টেলিফোনে পাঠকের মতামত

হরতাল, অবরোধ নিয়ে আপনি কি ভাবছেন

আপডেট : ২৫ এপ্রিল ২০১৩, ২১:২৯
দুটি শাসন আমলে শুনতাম ব্রিটিশ তাড়াও সুখ আসবে। ব্রিটিশ তাড়ালাম সুখ এলো না। এলো পাকিস্তান। আবার শুনলাম পাকিস্তানি তাড়াও সুখ আসবে। পাকিস্তানি তাড়ালাম, এলো বাংলাদেশ। এখন কাকে তাড়াবো? ১৯৯৫ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ হরতাল করেছিল ১৭৩ দিন। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত বিএনপি হরতাল করেছিল ৫৯ দিন। আবার ২০০১ সাল থেকে ২০০৭ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ হরতাল করেছিল ১৩০ দিন। কাজেই হরতাল না করার নৈতিক অধিকার এখন আর কারোর নেই। রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, দেশপ্রেম এবং বিশ্বাসযোগ্য নেত্রীত্বের অভাবেই হরতাল অবরোধের মত সস্তা কিন্তু আত্মঘাতী বিষয়কে অবশ্যম্ভাবী করে তুলেছে। হরতাল আর অবরোধে ডুবতে বসে এ কথাই বার বার মনে হচ্ছে, আমরা জনগণ ভেড়ার পালের মত অযোগ্য রাখালের হাতে বন্দি। অধ্যাপক আব্দুল মতিন চক্ষু হাসপাতাল রোড সাতপাই, নেত্রকোনা। হরতাল একের পর এক দেয়া হচ্ছে। মানুষ মরছে। গাড়ি ভাংচুর হচ্ছে। সম্পদ ধ্বংস হচ্ছে। তারপর আবার আসছে অবরোধ। অবরোধেও হয়তো ভাংচুর আর জ্বালাও-পোড়াও চলবে। মূলত মানুষের কল্যাণ কতখানি হচ্ছে হরতাল ও অবরোধে তা ভেবে দেখার বিষয়। আমরা জনগণ রয়েছি বিশাল সমস্যার গর্তে, এই গর্ত এমনই অন্ধকারময় যে এ থেকে আমরা বের হতে পারছি না। আমরা আলো খুঁজি কিন্তু আলো পাই না। আলো চেয়ে চেয়ে আমরা ক্লান্ত। দেশের বড় দু’চারটি রাজনৈতিক দল আমাদের আলো দিতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা বড়ই অসহায়ের মধ্যে আছি। অবরোধ হরতাল আমাদের মতো স্বল্প আয়ের মানুষেরা মেনে নিতে পারে না। এসব কর্মসূচিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়ে যায়। দেশের বড় রাজনৈতিক দলগুলো গরিব মানুষের কথা ভেবে হরতাল অবরোধ না দিলে দেশ ও জনগণের ব্যাপক কল্যাণ হয়। এতে বিরোধী দলের জনসমর্থন বাড়বে বৈ কমবে না। পাশাপাশি সরকারি দলের উন্নয়নের যাত্রা অব্যাহত রাখতে পারে। জনগণকে সুখে-শান্তিতে রাখা বিরোধী দল ও সরকারি দলের উভয়ের দায়িত্ব, বিষয়টি সবার ভেবে দেখা উচিত। ওয়াহিদ মুরাদ নেসারাবাদ, স্বরূপকাঠি। মানুষ হরতাল, অবরোধ দেখতে চায় না। এতে করে মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে বৈ কমে না। বিশেষ করে ব্যবসায়ীসহ শিক্ষার্থীদের ক্ষতি হয়। তাই যে কোন রাজনৈতিক দল কর্মসূচি দেয়ার ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীদের কথায় বিবেচনা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। হাসান মোহাম্মদ হোসাইন চৌধুরী কবিরহাট, নোয়াখালী। নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হবে এটাই আমরা আশা করছি। হরতাল ও অবরোধ আমরা চাই না। নালুকা আক্তার টোলারবাগ, মিরপুর, ঢাকা। সরকার বিরোধী আন্দোলনের শুরুর দিকে বিএনপি হরতালের চেয়ে সমাবেশ, গণসংযোগেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছিল। আমাদের মনে হয় সেটাই ভালো। আইরিন সুলতানা মনজু ধুপপুর, মাইজপাড়া, চট্টগ্রাম। এখনকার হরতাল মানেই ককটেল