নেইমার জেতালেন ব্রাজিলকে

আপডেট : ০৭ এপ্রিল ২০১৩, ২২:১২
ব্রাজিলে প্রজন্মের সব থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় বলা হয় তাকে। আর তিনি নিজেও সেই কথার যৌক্তিকতা প্রমাণ করে চলেছেন। গতকাল এই নেইমারের জোড়া গোলের কল্যাণেই বলিভিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে দারুণ এক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়লো ব্রাজিল। দ্বিতীয় দফায় ব্রাজিল জাতীয় দলের দায়িত্ব নেয়ার পর এটাই কোচ লুইজ ফিলিপ স্কোলারির প্রথম জয়। মূলত: বলিভিয়ান ফুটবল সমর্থক কেভিন বেলট্রাস এস্পাদা’র পরিবারকে সাহায্য করার জন্যই ম্যাচটি আয়োজন করা হয়। গত ফেব্রুয়ারিতে সান জেসেতে কোপা লিবার্তোদাসের ম্যাচ চলাকালীন আগুনে পুড়ে মারা যান ১৪ বছর বয়সী কেভিন। সহজ ম্যাচটি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের জন্য আরও সহজ করে দেন স্যান্তোস স্ট্রাইকার নেইমার। তবে, এর আগে ম্যাচের তৃতীয় মিনিটে জিয়ানের ক্রস থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন লিওনার্দো দামিয়াও। প্রথমার্ধের মধ্যেই আরও দুটি গোল করে ব্রাজিল। দুটি গোলই আসে নেইমারের পা থেকে। ৩১ মিনিটে নিজের প্রথম ও দলের দ্বিতীয় গোল করেন নেইমার। বলের জোগান দেন অধিনায়ক হিসেবে মাঠে নামা রোনালদিনহো। এর ১১ মিনিট পর তৃতীয় গোল করে দলের জয় প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেন নেইমার। প্রথমার্ধেই ৩-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধ ছিল শুধুই নিয়ম রক্ষার। ইনজুরি সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে পালমেইরাসের স্ট্রাইকার ওয়েভারসন লিয়ান্দ্রোর গোলে ৪-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সেলেচাওরা। ২০০২ সালে ব্রাজিলকে শেষবারের মতো বিশ্বকাপ উপহার দেয়া স্কোলারি গত নভেম্বরে ব্রাজিলের দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথম ম্যাচে ইতালির সাথে ২-২ গোলে ড্র করার পর স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে রাশিয়ার বিপক্ষেও ১-১ গোলে ড্র করেন। দলের মূল খেলোয়াড়দের বাদ রেখে মূলত: ঘরোয়া লিগের খেলোয়াড়দের দিয়ে দল সাজিয়েছিলেন স্কোলারি। সাবেক মিলান ফরোয়ার্ড অ্যালেকজান্ডার পাতোকে বসিয়ে রাখার পর দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামানো হয়। তুলে নেন নেইমার ও দামিয়াওকেও। মাঠে নামান লিয়ান্দ্রোকে। তার পা থেকেই আসে দলের শেষ গোলটি। নিজের অভিষেকেই গোল পাওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত ১৯ বছর বয়সী এই ফুটবলার, ‘ব্রাজিলের সব শিশুরই এক সময় জাতীয় ফুটবল দলে খেলার স্বপ্ন থাকে। আমি মাত্র কয়েক মিনিট খেলার সুযোগ পেয়েছি। এর মধ্যেই একটা গোল করে ফেলাটা সত্যিই ঈশ্বরের আশীর্বাদ।’