চিরন্তন উচ্চারণ

আপডেট : ৩০ এপ্রিল ২০১৩, ১৯:৩৩
নিরক্ষরতা দুর্ভাগ্যের প্রসূতি নিরক্ষরতা মানুষের জীবনের একটি বড় অভিশাপ, যা মনুষ্যত্ব বিকাশের অন্তরায়। যাদের মাঝে এ ঝরাগ্রস্ত রোগ বাসা বাধে তাদের ভাগ্য সত্যিই খারাপ। অশিক্ষিত মানুষ সমাজের জন্য, জাতির উন্নয়নের জন্য অন্তরায়। তাদের দ্বারা সুপ্রসন্ন কোন কাজ করা যায় না। এজন্য বলা হয়ে থাকে নিরক্ষরতা দুর্ভাগ্যের প্রসূতি। নিরক্ষরতা সমাজের অভিশাপ। জীবনে অশিক্ষার ছোঁয়ায় মননশীল কোন ধারার স্বীয় সত্তাকে মূল্যায়ন করা যায় না। এমনকি মানুষের সাথে সমভাবে মেলামেশা চলাফেরা সকল দিক দিয়ে সৌভাগ্যের পরিবর্তে দুর্ভাগ্যে পরিণত হয়। একজন মানুষ নিরক্ষর হলে সে সমাজে মূল্যায়িত হয় না। অশিক্ষিত মানুষ জাতীয় জীবনে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। তার সামাজিক, রাজনৈতিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সকল বিষয়ে কোন মৌলিক ধারণা থাকে না। ফলে এসব বিষয়ে সে থাকে একদম অন্ধ। চক্ষু থেকেও আলোর দুনিয়ায় ব্যথার মুকুট মাথায় পরে তারা জীবন অতিবাহিত করে। জীবনের স্বাদ আহলাদ সম্পর্কে তাদের কোন রকম কৌতুহলও হয় না। তাদের জীবন চলার পথে শুধু বাধা আর বাধায় ভরা। সৌভাগ্যের পরিবর্তে আসে দুর্ভাগ্যের নানান গঞ্জনা। নিরক্ষর ব্যক্তি জীবন প্রভাতে ব্যথার মুকুট পরেই বড় হতে শুরু করেছে। এরা মানুষের কাছ থেকে ভাল ব্যবহারের পরিবর্তে পায় ধিক্কার। নিরক্ষর ব্যক্তি সাধারণত ভালো-মন্দ, সাদা-কালো চিনে চলতে পারেনা। এসব দিক দিয়ে তার জীবন মারাত্মক অভিশাপ। নিরক্ষরতার অভিশাপ যার গায়ে লেগেছে সে সত্তিই দুর্ভাগ্যের সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছে। নিরক্ষর ব্যক্তি সমাজ ও জাতির কাছে অপাঙক্তেয়। তারা জাতীয় জীবনে উন্নয়নের অন্তরায়স্বরূপ। সামাজিক জীবনে তারা ধিক্কৃত ও ঘৃণিত।