বিস্ফোরণ, বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ও ভাংচুর। আর অবরোধ তো অনেকটা আতংকের বিষয় এখন। তাই আমরা বলবো, বিরোধী দল সংসদে এসে তাদের কথা বলুন। মো. মেজবাহউদ্দিন সেলিম শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা। একের পর এক হরতালে ক্ষতি হচ্ছে দেশ। বিশেষভাবে ক্ষতি হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। আবার অবরোধ আসছে সেটা কারোরই কাম্য নয়। খায়রুল ইসলাম (ফুল) আরাপপুর, ঝিনাইদহ। হরতাল চলছে, অবরোধ আসছে, এই নিয়ে আমরা আর কতটুকু ভাল থাকবো। একদিকে ব্যবসা-বাণিজ্যের বারটা বেজে যাচ্ছে অন্যদিকে অসুখ-বিসুখে ডাক্তারের স্মরণাপন্ন হতে পারি না। কি যে এক মর্মান্তিক কষ্ট। সরকার বা বিরোধী দল আমাদেরকে কি ভেবেছে। এভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে এইটুকু বলতে পারি, সাধারণ মানুষ একদিন ঠিকই জেগে উঠবে যখন দেয়ালে পিট ঠেকে যাবে। আলমগীর হোসেন পুরান থানা, কিশোরগঞ্জ। আমাদের এখন হরতালের দরকার নেই, অবরোধের প্রয়োজন নেই। আমাদের এখন প্রয়োজন মসজিদ, মন্দির, গির্জায় প্রার্থনা করা, রোজা রাখা এবং দেশকে বাঁচাবার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়া। দেশকে বাঁচাবার জন্য সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। ফৌজিয়া মুন্নি পল্লবী, মিরপুর, ঢাকা। ৯০-এর গণআন্দোলনের পর আমরা এক অদ্ভুত গণতন্ত্রে প্রবেশ করেছি। দেশের দুই প্রধান নেত্রী মসনদ দখলে মরিয়া হয়ে দেশবাসীকে ক্রমাগত প্রতারিত করে চলেছেন। তাদের যোগ্য অনুসারীগণ ভোটের আগে জনগণের কাছে যান আর ভোটের পরে তাদের ধারে কাছে যান না। এই উদ্ভট রাজনৈতিক অপসংস্কৃতির এক বিষফোঁড়া হয়ে দেখা দিয়েছে হরতাল, অবরোধ। উক্ত শব্দদ্বয় এককালে গণদাবি আদায়ের মহৌষধ রূপে ব্যবহূত হয়ে জনগণের স্বতঃস্ফুর্ত সমর্থন পেত। কিন্তু আমাদের নষ্ট গণতন্ত্রের যুগে এসে এই কর্মসূচি খোলা জ্বালা আর বিরক্তিকর হয়ে ওঠেছে। কেন না জনস্বার্থের চেয়ে দলবাজ, দলটানা, দলদরদি দৃষ্টিভঙ্গিটাতেই এসব কর্মসূচি গৃহীত হচ্ছে এবং তার জবরদস্তিমূলকভাবে জনগণকে মান্য করতে বাধ্য করা হচ্ছে। অন্যদিকে সরকারি দলও এসব কর্মসূচিতে তেমন গা করছে না। সহিংসতা ও সংঘাতে দেশ নরক হয়ে উঠলেও ক্ষমতাসীনরা নির্বিকার (তাদের লক্ষ্য যেন তেনভাবে মসনদ আঁকড়ে পড়ে থাকা)। এমতাবস্থায় চলমান হরতাল ও অবরোধে জনসাধারণের ভোগান্তির ইতিহাসে একটি নতুন অনুচ্ছেদ যুক্ত হচ্ছে মাত্র। এর না আছে আবেদন, না আছে অনুতপ্ত। চলমান অপরাজনীতি খোলনলচে আমুল বদলে ফেলাতে না পারলে জাতির কপালে আরো বহু দুর্ভোগ আছে। নতুন প্রজন্মকে নিয়ে ভাবতে হবে। ঐক্যবদ্ধভাবে নবতর রাজনীতির মশাল জ্বালাতে হবে। সে মাহেন্দ্রক্ষণ আর কতদূর। খালেদ মাহবুব মোর্শেদ কুতুবদিয়া, কক্সবাজার। হরতাল ও অবরোধ সামাজিক স্থিতিশীলতা, ব্যবসা-বাণিজ্য, আমদানি-রফতানি, চাকরি, মৌলিক ও ব্যক্তি স্বাধীনতা বিরোধীসহ সকল ক্ষেত্রে চরম বিপর্যয়ের কারণ হয়ে দঁড়িয়েছে এবং হরতাল ও অবরোধকে রাজনৈতিক দলগুলো দ্বারা কারণে- অকারণে ব্যবহারকে অত্যন্ত ঘৃণিত ও আত্মঘাতী অস্ত্র হিসেবেই জনগণ বিবেচনা করছে। অতি সামপ্রতিককালে জাপানী রাষ্ট্রদূত শিরো সাফোশিমা বাংলাদেশের বর্তমান হরতাল, অবরোধ ও সহিংস রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে