প্রধান নির্বাচক আকরাম খান নিজেই ক’দিন আগে মাশরাফি বিন মুর্তজাকে অনুরোধ করেছেন টেস্টে ফেরার জন্য। বাংলাদেশের পেস বোলিংয়ের দৈন্য-দশা কাটাতে নেয়া প্রধান নির্বাচকের এই উদ্যোগে সম্মতিও দিয়েছেন মাশরাফি। ফলে আজ জিম্বাবুয়ে সফরের জন্য ঘোষণা হতে যাওয়া টেস্ট দলে তাকে দেখার একটা স্বপ্ন অনেকেরই থাকবে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে বিপিএল থেকে চলে আসা ইনজুরি মাশরাফিকে এই টেস্ট সিরিজেও সম্ভবত খেলতে দেবে না।
কোনো অস্বাভাবিক ঘটনা না ঘটলে আজ তাই মাশরাফিকে যথারীতি বাইরে রেখেই টেস্ট দল ঘোষণা করা হবে। তবে শঙ্কা নিয়ে হলেও টেস্ট দলে থাকবেন তামিম ইকবাল। বোলিং নিয়ে এখনো একটু শঙ্কা থাকছে সাকিব আল হাসানের; তারপরও তাকেও টেস্ট দলে রাখা হবে। এ ছাড়া শাহরিয়ার নাফীস ও নাঈম ইসলাম পুরো সিরিজের জন্যই ফিট বলে ঘোষিত হয়েছেন। কিন্তু সংকট মিটছে না পেস বোলিংয়ে। টেস্টে পাওয়া যাবে না সফিউল ইসলামকে এবং নাজমুল হোসেন পুরো সিরিজের জন্যই বাদ।
ইনজুরির এই প্রবল প্রকোপে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পেস বোলিংই। ফলে মাশরাফিকে নিয়ে সবকিছুর পরও আশা ছাড়ছে না নির্বাচক কমিটি। তাদেরই অনুরোধে দেশের সাবেক অধিনায়ক ও সেরা এই পেসারকে নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা এঁটেছে বিসিবির চিকিত্সা বিভাগ। তারা মাশরাফির পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় কিছু পরিবর্তন এনে তিনদিন পর দেখতে চান যে, ব্যথা কমছে কি না। কমলে নাকি টেস্টেও বিবেচনা করা হতে পারে! তেমনই বললেন চিকিত্সক দেবাশীষ চৌধুরী, ‘আমরা ওর অনুশীলন ও চিকিত্সায় কিছু পরিবর্তন এনেছি। তিনদিন পর আরেকটা টেস্ট করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবো আমরা নির্বাচক কমিটিকে।’
যদিও এই চেষ্টায় মাশরাফিকে টেস্টে পাওয়াটা একটি অবাস্তব স্বপ্ন বলেই সংশ্লিষ্ট আরেকটি সূত্র দাবি করছে। মাশরাফির অনুপস্থিতিতে শ্রীলঙ্কা সফরে খেলা বোলিং দলু জিম্বাবুয়েতে থাকছে। একটা বাড়তি সংযোজন হচ্ছেন সাকিব। কিন্তু সাকিব প্রথম টেস্টে বল করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। প্রথম টেস্ট খেলতে পারবেন না তামিম ইকবালও।
