সুপ্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র থেকে কিছু উপদেশমূলক কথা বলবো। পদার্থবিজ্ঞান ২য়পত্রে মোট নম্বর ১০০’র মধ্যে তত্ত্বীয় ৭৫ এবং ব্যবহারিক ২৫। পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) ২য়পত্রে তিনটি অংশে বিভক্ত। এর মধ্যে প্রথম থেকে ষষ্ঠ অধ্যায় পর্যন্ত অধ্যায়গুলোকে বলা হয় বিদ্যুত্ ও চুম্বকত্ব অংশ, সপ্তম থেকে একাদশ অধ্যায়গুলোকে বলা হয় আলোক বিজ্ঞান এবং বারো থেকে পনেরো অধ্যায়গুলোকে বলা হয় আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান অংশ। প্রত্যেকটি অংশ থেকে একটি করে মোট ৩টি রচনামূলক প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এবং সংক্ষিপ্ত মোট ছয়টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। উল্লেখ্য প্রতিটি প্রশ্নের বিকল্প একটি প্রশ্ন থাকবে। পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র থেকে যে অধ্যায়গুলো সব থেকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে সেগুলো হলো: স্থিরতড়িত্, তড়িত্ প্রবাহ ও বর্তনী, তড়িত্ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া, চুম্বক পদার্থ ও ভূ-চুম্বকত্ব, আলোর প্রতিফলন, আলোর প্রতিসরণ, আলোর তরঙ্গতত্ত্ব, ইলেকট্রন ও ফোটন, পরমাণু এবং আপেক্ষিক তত্ত্ব ও জ্যোতি পদার্থবিজ্ঞান। তোমাদের একটা বিষয় সবসময় খেয়াল রাখতে হবে সেটি হলো বিদ্যুত্ ও আলোক বিজ্ঞানের চিত্রে সবসময় () তীর চিহ্নটি দিতে হবে। অনেক সময় ছেলেমেয়েরা এই কাজটি ভুলে যায় এবং চিত্রের পূর্ণ নম্বরটা পায় না এবং গাণিতিক অংশগুলো ভালোভাবে অভ্যাস করবে কারণ পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্রে প্রত্যেকটি প্রশ্নের সাথে একটি করে গণিত থাকবে। গাণিতিক টার্ম ভালো করে না শিখলে ভালো নম্বর আশা করা যায় না।
অনেক সময় তোমরা গণিত করতে করতে শেষে গিয়ে লিখতে ভুলে যাও। এটি যেন কখনও না হয় সেদিক খেয়াল রাখবে। কারণ একক ভুল করলে এক নম্বর কেটে নেয়া হয়। গাণিতিক হিসাবগুলো আগে থেকে চর্চা করবে। কারণ পরীক্ষার সময় এগুলো তোমরা ভুল কর। পরীক্ষার হলে গিয়ে প্রশ্ন পেয়ে কখনও মাথায় চাপ না নিয়ে ধীর-স্থিরভাবে প্রত্যেকটি প্রশ্নের উত্তর দেবার চেষ্টা করবে। যে প্রশ্নগুলো তুমি ভালো পার সেগুলো আগে লেখার চেষ্টা করবে। লেখাটা যাতে স্পষ্ট হয় সেদিকে খেয়াল রাখবে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নভাবে লেখার চেষ্টা করবে।