চরম হতাশা ব্যক্ত করেছেন। নিরাপত্তার অভাবে জাপানী ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান সনি, ক্যানন, রিকো, মিত্সুবিসির মত আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বড় বড় কোম্পানীগুলো চলে যাচ্ছে বলে তিনি যে তথ্য দিয়েছেন তা দেশের অর্থনীতির জন্য চরম অশনিসংকেত। তাছাড়া রাশিয়া, ব্রাজিল, পেরু, ভারত, চীন এবং ইউরোপ ও আমেরিকার অন্যান্য “বায়ার” নিরাপত্তাহীনতার অপবাদ দিয়ে বাংলাদেশের মার্কেট ছেড়ে চলে যাচ্ছে। ফলে এর সুদূরপ্রসারী ক্ষতিকারক প্রভাব দেশের অর্থনীতিতে পড়া অবশ্যম্ভাবী। এমতাবস্থায় হরতাল ও অবরোধের বিকল্প নিয়ে সক্রিয়ভাবে বিবেচনার সময় এসেছে। কারণ দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের অরাজকতা একটি উন্নয়নশীল দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিবেচনায় কোন মতেই চলতে পারে না। ভুঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী সাধারণ সম্পাদক, ঢাকাস্থ বেগমগঞ্জ পেশাজীবী সমিতি ৫-বিসিসি রোড, নবাবপুর, ওয়ারী, ঢাকা-১২০৩ গণতান্ত্রিক দেশে হরতাল অবরোধ থাকতেই পারে এ নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। কিন্তু তা যদি গণতান্ত্রিক উপায়ে না হয়ে শুধুমাত্র গণতন্ত্রের নামে গণতন্ত্রকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে তখনই চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বর্তমানে রাজনীতির যে নষ্ট সময় অতিবাহিত হচ্ছে তা থেকে মুক্তির একমাত্র পথ সকল দলের ঐকমত্য। সরকার যা করছে তা বুঝে-শুনেই করছে। আমাদের অনেকের কাছে তা গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে। আমরা দেখতে পাচ্ছি, সরকার ক্রমশ রাজনৈতিক দমনপীড়নের দিকে ঝুঁকে পড়ছে এবং তার লাগাম টানার জন্য রাষ্ট্রযন্ত্রের ভিতর কোন শক্তি নেই। অন্যদিকে বিরোধীদল সহিংসতার পথ বেছে নিয়েছে। দেশের চলমান অস্থির পরিস্থিতিতে বিভিন্ন মহল থেকে সংলাপের জোরালো দাবি উঠেছে। কিন্তু বরাবরের মতো এখনো কোন পক্ষের আন্তরিকতা দেখা যাচ্ছে না। সরকার ও বিরোধীদলের কঠোর অবস্থানে সংঘাতের চিরচেনা পথেই ধাবিত হচ্ছে দেশ। এ পথ পরিহার করে সমঝোতার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করতে হবে। সরকার ও বিরোধীদলের সংলাপ চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচনা হওয়া উচিত। আমাদের সকলেরই বোঝা উচিত সবার উপরে দেশ। মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন সারিয়াকান্দি, বগুড়া। রাষ্ট্রের গতি-প্রগতি নির্ধারক উপাদানগুলো ঝিমিয়ে পড়লে, রাষ্ট্রের সকল উন্নতি থমকে দাঁড়ায়। স্বাধীন দেশে হরতাল, অবরোধ ভবিষ্যত্মুখী নয়, অতীতমুখী। স্বাধীনতা-উত্তর সময় থেকে হরতাল অবরোধ কর্মসূচি আমাদের সকল অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করে আসছে। হরতাল অবরোধের মতো কর্মসূচি প্রয়োগ হচ্ছে, দেশপ্রেমবিবর্জিত রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা না থাকার কারণে। পক্ষান্তরে রাজনীতি ব্যক্তি ও দলের স্ফীতি বর্ধন ও ক্ষমতাসীনদের মেধা অপেক্ষা মেদ বৃদ্ধির প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ায়, জনগণের ন্যূনতম দাবি-দাওয়াগুলোও