বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কর্মকর্তারা তাদের শ্রীলংকান বিপক্ষের বিরুদ্ধে চারদিনের প্রথম ম্যাচটি ড্র হলেও ক্রিকেটারদের পারফর্মেন্সে সন্তুষ্ট। তারা মনে করছেন শক্তিশালী শ্রীলংকা অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে চারদিনই লড়েছে স্বাগতিক দলের তরুণরা। দলের অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়কের ব্যাটিং পারফর্মেন্সে খুশি দলের কোচ। আগামী অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে এদের উপরই ভরসা রাখতে চাইছেন তারা।
সফরকারী লংকা দলের বিরুদ্ধে গতকাল চারদিনের ম্যাচটির শেষদিনে মাত্র এক সেশন ব্যাট করার সুযোগ পেলেও তার মধ্যেই ৭১ রান তুলতে তিন উইকেট খোয়ায় স্বাগতিকরা। দুই দলের তিন ব্যাটসম্যান সেঞ্চুরি পেলেও খেলায় ব্যবধান গড়ে দেন মূলত স্পিনার এ কে তিরোন্নে। এই যুবা দুই ইনিংস মিলিয়ে নয় উইকেট নেন। প্রথম ইনিংসের সাত উইকেটের পর কাল দ্বিতীয় ইনিংসে এক সেশনেই নিয়েছেন আরো দুই উইকেট।
আগের দিনের ৯২ রানের অগ্রগামিতা নিয়ে খেলতে এসে শেষদিনে সফরকারীরা আরো যোগ করে ১৪০ রান। অধিনায়ক কুশাল মেন্ডিসের ৫২ ও রোশন অনুরুদ্ধের অপরাজিত ৩২ রান চা বিরতির আগেই দুইশ ছাড়ায় শ্রীলংকা। স্বাগতিকদের চাইতে ২৩২ রানে এগিয়ে থেকে তারা ইনিংস ঘোষণা করে। রিফাত প্রধান ও জোবায়ের হোসেন তিনটি করে উইকেট নেন।
বাংলাদেশ দল মাত্র দুই ঘণ্টা ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেলেও বাংলাদেশ এই সময়ের মধ্যে তিন উইকেট হারিয়ে তোলে ৭১ রান। ওপেনার সাদমান হোসেন অনিক ৩৪ রানে অপরাজিত ছিলেন। প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান মেহেদী হাসান ফিরে যান ২৮ রানে। আরেক সেঞ্চুরিয়ান অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন এক রানে অপরাজিত ছিলেন।
আগামী মঙ্গলবার সিলেট বিভাগীয় স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় চারদিনের ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও পাঁচটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলবে দুই দল।
সংক্ষিপ্ত স্কোর :
শ্রীলংকা অনূর্ধ্ব-১৯ দল- ৪২২ ও ২০৭/৮ (ডিক্লেয়ার)- (মেন্ডিস ৫২, অনুরুদ্ধ অপ: ৩২, কুলাসেকারা ২৬, ডেভিন্ডা ২৩, ভানুকা ২১, রিফাত ৩/৩৭, জোবায়ের ৩/৫৬, ফেরদৌস ২/৩৯)।
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল- ৩৯৭ ও ৭১/৩ (অনিক অপ: ৩৪, মেহেদী ২৮, তিরোন্নে ২/২৯)।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: এ কে তিরোন্নে।
ফল: চারদিনের ম্যাচ ড্র।
