কালীগঞ্জে স্বজনদের বুকফাটা আহাজারি

আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০১৩, ২২:১৭
ঝিনাইদহে পলাশ নামে আরো এক গার্মেন্টস কর্মীর লাশ এসে পৌঁছেছে। এই নিয়ে ঝিনাইদহ সদর ও কালীগঞ্জ উপজেলার ৩ গার্মেন্টস কর্মীর লাশ পাওয়া গেল। নিহত পলাশ মিয়া কালীগঞ্জ উপজেলার বাবরা গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। সে ভবনটির ৫ম তলায় সিকিউরিটি গার্ডের কাজ করত। এ ছাড়া শনিবার সকালে জুয়েল রানা লাল্টু নামে এক গার্মেন্টস সুপারভাইজারকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। লাল্টু সদর উপজেলার করাতিপাড়া গ্রামের আইয়ুব হোসেনের ছেলে। ভবন ধসের দিন সকাল ৮টার দিকে পলাশ মিয়ার সাথে সর্বশেষ কথা হয়েছিল তার পরিবারের। তারপর থেকে অনেক খোঁজাখুঁজির পর শুক্রবার পলাশের লাশ শনাক্ত করা হয়। ওই দিন রাতেই তার লাশ বাড়িতে আনা হয়। পলাশের লাশ বাড়িতে এসে পৌঁছালে তার স্বজনরা বুক ফাটা আহাজারি করতে থাকে। একমাত্র উপার্জনক্ষম ছেলেকে হারিয়ে শোকে বিহ্বল পরিবারটি অসহায় হয়ে পড়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বাকড়ী গ্রামের চন্দ্রজামি গ্রামের ছবেদ আলী মিস্ত্রীর ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন ও একই উপজেলার বাকড়ী গ্রামের খোরশেদ আলীর মেয়ে সেলিনা খাতুন-এর লাশ উদ্ধার হয়। এছাড়া এখনো নিখোঁজ শৈলকুপা উপজেলার হরিহরা গ্রামের ইমারত আলীর ছেলে আকাশ, মহেশপুর উপজেলার গাড়াবাড়িয়া গ্রামের লালমতির মেয়ে রোজিনা খাতুন ও শালিখা গ্রামের লোকমান হোসেনের স্ত্রী তানিয়া খাতুন।