গুরুত্ব হারায়, যার প্রেক্ষিতে হরতাল, অবরোধের মতো কর্মসূচি নিয়ে দেশের ক্ষতি হচ্ছে জেনেও রাজনীতিকরা তা বাস্তবায়ন করছেন। ট্রাডিশন সমানে চলেছে । নিজেদের অবস্থান এবং গ্রহণযোগ্যতার পরীক্ষা দিতে পাল্টাপাল্টি অবরোধ, সমাবেশের মতো কর্মসূচি দিয়ে আস্ফাালন করছে রাজনৈতিক দলগুলো। হরতালের মধ্যে ডুবে আছি। আগামীতে অবরোধের মতো তফসিল ঘোষিত হয়েছে, সবমিলিয়ে আমাদের অভিমত হলো, বন্ধ করা হোক হরতাল, অবরোধের মতো ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ। একটা সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করতে, শত সাংবিধানিক অধিকার খর্বিত হচ্ছে, সে বিষয়ে নজর দেয়ার জন্য সরকার ও বিরোধী দলগুলোর প্রতি অনুরোধ করছি। জনদাবি প্রতিষ্ঠা এবং জনদাবি উপেক্ষার এই মহাউত্সব দেশপ্রেমের পরীক্ষায় পরীক্ষিত হওয়া যাবে না। বরং জাতীয় ঐক্য, টেকসই অর্থনীতি, গণতন্ত্র চর্চিত রাজনৈতিক দল, বাক-স্বাধীনতা সর্বস্ব দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বর্তমান সৃষ্ট সমস্যা দূর করি। হরতাল অবরোধকে জাদুঘরে পাঠিয়ে, স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের মেরুদণ্ডকে শক্ত করে পরনির্ভরতা কমাই। মুরাদ হোসেন মধুখালী, ঝিকরগাছা, যশোর। এ সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ও আতংকিত এক শব্দের নাম হরতাল। মহাজোট সরকার শেষ বছর অতিক্রম করছে। আর সেই সময়টাতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার দাবানলে জ্বলছে রাজপথ। জনজীবনে আজ নেমে এসেছে দুর্ভোগ। ছেলে-মেয়েরা নিয়মিত স্কুল-কলেজে যেতে পারছে না। গত কিছুদিন পূর্বে অনেক কষ্টে শেষ হয়েছে এস, এস, সি পরীক্ষা, বর্তমানে চলছে এইচ, এস, সি পরীক্ষা। যে পরিবারে পরীক্ষার্থী আছে সেই পরিবারই বুঝে এ হরতালে তারা কতটা ক্ষতিগ্রস্ত। দেশের কোথাও আজ নিরাপত্তা নেই। কেউ ঘর থেকে বের হলে সে আবার ঘরে ফিরবে এ আশা আজ দুরাশায় পরিণত হয়েছে। কারণ সে পথে যে বিনা কারণে হতে পারে গ্রেফতার, খুন, গুম কিংবা গুলিবিদ্ধ। পাখির মত যত্রতত্র মানুষ গুলিবিদ্ধ হচ্ছে। সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে অনেক পরিবার আজ পথে বসেছে। অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হচ্ছে দেশ, বিদেশি বিনিয়োগ হাতছাড়া হচ্ছে, দেশের প্রধান অর্থনীতির উত্স পোশাক শিল্প আন্তর্জাতিক বাজার হারাচ্ছে। এ কোন্ আজব দেশে বাস করছি আমরা! ডা. মর্জিনা আক্তার বারিধারা পাইল্স কিউর সেন্টার গুলশান, ঢাকা-১২১২ হরতাল আমাদের জন্য অনেক ক্ষতিকর। আর এই ক্ষতি হয় বিশেষ করে এক শ্রেণীর লোকের, নূন আনতে পান্তা ফুরায় যাদের। আবার অবরোধ আসছে সেটাও একটা ভয়ংকর বিষয়। তাই এই মুহূর্তে প্রয়োজন দু’নেত্রী সংলাপে বসে একটি সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়া। মাসুদ আলম, পল্টন, ঢাকা। হরতাল ও অবরোধ দু’টোই মানুষ এখন আর চায় না। সাধারণ মানুষ এখন শান্তিতে বসবাস করতে চায়। আর হরতাল ও অবরোধ দুটোকে বাদ দিয়ে বিপরীত কিছু দেয়াটা শ্রেয়। বিপ্লব আলম উর্দু রোড, ঢাকা। হরতাল, অবরোধ ক্ষমতাসীন প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার অস্ত্র। কিন্তু এ অস্ত্রের নির্মম আঘাত দেশের অর্থনীতি বিনষ্ট