কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার নারায়ণপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফের হাতে আটক র্যাবের সোর্স মিলনকে ফেরত আনা যায়নি। এদিকে আটক মিলনকে র্যাব তাদের সোর্স হিসেবে দাবি করলেও বিএসএফ তার কাছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকরির নিয়োগপত্র, আইডি কার্ড ও জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় তার প্রকৃত পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তি এবং অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের দায়ে তাকে বিজিবি-বিএসএফ বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত পাওয়ার বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
সূত্র জানায়, আটক মিলনকে র্যাবের সোর্স বলা হলেও বিএসএফ দাবি করছে মিলন সোর্স নয়। বিএসএফ ২০০৯ সালের ১২ জানুয়ারি সেনাবাহিনীর ৫৫ পদাতিক ডিভিশন থেকে ইস্যুকৃত একটি আইডি কার্ড নং-ইবি ৬১৫৫৬৫ ও সেনা নং-৪০৪৬৫৬৮ (নাম ও ছবি) এবং যশোর ক্যান্টনমেন্টে চাকরির ঠিকানা সম্বলিত একটি জাতীয় পরিচয়পত্র তার কাছে পেয়েছে। ওই পরিচয়পত্রে তার নাম মো. মিলন হোসেন, পিতা মো. রওশন আলী ও মাতা মোছা: জামেলা বেগম, রক্তের গ্রুপ-বি.নিগেটিভ উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া বিএসএফ আটক মিলনের কাছে সেনাবাহিনীর একটি নিয়োগপত্র পেয়েছে, এতে তার ঠিকানা-গ্রাম বোয়ালখালী, ডাকঘর ও উপজেলা ভাংগুড়া, জেলা পাবনা উল্লেখ আছে। কোটবাড়িস্থ ১০ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের (বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মামুন আল মাহমুদ রবিবার জানান, আটক মিলনকে ফেরত আনার জন্য শনিবার সন্ধ্যায় বিজিবি-বিএসএফ পর্যায়ে পতাকা বৈঠক করা হয়। সেসময় আইনে তাকে ফেরত দেয়া সম্ভব নয় বলে বিএসএফ জানায়।
