বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান মেলায় তোমার ব্যস্ততার কথা জানিয়ে বান্ধবীর কাছে একটি চিঠি লিখ।
পরীক্ষার উপযোগী নিচের পত্রটি তৈরি করে পাঠিয়েছে ঢাকা ক্যান্ট: গার্লস পাবলিক স্কুল ও কলেজ ঢাকা সেনানিবাস’র নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহ্জবিন
দয়ারামপুর, নাটোর।
৬ মার্চ, ২০১৩
সুপ্রিয় নুসরাত
শুভেচ্ছা নিও। অনেক দিন পর তোমার চিঠি পেয়ে উত্তর দিতে বসেছি। কিন্তু তোমার তো একরাশ অভিযোগ। সেটা অবশ্যই আমার পাওনা। তবে তুমি যাই বলো না কেন আমি কিন্তু ব্যস্ত ছিলাম বলে চিঠির উত্তর দিতে পারিনি।
যাহোক, গত সপ্তাহ পুরোটাই আমি ব্যস্ত ছিলাম বিজ্ঞানমেলা নিয়ে। আমাদের কলেজে এ জাতীয় মেলার আয়োজন এই প্রথম। তাই তা ছিল প্রচন্ড আকর্ষণীয়। এদিকে অংশগ্রহণকারী বন্ধুদের যাতে অসুবিধা না হয় তার দায়িত্বটা আমাকেই নিতে হয়। তদুপরি আমিও এতে অংশগ্রহণ করি। তাই একটা সুন্দর উপাত্ত তৈরি করার কাজে খুবই ব্যস্ত ছিলাম।
সত্যিই ভীষণ এক মজার ব্যাপার; একে তো অজ পাড়াগাঁ, ধরেই নিয়েছিলাম মেলা জমবে না। কিন্তু তা নয়। বিভিন্ন স্থান থেকে খুদে খুদে বিজ্ঞানীরা তো নানা প্রকার প্রদর্শনী নিয়ে হাজির। সৌরচুল্লির রন্ধন প্রক্রিয়া, আরও কত কী! আরও ছিল স্নো পাউডার তৈরির কারখানা, সেটা তো মেয়েরাই দখল করে নিলো। তবুও বলতে হয় এ বিজ্ঞানমেলা জমে উঠেছিল। সর্বোপরি দর্শকের উপস্থিতি ছিল মনে রাখার মতো।
যাক, আর তোমার মূল্যবান সময় নষ্ট করব না। তুমি তো পড়াশুনায় খুবই ব্যস্ত। অভিমান করো না। অবশ্যই উত্তর দেবে।
তোমার আব্বা-আম্মাকে সালাম ও ছোটদের স্নেহাশিস রইল।
ইতি
তোমারই
মেহ্জাবিন