করে। দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কল-কারখানা, ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ থাকায় জনজীবনে নানা সংকট দেখা দিচ্ছে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দাবি আদায়ের জন্য হরতাল হতে পারে। তবে দেশবাসীকে ধ্বংস করে ও কষ্ট দিয়ে নয়। বর্তমানে সকল শিক্ষার্থীর জীবন অনিশ্চয়তার দিকে যাচ্ছে। এইচএসসি পরীক্ষা উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ করে দেয়। অথচ হরতালে বার বার পরীক্ষা পিছিয়ে পরীক্ষার্থীদের ক্ষতি করা হচ্ছে। এরা যখন নির্বাচনে ভোটার হবে তখন নিশ্চয়ই তাদের মনে হবে কাদের কারণে আমাদের ফলাফল খারাপ হলো। জীবনের ভালো লক্ষ্য ভ্রষ্ট হলো। কয়েক লক্ষ ছাত্র-ছাত্রীর ভোট হারাবে তখন হেরে যাওয়ার পক্ষ বলবে নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে। আর ধ্বংস ও জ্বালাও-পোড়াও করে জয়ী হলে তখন আবার বলবেন সরকারের রাজভাণ্ডার শূন্য। জনগণের নানাখাতে কর বৃদ্ধি করে এই হরতাল-অবরোধের ক্ষতি আদায় করবে। আমার মতে, হরতাল ও অবরোধে বলির পাঠা সাধারণ দেশবাসী হচ্ছে। অবিলম্বে এই হিংসাত্মক হরতাল-অবরোধ বন্ধ করে সংলাপের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে সকল সমাধান করা উচিত বলে মনে করি। আশা এলিজাবেথ গোমেজ লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা-১১০০ হরতাল গণতন্ত্রের একটি ভাষা। কিন্তু এখন যে হরতাল হচ্ছে সেটা হরতাল নয়। সেটা হচ্ছে মানুষ হত্যা, দেশ ধ্বংস করা। অর্থনৈতিকভাবে দেশকে পঙ্গু করে দেয়া। সরকারি দল ও বিরোধী দল দু’জনকে বলছি, এ ধরনের হরতালকে সমর্থন না করার জন্য। আপনারা হরতাল দেবেন কিন্তু মানুষকে হত্যা করা, পুড়িয়ে মারা ও বাসে ককটেল দিয়ে আক্রমণ করা, রাস্তার মধ্যে ককটেল ফেলে দেয়া যা ছোট ছোট বাচ্চারা খেলার বস্তু মনে করে আহত হচ্ছে। এটা কোন ধরনের হরতাল? বিরোধী দলকে এ ধরনের হরতাল না দেবার জন্য অনুরোধ করছি। সৈয়দ হায়দার আলী সভাপতি মহাখালী যুবকল্যাণ সমিতি, মহাখালী হরতাল এদেশে একটা নিত্যনৈমিত্তিক বিষয় এখন। হরতাল একটি গণতান্ত্রিক অধিকার। তবে রাজনৈতিক দলগুলো যদি জনগণকে নিয়ে একটু ভাবেন তাহলে দেশ সুন্দর হয়ে উঠবে। এদেশ তো সোনার দেশ। সুজলা, সুফলা, শস্য শ্যামলা এদেশ। নিজেরা যদি একটু সচেতন হই তাহলে সব সম্ভব। হরতাল দেশে চলছে। সামনে অবরোধ সুতরাং এগুলো কোন সমাধান নয়। দেশের বেশিরভাগ মানুষই চায় নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন। তাই আমরা দেখতে চাই সকল দলের সম্মতিতে নির্বাচনের একটি রূপরেখা এখনই তৈরি করা। সৈয়দা নাসরিন সুলতানা স্যানি সাইড নিউ ইয়র্ক কোন উদ্যোগ নেই সংলাপ আর সমঝোতার। জেদ আর অনড় অবস্থান নিয়ে হাঁটছে সরকার ও বিরোধী জোট। হরতাল চলছে, এরপর আসছে অবরোধ। সব মিলে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ। জনগণ এখন চায় শান্তি। শিশির আজিমপুর, ঢাকা। বর্তমান সরকারের একরোখা মনোভাবে বলি হচ্ছে দেশের সাধারণ জনগণ। বিরোধী দলের নেতাদের জুলুম, নির্যাতন না করে নির্বাচন বিষয়ে সমঝোতা করলেই জাতি হরতাল ও অবরোধ থেকে মুক্তি পেতো। তাই চলমান সংকট নিরসনে সরকারকে অবশ্যই আন্তরিকতার প্রমাণ দিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। মো. ফখরুল