ব্যাটসম্যানদের দাপটে সমতা আনল শ্রীলঙ্কানরা

আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০১৩, ২১:৪৩
টি-টোয়েন্টিকেও যেন হার মানিয়েছে শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ দল। ২৯ ওভারে বেঁধে দেয়া ১৯৭ রান ছুঁয়েছে ৪১ বল বাকি থাকতে। বৃষ্টির কারণে কঠিন হয়ে যাওয়া সমীকরণকে সহজ বানিয়ে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে লঙ্কানরা জিতেছে ছয় উইকেটে। পাঁচ ম্যাচ সিরিজে এখন দুই দল সমতায় (২-২)। সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে কাল মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। খেলা শেষে ম্যাচ আম্পায়ার একটু দ্বিধায় পড়েছিলেন। কাকে ম্যাচসেরার পুরস্কার দিবেন তা নিয়ে আলোচনায় ছিলেন দুইজন। ১৬ বলে ৪২ রান করা সেনদান ভিরাকোডি, নাকি পাঁচ উইকেট নেয়া রমেশ মেন্ডিস? শেষে রমেশকেই বেছে নিলেন ম্যাচ আম্পায়ার। তার পাঁচ উইকেটের কারণে স্বাগতিকদের স্কোর খুব বেশি এগিয়ে যায়নি। আগে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে ৪৭.৪ ওভারে ২৪৪ রান তোলার পরপরই নামে বৃষ্টি। টানা এক ঘণ্টার বৃষ্টির পর যখন খেলা শুরু হলো তখন জয়ের জন্য শ্রীলঙ্কার প্রয়োজন দাঁড়াল ২৯ ওভারে ১৯৭ রান। মেহেদী হাসানের করা ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই ৩০ রান নিয়ে খেলার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিলেন ভিরাকোডি ও ব্রিক্রামা। রান এলো যথাক্রমে ৪, ৭, ৪, ৬, ১, ৪, ৪। নেহাদুজ্জামানের প্রথম ও ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারেও ১৬ রান তুলে নেয় সফরকারীরা। এতেই প্রথম দশ ওভারে তাদের স্কোর ১০০ রানে পৌঁছে যায়। ম্যাচটি তখনি স্বাগতিকদের হাতছাড়া হয়ে যায়। এই ধারা ধরে রেখে ২২.১ ওভারেই জয় তুলে নেয় শ্রীলঙ্কা। চামিকা করুনারত্নে ও কুশাল মেন্ডিস পঞ্চম উইকেটে ৯০ রান তুলে দলকে জয় পাইয়ে দেন। এর আগে ব্যাট হাতে ভালোই করছিল বাংলাদেশ। তবে জয়রাজ শেখ ইমন ৮৪ বলে ৫৮ এবং অধিনায়ক মোসাদ্দেক ৪৯ বলে ৪৭ রান ছাড়া দলের পক্ষে আশান্বিত স্কোর করতে পারেননি কেউই। ব্যাটসম্যানদের ভুগিয়েছেন অফ স্পিনার রমেশ। কালকের ম্যাচ নিয়ে তিনি দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলেছেন। দুই ম্যাচেই তার উইকেট সংখ্যা আট। সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল- ৪৭.৪ ওভারে ২৪৪ (ইমন ৫৮, মোসাদ্দেক ৪৭, নাজমুল ২৬, রমেশ ৫/৪০)। শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ দল (টার্গেট- ২৯ ওভারে ১৯৭)। ২২.১ ওভারে ২০০/৪ (চামিকা অপ: ৪৯, মেন্ডিস অপ: ৪৫, ভিরাকোডি ৪২, মেহেদী ১/২৭)। ম্যান অব ম্যাচ: রমেশ মেন্ডিস (শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯)। ফল: শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ দল জয়ী ৬ উইকেটে।