বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সবাই পথভ্রষ্ট
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সরকারি দল এবং বিরোধী দলগুলো মাতালের পর্যায়ে পড়েছে। ক্ষমতাসীন দল এবং বিরোধী দলগুলোর মধ্যে চরম প্রতিহিংসা বিরাজমান। এই প্রতিহিংসার রাজনীতিতে কখনও জনকল্যাণ কার্য সম্পাদিত হতে পারে না। ক্ষমতাসীন দল এবং বিরোধী দলগুলোর মূল লক্ষ্য ক্ষমতা দখলের দিকে। কোন দলেরই জনকল্যাণমূলক কাজ ও জনগণের দিকে নজর নেই। তাদের একটা নজর যে দল ক্ষমতাসীন হবে অপর বিরোধী দলগুলোকে বিষাক্ত সাপের মতো প্রতিহিংসার ছোবল দিবে। এই তো বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। যা গণতন্ত্র রাষ্ট্রে আদৌ কাম্য নয়। এখন ক্ষমতাসীন দল এবং বিরোধী দলগুলো প্রতিহিংসার পথ ভ্রষ্ট হয়েছে আর রাষ্ট্রের জনগণ মুখ থুবড়ে পড়েছে। তাহলে এই পথভ্রষ্ট দলগুলো কিভাবে রাষ্ট্রের জনগণকে সঠিক পথ দেখাবে এটাই চিন্তার বিষয় হয়েছে। পাশাপাশি কিছু কিছু প্রচার মাধ্যম ও আকাশ মিডিয়া তাদের সঠিক গতিপথ হারিয়ে ফেলেছে রাজনৈতিক দলগুলোর কারণে। এতে রাষ্ট্রের জনগণ পথভ্রষ্ট হয়ে হুজুগে বাঙালি হয়েছে। ফলে আজ রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে শত শত তাজা প্রাণ চলে যাচ্ছে চিরতরে শত মায়ের বুক খালি করে। ক্ষমতাসীন দল এবং বিরোধী দলগুলোর প্রত্যেকের উচিত একই পতাকাতলে বসে আলোচনার মাধ্যমে রাষ্ট্রের ও জনকল্যাণে ব্রতী হওয়া। আগামী প্রজন্মকে প্রতিহিংসামুক্ত করা।
মো. বিপ্লব হোসেন
বাংলা বিভাগ, অনার্স ৩য় বর্ষ,
সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
সাম্প্রদায়িক সহিংসতা উদার গণতান্ত্রিক রাজনীতির এক বিরাট প্রতিবন্ধকতা
বাংলাদেশ বিশ্বের মানচিত্রে একটি অন্যতম অসাম্প্রদায়িক দেশ হিসেবে পরিচিত। ঐতিহ্যবাহী ও ধর্মীয় উত্সবগুলোতে এ দেশের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ নিজেদেরকে যেভাবে এক সুতোয় গেঁথে ফেলে তা সত্যিই অতুলনীয়। কিন্তু সাম্প্রতিককালে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ঘরবাড়ি ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উপর হামলার ন্যক্কারজনক ঘটনা সফল অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হিসেবে আমাদের সকল অর্জনকে ম্লান করে দিচ্ছে। বিশ্বের দরবারে ম্লান করছে আমাদের ভাবমূর্তি। যা এই জাতির জন্য এক বিরাট উদ্বেগের বিষয়। আমাদের মনে রাখতে হবে, এ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষগুলো অনেক স্বপ্ন ও আশা নিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে। উদ্দেশ্য একটাই- উদার গণতান্ত্রিক রাজনীতির ভিতকে মজবুত করা। কিন্তু দুঃখের সাথে বলতে হয় আজ তাদের সেই স্বপ্ন বিবর্ণ হয়ে গেছে। প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিহিংসার বলি হচ্ছে। তারা শঙ্কিত তাদের জীবনের নিরাপত্তা ও অস্তিত্ব নিয়ে। আর তাইতো তারা রাত জেগে পাহারা দিয়ে আগলে রাখছে তাদের ঘরবাড়ি ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো। এটাতো কোনো উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রকৃত চিত্র হতে পারে না। এভাবে আর কত দিন? দ্রুত এ অবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তন দরকার।
মো. শাহিনুর রহমান শিমুল
সম্মান ২য় বর্ষ, ইংরেজি বিভাগ,
শেরপুর সরকারি কলেজ, শেরপুর
