। কূপজল কি? উত্তরঃকুয়োর জল। ৬। জল গর্তে গেলে কী হয়? উত্তরঃকূপজল হয়। ৭। লালন কি নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করেছে? উত্তরঃ জাত-পাত বা ধর্ম। ৮। লালন শাহ কেমন কবি? উত্তরঃমানবতাবাদী মরমি কবি। ৯। তিনি কার শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন? উত্তরঃ সাধক সিরাজ সাঁই বা সিরাজ শাহ্র শিষ্যত্ব। ১০। আমাদের চারপাশে কেমন মানুষ রয়েছে? উত্তরঃবিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ ও গোত্রের। ১১। লালন শাহ্ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন? উত্তরঃ ১৭৭২ খ্রিষ্টাব্দে। ১২। লালন শাহ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন? উত্তরঝিনাইদহ, মতান্তরে কুষ্টিয়ায়। ১৩। লালন শাহ-র মৃত্যু হয় কত সালে? উত্তরঃ ১৮৯০ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ই অক্টোবর। ১৪। লালন শাহ্ কোথায় মারা যান? উত্তরঃ কুষ্টিয়ার ছেউরিয়ায়। ১৫। গানে লালন শাহ্ নিজেকে কি বলেছেন? উত্তরঃফকির। ১৬। লালন শাহের গানের বৈশিষ্ট্য কী? উত্তরঃ অধ্যাত্নভাব ও মরমি সাধনা। ১৭। লালন সম্পর্কে কী প্রশ্ন ছিল? উত্তরঃ লালনের জাত ১৮। লালন কী গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন না? উত্তরঃ জাতকে। ১৯। মূলকথা কী? উত্তরঃ মনুষ্যধর্ম। ২০। লালন কী বিশ্বাস করেন না? উত্তরঃ ধর্মভেদে যে ভিন্নতার কথা। ২১। লালন শাহ কী করতে পারেন নি? উত্তরঃ প্রতিষ্ঠানিক বিদ্যালাভ। ২২।চিন্তা ও সাধনার মাধ্যমে তিনি কি সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান লাভ করেন? উত্তরঃ হিন্দু ও মুসলমানের ধর্মীয় শাস্ত্র সম্পর্কে। ২৩। তিনি কিসের মাধ্যমে নতুন এক দর্শন প্রচার করেন? উত্তরঃজ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধির মিলনে। ২৪। কিসের মাধ্যমে লালনের দর্শন প্রকাশ পায়? উত্তরঃগানের। ২৫। তিনি সহস্রাধিক কি রচনা করেন? উত্তরঃ গান। ২৬। জেতের- কী? উত্তরঃ জাতের। ২৭। গঙ্গাজল- কী? উত্তরঃ গঙ্গার পানি। ২৮। কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, এর পরের লাইন কি? উত্তরঃ তাইতে কী জাত ভিন্ন বলায়। ২৯। যাওয়া কিংবা আসায় বেলায় বলতে কী বুঝায়? উত্তরঃ জন্ম বা মৃত্যুর সময়। ১। বাঙালির বাংলা গদ্যটির লেখক কে? উত্তরঃ কাজী নজরুল ইসলাম। ২। বাঙালির মধ্যে কী রয়েছে? উত্তরঃ জ্ঞান শক্তি ও প্রেম শক্তি। ৩। বাঙালির মধ্যে কী নেই? উত্তরঃ কর্ম শক্তি। ৪। কর্ম শক্তি নেই বলে কী তমসাচ্ছন্ন হয়ে আছে? উত্তরঃদিব্যশক্তি। ৫। ব্যবসা-বাণিজ্যে অনিচ্ছার কারণ কী কী? উত্তরঃকর্ম বিমুখতা, জড়ত্ব, মৃত্যুভয়, আলস্য, তন্দ্রা, নিদ্রা। ৬। বাঙালিরা তামসিকতায় আচ্ছন্ন হয়ে কী হারিয়ে ফেলেছে? উত্তরঃ চেতনা শক্তি। ৭। দিব্য শক্তিকে নিস্তেজ ও মৃতপ্রায় করে রাখে কে? উত্তরঃঅবিদ্যা। ৮। অমৃতের পানে আনন্দের পথে যেতে দেয় না কে? উত্তরঃ অবিদ্যা। ৯। কে একমাত্র তমকে শাসন করতে পারে? উত্তরঃ রজোগুণ অর্থাত্ ক্ষাত্রশক্তি। ১০।বাঙালির আজন্ম কী সম্পন্ন? উত্তরঃদিব্যশক্তি সম্পন্ন। ১১।