ঈশ্বরদীতে জালিয়াতির আশ্রয় গ্রহণ করে এমপিও হতে স্কুল শিক্ষিকার নাম কর্তনের ঘটনায় বিভিন্ন মহলে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। গতকাল রবিবার ইত্তেফাকে এই সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি ছিল ‘টক অব দ্য টাউন’। এদিকে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কুতুবউদ্দিন এবং মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান গত রবিবার স্কুল পরিদর্শন করেন। এসময় শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা এই জালিয়াতির ঘটনার প্রতিবাদ জানান। পরে শিক্ষা কর্মকর্তা, শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের সমন্বয়ে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় শিক্ষিকা সাবিনা ইয়াসমিনের দ্রুত এমপিওভুক্তির ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি বলে জানা যায়। ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মমতাজউদ্দিন এবং শিক্ষকরা জানান, রেজুলেশন বইতে এই ধরনের কোন সিদ্ধান্তই লিপিবদ্ধ নেই। তারা আরও জানান, ফটোকপিতে টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে এই জালিয়াতি সংঘটিত করা হয়েছে। শিক্ষিকার পদত্যাগের মূল কাগজপত্র এবং রেজুলেশনের বই পরীক্ষা না করে কিভাবে মহাপরিচালক বরাবরে এমপিও হতে নাম কর্তন এবং আরেকজনের নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য পত্র প্রেরণ করলেন এই বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, প্রধান শিক্ষকের সত্যায়িত ফটোকপি দেখে তিনি ডিজি বরাবরে আবেদন করেন। তিনি আরও জানান, পরিদর্শনকালে মূল কপিগুলো দেখতে চাইলে প্রধান শিক্ষক এগুলো জাল বলে নিজেই স্বীকার করেন।