ইসলাম টিপু সেনবাগ, নোয়াখালী সংঘাত-সহিংসতার পথে রাজনৈতিক সংকটের মীমাংসা হতে পারে না। এজন্য উভয় পক্ষের মধ্যে সংলাপ হওয়া দরকার। ফারুক আলম মালিবাগ, ঢাকা বর্তমানে যেভাবে ঘন ঘন হরতাল দেয়া হচ্ছে। আবার অবরোধ আসছে, তাতে মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে দেশের সার্বিক ব্যবসা-বাণিজ্য। অন্যদিকে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। তাই হরতাল অবরোধ না দিয়ে বিকল্প অন্য কোন কর্মসূচি দেয়া যায় কি না সেটা রাজনৈতিক দলগুলোকে দেখতে হবে। আব্দুল মালেক মিয়া দলিল লেখক, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬। চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উদ্বেগ-উত্কণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে সারাদেশে। তাই এ থেকে বের হয়ে এসে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়া দরকার। মুন্সী মোহাম্মদ ওয়াহিদ উল্লাহ, মিরপুর-১, ঢাকা। হরতাল চলছে। সামনে অবরোধ আসছে। হার্ড লাইনে সরকার। অন্যদিকে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়কসহ বিভিন্ন দাবিতে অনড় বিরোধী দল। আমরা আশা করছি দুই শীর্ষ নেত্রীর মধ্যে খুলে যাক সংলাপের দ্বার। সৃষ্টি হোক সংঘাতের বদলে সমঝোতার পরিবেশ। সেটা এখন প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি। আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার মোমেন উদ্দিন আহমেদ মুক্তিযোদ্ধা, পশ্চিম মনিপুর, মিরপুর-২, ঢাকা। আর হরতাল নয়। আর অবরোধও নয়। আমরা চাই যেকোন কর্মসূচি শান্তি-শৃঙ্খলার জন্য সহায়ক এমন কিছু। মাসুম আহাম্মদ যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। দেশজুড়ে আজ শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। উদ্বেগ-আশঙ্কা বিরাজ করছে দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে। আমরা চাই একটি সুন্দর দেশ, শান্তিময় পরিবেশ ও সবার মাঝে সৌহার্দ্যপূর্ণ মনোভাব। কাউছার আকন্দ, টাইমস আই বেঙ্গলী, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০। হরতাল, অবরোধ আর সহিংসতায় জিম্মি হয়ে পড়েছে সারাদেশ। এ থেকে মুক্তি চায় দেশের নিরীহ সাধারণ মানুষ। মো. শওকত আলী, ডিওএইচএস, মহাখালী। হরতালে মানুষের ক্ষতি হচ্ছে। বিশেষ করে হরতালে ভাঙচুর, ককটেল বিস্ফোরণ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্য দিয়ে চলছে এ হরতাল। পোশাক ও বস্ত্রশিল্পের নেতারা জানিয়েছেন, প্রতিদিন ক্ষতি ২০০ কোটি টাকা। অন্যদিকে ২ কোটি ৫৬ লাখ ডলারের তৈরি পোশাকের কার্যাদেশ বাতিল হয়। আকাশ পথে পণ্য পাঠাতে ব্যয় ৩ কোটি ডলার। হরতাল ও অবরোধে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি অনেক। সুতরাং বিষয়টি সবার ভাবনার। এস. কে. মো. রমিজউদ্দিন, কর্মসূচি সমন্বয়কারী, প্রশিকা কেন্দ্রীয় কার্যালয়, মিরপুর। বাংলাদেশে হরতাল চলছে। অবরোধ আসছে। জনগণকে দেখতে হচ্ছে সহিংসতার রাজনীতি। তারা চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছে নির্বিচারে মানুষ খুন, হত্যা, চলন্তবাসে আগুন দেয়া। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে রাষ্ট্র ও জনগণের সম্পদ। ধ্বংস হচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্য। দিনের পর দিন এভাবে হরতাল অবরোধ দেয়ার ক্ষমতা জনগণ তাদের কবে দিয়েছে? তারা কি জনগণের ম্যানডেট নিয়ে এসব করছে? জনগণ তাদের এ ক্ষমতা দেয়নি। এখন এটা জাতির সামনে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। শাহ মোহাম্মদ হেলালউদ্দিন হিরো, কালিহাতি, টাঙ্গাইল। হরতাল অবরোধের কোন দরকার নেই। বিরোধীদল যদি কোন সমস্যায় পড়ে থাকে তাহলে সরকারের সাথে আলাপ-আলোচনা করে নিজেদের সমস্যা তাদেরই সমাধান করতে হবে। তাই সরকারের উচিত সুখী-সমৃদ্ধশালী উন্নয়নশীল দারিদ্র্যমুক্ত স্বনির্ভর ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণে যারা বাধা সৃষ্টি করছে। সে সকল দুষ্কৃতকারী ষড়যন্ত্রকারীদের সরকারকেই শক্ত হাতে নস্যাত্ করে দিতে হবে এটাই জনগণের প্রত্যাশা। ফারুক আহমেদ, বাগমারা, রাজশাহী। হরতাল, অবরোধ নিয়ে আমি কিছু ভাবছি না। কারণ, দুই প্রধান নেত্রীর পুত্র, কন্যা, নাতি-পুতির মতো আমাদের নাতি-পুতিরা অভাগা এই বাংলাদেশে থাকে না। তবে আমার বড় মনোবেদনা-‘ধর শালারে, মার শালারে, জেলে পাঠা, আগুন লাগা, ককটেল ফাটা, তালা মার, লুট কর, ধ্বংস কর’ সুন্দর সুন্দর এসব বাস্তব শ্লোগান তারা শুনতে পায় না বলে। যারা অসত্ উদ্দেশ্য সাধনে সাধারণ জনগণের জানমাল ধ্বংস এবং রাজনৈতিক সংকট অহেতুক ঘনীভূত করে ব্যবসা-বাণিজ্য, লেখাপড়া, রাস্তায় নিরাপদে চলাফেরা ইত্যাদি ধ্বংসের প্রায় শেষ পর্যায়ে নিয়ে গেছে সেসব দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে সর্বশ্রেণির জনগণ কখন রুখে দাঁড়াবে সেটিই আমার প্রথম এবং সর্বশেষ ভাবনা। মো. লুত্ফর রহমান এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা। হরতাল, অবরোধ বর্তমান অবস্থায় আর গণতান্ত্রিক অধিকার নেই বলে আমাদের দেশের রাজনীতির কূটকৌশল সেই ইঙ্গিতই বহন করে। জনগণ অতিষ্ঠিত হয়ে উঠেছে হরতালের মতো কর্মসূচিতে। যে হারে গাড়ি পুড়ানো, ভাংচুর, পুলিশের গুলি, টিয়ার গ্যাস, ককটেল, মানুষ পুড়ছে, মানুষ মরছে, জনগণের নেই কোন নিরাপত্তা। বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থা দেখে যে কেউ বলতে বাধ্য হবে, এদেশে যুদ্ধ চলছে এবং আমাদের দেশের রাজনীতির পথ পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাজনীতির প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে জনগণের মঙ্গল, কল্যাণ। দেশের মানুষ শান্তিতে এবং শান্তিপূর্ণভাবে নিরাপদে তাদের নাগরিক সুবিধাগুলো স্বাচ্ছন্দ্যে ভোগ করবে। কিন্তু বর্তমানে জনগণ মঙ্গল, কল্যাণ, নিরাপদে নাগরিক সুবিধাগুলো ভোগের অবস্থান থেকে অনেক দূরে সরে গেছে। বর্তমান রাজনীতি ক্ষমতায় টিকে থাকা এবং ক্ষমতায় কিভাবে যাওয়া যায় তারই লড়াই। বর্তমান রাজনীতিতে জনগণের ভালো-মন্দের হিসাব-নিকাশের যন্ত্রটা যেন বিকল হয়ে গেছে। এখনও সময় রয়েছে গণতন্ত্রকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে দুই নেত্রী বসুন, সিদ্ধান্ত নিন; জনগণের মঙ্গলের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে অনুধাবন করে ক্ষমতা পরিবর্তনের পদ্ধতি নির্ধারণ করুন। এতে জনগণের মঙ্গল হবে, দেশ থেকে চিরতরে হরতালের মতো জনগণের দুর্ভোগ কর্মসূচির অবসান হবে। যেই প্রধানমন্ত্রী হন না কেন, সরকার