কার আগ্নেয়গিরি অগ্নি উদগীরণ করল না? উত্তরঃ বাঙালির চন্দ্রনাথের। ১২। বাঙালির কী জাগল না বলে দিব্যশক্তি কোন কাজে লাগল না? উত্তরঃ ক্ষাত্রশক্তি। ১৩। দিব্যশক্তি কী? উত্তরঃ ক্ষাত্রশক্তিই। ১৪। প্রত্যেক মানুষ কয়টি গুণে গুণান্বিত? উত্তরঃ ত্রিগুণান্বিত সত্ত্ব, রজঃ, তমঃ। ১৫। সত্ত্বগুণ কী? উত্তরঃ ঐশীশক্তি অর্থাত্ সত্শক্তি। ১৬।সত্ত্বগুণের প্রধান শত্রু তমগুণকে দমন করে কে? উত্তরঃ প্রবল ক্ষাত্রশক্তি। ১৭। প্রবল ক্ষাত্রশক্তি কী আসতে দেয় না? উত্তরঃ আলস্য, কর্ম-বিমুখতা, পঙ্গুত্ব। ১৮।প্রবল ক্ষাত্রশক্তি কী করে? উত্তরঃদেহ ও মনকে কর্মসুন্দর রাখে, জীবন শক্তিকে চির জাগ্রত রাখে, যৌবনকে নিত্য তেজ-প্রদীপ্ত করে। ১৯। বাঙালির দেহ ও মন কেমন? উত্তরঃপাষাণময়। ২০। বাঙালির শিয়রে প্রহরীর মত জেগে আছে কী? উত্তরঃ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম গিরি হিমালয়। ২১। হিমালয়কে কারা দৈব শক্তির লীলা নিকেতন বলেছেন? উত্তরঃ মুণি ঋষি যোগীরা। ২২। বাংলার চাঁদ কীরূপ? উত্তরঃনিত্য স্নিগ্ধ। ২৩। বাংলার জল কেমন? উত্তরঃনিত্য প্রাচুর্যে ও শুদ্ধতায় পূর্ণ। ২৪। বাঙলার মাটি নিত্য উর্বর কেন? উত্তরঃনিত্য সোনা ফলে বলে। ২৫। কোন সম্পদ একা বাংলার? উত্তরঃ পাট। ২৬। কোন সম্পদটি বাংলার অপরিমাণ? উত্তরঃকয়লা। ২৭। বাংলার সুবর্ণ বালিতে মাটিতে কী রয়েছে? উত্তরঃস্বর্ণ রেণু। ২৮। বাংলার নদীতে ঝিলে বিলে পুকুরে কী রয়েছে? উত্তরঃপ্রয়োজনের অধিক মাছ। ২৯। আমাদের মাতৃভূমী কেমন? উত্তরঃপৃথিবীর স্বর্গ, নিত্য সর্বৈশ্বর্যময়ী। ৩০। আমাদের মাছ, ধান, পাট কারা লুটে নিয়ে যায়? উত্তরঃশত বিদেশী। ৩১।আমরা প্রতিবাদ করি না উল্টো কী করি? উত্তরঃ দাসত্ব করি, লুণ্ঠনে সাহায্য করি। ৩২।বাঙালি লাঠি নিয়ে প্রতিবাদ করেছে কত বছর আগে? উত্তরঃদেড়শত বছর আগে। ৩৩। সর্ব ঐশীশক্তির পীঠস্থান বলা হয় কাকে? উত্তরঃবাংলাকে। ৩৪। বাংলার গ্রামে আজানের সঙ্গে কী বেজে ওঠে? উত্তরঃশঙ্খঘণ্টার ধ্বনি। ৩৫। বাংলার আবহাওয়া কোন শক্তি রয়েছে? উত্তরঃ স্বাধীনতা-মন্ত্রের সঞ্জীবনী শক্তি। ৩৬।আমাদের বাংলা কেমন? উত্তরঃনিত্য মহিমাময়ী, সুন্দর পবিত্র। ৩৭।আমাদের আলস্য, কর্মবিমুখতার পৌরুষের অভাবে আমাদের অবস্থা আজ কেমন? উত্তরঃ সকলের চেয়ে দীন। ৩৮। কারা আজ ভিখারী? উত্তরঃবাঙালি। ৩৯। বাঙালি আজ কার দাসত্ব করে? উত্তরঃনীবর বিদেশীর দাসত্ব। ৪০। সারা দেহমনে আসে প্রলয়ের কম্পন আসে কার? উত্তরঃবাঙালির। ৪১। সারা বক্ষ মন্থন করে কী আসে? উত্তরঃঅশ্রু। ৪২। পথে ঘাটে পড়ে থাকা ঐশী ঐশ্বর্য বিসর্জন করে আমরা কী অর্জন করেছি ? উত্তরঃদৈন্য, দারিদ্র, অভাব, লাঞ্জনা। ৪৩। বাঙালি ক্ষাত্রশক্তি অবহেলা করে কী এনেছে? উত্তরঃদুর্গতি আর অভিশপ্তে জীবন। ৪৪। মাঠের ধান, পাট, সোনা, তামা, লোহা কে নিয়ে যায়? উত্তরঃবিদেশী দস্যু। ৪৫। কে বসে বসে দেখে? উত্তরঃবাঙালি। ৪৬। কী বলতে পারে না? উত্তরঃআমাদের ভগবানের দান, মাতৃ-ঐশ্বর্য। ৪৭। যে রাক্ষস একে গ্রাস করবে তাকে কী করব? উত্তরঃ প্রহারেন ধনঞ্জয় দিয়ে বিনাশ করব। ৪৮। বাংলা কার হোক? উত্তরঃ বাঙালির।