এইচএসসি পরীক্ষা ২০১৩

ভালো ফলাফলের জন্য প্রয়োজন শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি

আপডেট : ২৩ মার্চ ২০১৩, ১৮:৩৫
প্রফেসর মো. আবু সাইদ, অধ্যক্ষ, ঢাকা কমার্স কলেজ একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করলে তার প্রভাব শুধু শিক্ষার্থীর ওপর পড়ে না, তার বাবা-মা, শিক্ষক, বন্ধু-বান্ধব সকলের কাছে সে প্রিয় ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়। কিন্তু একটা কথা সবাই কি ভেবে দেখেছেন—আমরা আমাদের সন্তানদের কাছ থেকে যা আশা করি তা সফল করার জন্য সহযোগিতা করি কতখানি? কথায় আছে, ৯৯ ভাগ পরিশ্রম ব্যর্থ হয়ে যায় ১ ভাগ উত্সাহের অভাবে। একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করলে তার প্রভাব শুধু শিক্ষার্থীর ওপর পড়ে না, তার বাবা-মা, শিক্ষক, বন্ধু-বান্ধব সকলের কাছে সে প্রিয় ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়। কিন্তু একটা কথা সবাই কি ভেবে দেখেছেন—আমরা আমাদের সন্তানদের কাছ থেকে যা আশা করি তা সফল করার জন্য সহযোগিতা করি কতখানি? কথায় আছে, ৯৯ ভাগ পরিশ্রম ব্যর্থ হয়ে যায় ১ ভাগ উত্সাহের অভাবে। পরীক্ষার্থীর ভালো ফলাফলের জন্য এ ধরনের উত্সাহই সাফল্যের মূলমন্ত্র। সেই সাথে এ সময় বাবা মায়ের উচিত তার সন্তানের শরীর-স্বাস্থ্যের প্রতি নজর দেয়া। এ সময় একটু রুটিন মেনে চললে অনেক ভালো ফল আশা করা যায়। রুটিন বলতে আমি কেবল পড়ার রুটিনের কথা বোঝাচ্ছি না বরং খাওয়া-দাওয়া এবং পর্যাপ্ত ঘুম। কারণ, না খেয়ে, না ঘুমিয়ে কেবল পড়ালেখা করলে হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই কেবল মানসিক প্রস্তুতি নয়, বরং একটি ভালো ফলাফলের জন্য শারীরিক প্রস্তুতিও আবশ্যক। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আমি বলতে চাই, তোমরা নিয়ম-শৃঙ্খলার প্রতি অনুগত থাকবে। কারণ, একটু ভুলের জন্য অনেক সময় অনেক বড় সমস্যায় পড়তে হয়। বিশেষ করে পরীক্ষার হলের নিয়ম-শৃঙ্খলা অবশ্যই মেনে চলবে। আর সৃজনশীল পদ্ধতির ব্যাপারে আমি বলতে চাই, যদিও এ বছরই প্রথম কমার্স-এর একটি বিষয়ে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে—বিষয়টি আমাদের কাছে নতুন নয়। কারণ গত বছর বাংলা বিষয়ে সৃজনশীল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ব্যাপারে একটা পূর্ব অভিজ্ঞতা তো নিশ্চয়ই আছে। তাছাড়া তোমাদের শিক্ষকগণ তোমাদেরকে যথেষ্ট অনুশীলন করিয়েছেন, ক্লাসে বলেছেন—এখন পরীক্ষার হলে মাথা ঠাণ্ডা করে বুঝে লিখতে পারলেই হবে। সৃজনশীল পদ্ধতিতে বেশি লেখার কোনো প্রয়োজন নেই, প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তরটি লিখতে হবে। পরীক্ষার প্রথম দিন একটু আগেভাগেই কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে। পরীক্ষার আগের রাতে খুব বেশি পড়ার দরকার নেই। সন্ধ্যার মধ্যে সব সেরে রাখবে। রাতে পর্যাপ্ত ঘুমাবে। ঘুম কম হলে অনেক কিছু ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাই আগের রাতে পর্যাপ্ত ঘুম আবশ্যক। সকালে কিছু না কিছু খেয়ে বের হবে। না হলে পরীক্ষার হলে অসুস্থ হয়ে পড়বে। পরীক্ষার হলে প্রবেশ করে অযথা কথা বলে সব কিছু গুলিয়ে ফেলো না। পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত চুপচাপ থেকে মাথাকে একটু বিশ্রাম দেবে। পরীক্ষার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মোট ৩ ঘন্টা সময়ের সুষম ব্যবহার করবে। এমন যেন না হয় যে, একটি প্রশ্নের উত্তর দীর্ঘ সময় ধরে লেখার পর শেষের উত্তরটি লেখার সময় পাওয়া গেল না। পরীক্ষার হলে অবশ্যই ঘড়ি নিয়ে যাবে। এর ওর কাছে সময় জিজ্ঞেস করার প্রয়োজন নেই। নির্ধারিত সময়ের আগেই চেষ্টা করবে লেখা শেষ করতে, কিছু সময় হাতে রাখবে ভুল-ত্রুটি নিরীক্ষণ করার জন্য।