পরিচালনায় সাফল্য অর্জন করতে তার সহজ হবে। রাজনীতিতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা পাবে এবং জনগণের মঙ্গল হবে। মনজু খন্দকার চুয়াডাঙ্গা। হরতাল, অবরোধ গণতান্ত্রিক অধিকার। এটা করার ক্ষমতা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রয়েছে। কিন্তু হরতাল হওয়া উচিত সৃজনশীল উপায়ে। সরকারের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য হরতাল হয়। সংঘাত সৃষ্টি করাকে সুস্থ হরতাল বলা চলে না। এই হরতালে ইন্ধন দেয় কারা তাও যাচাই করা দরকার। বর্তমানে যে হরতালের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, যাচাই- বাছাই করে বলা যায়, সরকারই এই হরতালের ইন্ধনদাতা। কে কে এম নাছির জামাল উত্তরা, ঢাকা। আমাদের দেশের প্রধান দুইটি বড় দল সাধারণ জনগণকে নিয়ে ভাবে না। আজকের এই হরতালের জন্য দায়ী বর্তমান সরকার। সরকার বিরোধী দলকে যেভাবে নির্যাতন করছে তার জন্য তারা হরতাল দেয়া স্বাভাবিক। আগামী সংসদ নির্বাচন যদি নির্দলীয়ভাবে হয় তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে। শহিদুল ইসলাম খান মদন, নেত্রকোনা। হরতাল একটি গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু হরতালের নামে জ্বালাও-পোড়াও এটা কোন্ হরতাল? তাই এসব হিংস্র হরতাল জনগণ চায় না। তাই আপনারা তা বন্ধ করুন। হরতাল ও অবরোধ আসলে দেশের গরিব মানুষ অসহায় হয়ে পড়ে। ছাত্রদের ঘটে লেখাপড়ায় বিঘ্ন। তাই এরকম হিংস্র হরতাল, অবরোধ আমরা চাই না। এরকম এক ভয়ংকর দানবের হাত থেকে মানুষ মুক্তি চায়। তারেক রহমান ইসলামপুর, মানিকগঞ্জ। কি আর ভাববো। যা হবার তাই তো হবে। আমাদের আর ভাবলেইবা কার কি আসে যায়। তারা কি দেখছে না আমরা কিভাবে বেঁচে আছি। সর্বক্ষণ একটা আতংক আমাদের গ্রাস করছে। জানি না কি হয়। জসিমউদ্দিন ভালুকা বাজার, ভালুকা ময়মনসিংহ। হরতাল ও অবরোধ একসাথে চলতে পারে না। আমরা চাই সুষ্ঠু, সুশৃঙ্খল পরিবেশ ও দুই নেত্রীর একসঙ্গে সংলাপে বসা। নার্গিস ভাগলপুর লেন ঢাকা। হরতাল একটি গণতান্ত্রিক অধিকার। বাংলাদেশে সব সরকারের আমলেই হরতাল ছিল। তবে বর্তমান সময় ক্ষমতাসীন সরকার যখন বিরোধী দলে ছিলো তখন তারা অনেক হরতাল দিয়েছিলো। সে তুলনায় এখন বিরোধী দল অনেক কম হরতাল দিয়েছে। তবে হরতালের বিকল্প কোন কর্মসূচির পরিকল্পনা নেয়া দরকার। মো. সেলিম মহাখালী, ঢাকা। ক্রমাগত হরতাল ও অবরোধের কারণে গোটা দেশ অনিশ্চয়তার অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে। গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের নামে রাজনৈতিক দলগুলো সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কাজকর্মের, চলাফেরার অধিকার কেড়ে নিচ্ছে। রাজনীতির নামে চলছে সহিংসতা। ধ্বংস হচ্ছে দেশের সম্পদ, অর্থনীতি ভেঙ্গে পড়ছে, হতাহতদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। এ অবস্থা নিরসনের জন্য সরকার ও বিরোধী দলের আলোচনায় বসা জরুরি। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান সরকারের অন্যতম দায়িত্ব। তাই সরকারকেই অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। সুফিয়া রহমান মোহাম্মদী হাউজিং লিমিটেড মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন