বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী ফারুক খান বলেছেন, বর্তমান সরকারের বিগত চার অর্থ বছরের মধ্যে প্রথম অর্থবছর ছাড়া বাকি তিন বছরই বিমান লোকসান দিয়েছে। এয়ারলাইন্স পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় বিমানে কখনো কখনো কিছু কিছু অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের বৈঠকে মৌখিক উত্তরদানের জন্য উঠা বিরোধী দলীয় এমপি রাশেদা বেগম হীরার এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সংসদকে এ তথ্য জানান। এর আগে বিকালে সংসদের নির্ধারিত দিনের কার্যক্রম শুরু হয়।
মন্ত্রী বলেন, অনিয়মের অভিযোগ পাওয়ার যথোপযুক্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তদন্ত করা হয়। যেমন: জেদ্দাতে জিএসএ’র অর্থ আত্মসাত্, সিঙ্গাপুরে সিডিউল অন্য বিমানে নিয়ে যাওয়া, লন্ডনে ক্যাটারিং বাবদ অতিরিক্ত বিল দেয়া বিষয়ে আসা অভিযোগগুলো তদন্ত করা হয়। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে বিভাগীয় ব্যবস্থাসহ শাস্তি দেয়া হয়। মন্ত্রী বলেন, চার বছরে অনিয়মের কারণে বিমান কোনো লোকসান দেয়নি। বিমানের উড়োজাহাজগুলো অপেক্ষাকৃত পুরান হওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে বিমান নিজস্ব উড়োজাহাজের পরিবর্তে লিজকৃত উড়োজাহাজ দিয়ে ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়। এতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হয়।
সরকার দলীয় এমপি নুরুল ইসলাম বিএসসির প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বিমানে উড়োজাহাজের সংকট ও পুরান উড়োজাহাজ দিয়ে ফ্লাইট পরিচালনা করা হয় বিধায় অনেক সময় সিডিউল ঠিক রাখা সম্ভব হয় না। সিডিউল ঠিক রাখা এবং যাত্রী সাধারণের আস্থা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে বিমান নতুন উড়োজাহাজ যোগ করবে। ইতোমধ্যে নতুন প্রজন্মের দুটি বোয়িং-৭৭৭-৩০০ ইআর বিমান বহরে যোগ করা হয়েছে।
সরকার দলীয় এমপি নাসিমুল আলম চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সর্বমোট ১৪টি বিমান অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে চলাচল করে। এর মধ্যে দুটি কার্গো অভ্যন্তরীণ রুটে ও বাকিগুলো আন্তর্জাতিক রুটে চলাচল করে।
