দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের রাজনীতিতে নতুন পোলারাইজেশন বা মেরুকরণ ঘটবে বলে মনে হচ্ছে। নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে বিরোধী দল এবং সরকারের সঙ্গে মতানৈক্য প্রবল হওয়ায় নির্বাচন নিয়ে প্রকাশ্যে তেমন তোড়জোড় দেখা না গেলেও ক্ষমতাসীন এবং ক্ষমতা প্রত্যাশী উভয় পক্ষই যে ভেতরে ভেতরে প্রস্তুতি শুরু করেছেন, সংবাদপত্রে প্রকাশিত কিছু কিছু খবর থেকে তা অনুমান করা যায়। গত কয়টি নির্বাচন থেকেই দেখা যাচ্ছে, দেশের বড় দুইটি রাজনৈতিক দল— আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি এককভাবে নির্বাচন না করে ছোট ছোট দল বা দলাংশের সঙ্গে জোট বেঁধে নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ায় চেষ্টা করে। যেসব দলের একজন প্রার্থী দেয়ারও ক্ষমতা নেই তারাও জোট-মহাজোটে শরিক হয়ে ‘মূল্যহীন’ অবস্থা থেকে নিজেদের রক্ষা করে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গত নির্বাচনের সময় গড়ে উঠেছিল মহাজোট আর বিএনপির নেতৃত্বে ছিল চারদলীয় জোট। আওয়ামী লীগের সঙ্গে ১৪ দল এবং এরশাদের জাতীয় পার্টি মিলে মহাজোট। আর বিএনপি এবং জামায়াতসহ চারদলীয় জোট। মহাজোটে শরিক দলগুলোর মধ্যে আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচনে আসন পেয়েছে জাতীয় পার্টি, জাসদ এবং ওয়ার্কার্স পার্টি। অন্য কোনো দলের সংসদে প্রতিনিধি নেই।
চারদলীয় জোট সম্প্রসারিত হয়ে এখন ১৮ দলীয় জোট হয়েছে। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে এই জোটকে আরো সম্প্রসারিত করার কথা শোনা যাচ্ছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোটের মধ্যে নানা টানাপড়েনের খবর প্রায়ই শোনা যায়। বিশেষ করে এরশাদের জাতীয় পার্টি আগামী নির্বাচন পর্যন্ত মহাজোটে থাকবে কি-না সে প্রশ্ন অনেকের মনেই দেখা দিচ্ছে। কারণ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ একেক সময় একেক ধরনের কথা বলে ধোঁয়াশা তৈরি করেছেন। এরশাদ আগামী নির্বাচনের ব্যাপারে ‘হাওয়া’ বুঝে ব্যবস্থা নেবেন বলে পত্রিকায় খবর বের হয়েছে। সর্বশেষ দুই নেত্রীর প্রতি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এরশাদ বলেছেন, সংবিধান পরিবর্তন করে রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনুন। আপনারা জোটবদ্ধ হয়ে আমার বিরুদ্ধে নির্বাচন করুন, দেখবেন সেই নির্বাচনে আমিই জয়ী হবো। সাবেক রাষ্ট্রপতির এই শেষ ইচ্ছা পূরণের জন্য দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা আর ফিরিয়ে আনার চেষ্টা কেউ করবেন বলে মনে হয় না।
