পরিসংখ্যানে হারারে টেস্ট

আপডেট : ৩০ এপ্রিল ২০১৩, ২২:০১
১৪৩ রানের এই জয় বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে চতুর্থ জয়। এই নিয়ে তিনবার বিদেশে টেস্ট জিতল বাংলাদেশ। দেশের মাটিতে একমাত্র জয় ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা এই টেস্টে ২০১.২ ওভার ব্যাট করেছেন; বিদেশের মাটিতে এটা বাংলাদেশের ষষ্ঠ সর্বোচ্চ সময় ধরে ব্যাট করার নজির। বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যান সেঞ্চুরি করতে পারেননি। তবে টেস্টে দ্বিতীয়বারের মতো ছয়টি ফিফটি পেয়েছে বাংলাদেশ। এর আগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২০০৯-১০ মৌসুমের ঢাকা টেস্টেও ছয় ফিফটি পেয়েছিল বাংলাদেশ। বাংলাদেশে তিন ব্যাটসম্যান দুই ইনিংসেই ফিফটি করেছেন (সোমবার খেলার পাতায় ছাপার ভুলে ‘তিন ব্যাটসম্যান দুই ইনিংসই সেঞ্চুরি করেছেন’ লেখা হয়েছিল)। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ঘটল। সাকিব, মুশফিক ও নাসির জোড়া ফিফটি করেছেন ৫ থেকে ৭ নম্বরে খেলতে নেমে। টেস্ট ইতিহাসে ঠিক ৫ থেকে ৭ নম্বর; তিন ব্যাটসম্যানের আর কখনোই জোড়া ফিফটি নেই। এটি ছিল সাকিবের তৃতীয় জোড়া ফিফটি। বাংলাদেশের পক্ষে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৭ বার টেস্টে জোড়া ফিফটি করেছেন বর্তমান নির্বাচক, সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার। এরপর সাকিব ও তামিম তিনবার করে, মুশফিক ও নাসির দু বার করে জোড়া ফিফটি করেছেন। রবিউল বাংলাদেশের পক্ষে এক সিরিজে তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৫টি উইকেট নিয়েছেন। এর আগে এনামুল হক জুনিয়র ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নিয়েছিলেন ১৮ উইকেট এবং মোহাম্মদ রফিক ২০০৩ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে নিয়েছিলেন ১৭ উইকেট। হ্যামিলটন মাসাকাদজা দ্বিতীয় হারারে টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে দলকে জয় বা ড্র এনে দিতে না পারলেও ১১ রানে অপরাজিত ছিলেন। এটি তার তৃতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি। ২০১১ সালে এই হারারেতে, এই বাংলাদেশের বিপক্ষেই সর্বশেষ টেস্ট সেঞ্চুরি করেছিলেন মাসাকাদজা। এরপর গত ১২ ইনিংসে ১০.৯৩ গড়ে মাত্র ১৫৩ রান করতে পেরেছিলেন; যার সর্বোচ্চ ছিল ২৫!