প্রযুক্তি বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ সব স্থান দখল করে রেখেছেন শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান নির্বাহীরা। অ্যাপল, গুগল, ইয়াহু, ফেসবুকসহ বড় বড় সব প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীরাই নিজেদের প্রতিষ্ঠানগুলোর মুখপাত্র হিসেবে সারা বিশ্বে তুলে ধরেছেন নিজেদের। এদের মধ্যে সাম্প্রতিক এক জরিপে প্রযুক্তি বিশ্বেরই নয়, সারা বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সিইও বা প্রধান নির্বাহীদের মধ্যে সেরা নির্বাচিত হয়েছেন সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয়তম ওয়েবসাইট ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা সিইও মার্ক জাকারবার্গ। গ্লাসডোর নামের একটি প্রতিষ্ঠানের জরিপে এই তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানের বর্তমান এবং সাবেক কর্মকর্তাদের ভোটে পরিচালিত এই জরিপে জাকারবার্গ তার প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের ৯৯ ভাগ ভোট লাভ করে সেরা সিইও নির্বাচিত হন। জাকারবার্গের নিজস্ব দৃঢ়তাই ফেসবুককে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে বলেই অভিমত ফেসবুক কর্মীদের। সব ধরনের প্রতিষ্ঠানের সিইওদের নিয়ে এই জরিপ চালানো হলেও এতে প্রযুক্তি বিশ্বের অনেকেই স্থান করে নিয়েছেন। শীর্ষ ৫০ জনের মধ্যে ১৮জনই এসেছেন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান থেকে। মার্ক জাকারবার্গের পরে এই তালিকায় প্রযুক্তি বিশ্বের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন গুগল’র ল্যারি পেজ। তার অবস্থান রয়েছে একাদশে, আর তার রেটিং ৯৫ ভাগ। এর পরেই রয়েছেন অ্যামাজনের জেফ বেজোস (১৬তম) এবং অ্যাপল’র টিম কুক (১৮তম)। প্রযুক্তি বিশ্বের সিইওদের মধ্যে এই তালিকায় আরও রয়েছেন ওরাকলের ল্যারি এলিসন, ডেলের মাইকেল ডেল, ইএমসি’র জো টুসি, কোয়ালকমের পল জ্যাকবস, অ্যাকসেনটিউরের পিয়েরে ন্যানটার্ম, সাইট্রিক্সের মার্ক টেমপ্লেটন, সেলসফোর্সের মার্ক বেনিওফ, এনভিডিয়া’র জেন-সুন হুয়াং, এরিকসনের হ্যান্স ভেস্টবার্গ, ইন্টেলের পল ওটেলিনি, নেটঅ্যাপের টম জিওরজেন্স, ইনটুইটের ব্র্যাড স্মিথ এবং ব্রডকমের স্কট ম্যাকগ্রেগর। প্রযুক্তি বিশ্বের আলোচিত দুই সিই এইচপি’র মেগ হুইটম্যান এবং ইয়াহু’র মারিসা মেয়ারের স্থান হয়নি এই তালিকায়। মাইক্রোসফটের সিইও স্টিভ বামারের স্থানও হয়নি এই তালিকায়। তবে শীর্ষ পঞ্চাশের তালিকায় প্রযুক্তি বিশ্বের আধিপত্যকে গোটা বিশ্বেরই প্রযুক্তি বিশ্বের উপর নির্ভরশীলতার প্রমাণ হিসেবে মনে করছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা। সামনের দিনগুলোতে প্রযুক্তি বিশ্বের উপস্থিতি আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন তারা।