মহাজোটে নতুন শরিক জোগাড়ের চেষ্টা আওয়ামী লীগের আছে বলে শোনা গেলেও বাস্তবে এর কোনো প্রতিফলন দেখা যায় না। তবে সর্বশেষ খবর অনুযায়ী আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি বা জেপি মহাজোটে যোগদান নিয়ে তত্পরতা চলছে। জেপির সঙ্গে ১৪ দলের একটি আনুষ্ঠানিক বৈঠকও হওয়ার কথা। আবার এমন গুঞ্জনও আছে যে, এরশাদের জাতীয় পার্টি এবং মঞ্জুর জেপির একীভূত হওয়ার ব্যাপারেও নাকি কথা চালাচালি হচ্ছে। আবার সিপিবিসহ বাম ঘরানার কোনো কোনো দলের সঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়া অথবা নির্বাচনী সমঝোতা করার ব্যাপারেও নাকি আওয়ামী লীগের আগ্রহ আছে। এক সময় সিপিবি আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ মিত্র থাকলেও এখন আওয়ামী লীগের বড় ‘ক্রিটিক’ সিপিবি। সিপিবি’র মূল্যায়নে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে মোটা দাগের পার্থক্য কম। একদল ‘আপদ’ হলে অন্য দল ‘বিপদ’। আপদ-বিপদ থেকে সমদূরত্বে চলার যে নীতি সিপিবি অনুসরণ করছে তাতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাদের কোনো ধরনের সমঝোতামূলক রাজনৈতিক মৈত্রী গড়ে ওঠা সম্ভব হবে কি-না বলা যাচ্ছে না।
আপদ-বিপদের রাজনৈতিক শক্তির বাইরে সিপিবি একটি বামবলয় গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। এ লক্ষ্যে সিপিবি এবং বাসদ যৌথভাবে কিছু রাজনৈতিক কর্মসূচিও গত কিছুদিন থেকে পালন করছে। তবে বিস্ময়কর হলো, সিপিবি-বাসদের যৌথ উদ্যোগে বামবলয় শক্তিশালী হওয়ার লক্ষণ দেখা না গেলেও এরমধ্যে বাসদের ভেতর বিভক্তি তৈরি হয়েছে। কোন্ গূঢ় তাত্ত্বিক বিতর্কে বাসদ আবার দ্বিধাবিভক্ত হলো সেটা সাধারণ মানুষের কাছে মোটেও পরিষ্কার নয়। তবে যারা রাজনীতি সম্পর্কে সামান্য খোঁজ-খবরও রাখেন, তারা মনে করেন, দেশে বর্তমানে বামপন্থিদের পক্ষে কার্যকর কোনো শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার বাস্তব সম্ভাবনা খুবই কম। দেশের মানুষের মধ্যে বিকল্প রাজনৈতিক শক্তির ব্যাপারে আগ্রহ থাকলেও রাজনীতির মাঠে সেই বিকল্প রাজনীতির কারিগরদের দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না। যারা আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র রাজনীতি নিয়ে হাঁপিয়ে উঠেছেন, তারাও বিশ্বাসযোগ্য নেতৃত্ব না পাওয়ায় এই দুই দলের রাজনৈতিক বৃত্তেই ঘুরপাক খেতে বাধ্য হচ্ছেন।
সিপিবি বাংলাদেশে সবচেয়ে পুরনো এবং পোড় খাওয়া দল। বামদের মধ্যে এই দলের কাছেই মানুষের বেশি প্রত্যাশা ছিল। দেশের সব বড় গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এই দলের অংশগ্রহণ ছিল। মানুষের মধ্যেও দলের শক্ত ভিত গড়ে উঠেছিল। কিন্তু সোভিয়েত ইউনিয়নের বিপর্যয়ের পর সিপিবি যেভাবে হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে এবং নেতারা নানা মতে বিভক্ত হয়ে পড়েন, সেটা ছিল অপ্রত্যাশিত। তখন থেকে রাজনৈতিক লাইন নিয়ে সিপিবি’র মধ্যে বিভ্রান্তি কাটছে না। বাসদ বা এই ধরনের ভাঙনপ্রবণ বামপন্থিদের সঙ্গে মিলিত হয়ে শক্তি বৃদ্ধির কসরত না করে সিপিবি আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঐক্য ও সংগ্রামের নীতিতে ইস্যুভিত্তিক সমঝোতায় গেলে হয়তো তারা পায়ের নিচে কিছু মাটি পেলেও পেতে পারতো।
আওয়ামী লীগের অনেক ত্রুটি-দুর্বলতা আছে। বিশেষ করে বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগের মধ্যে বিশাল ব্যবধানের বিষয়ে বিতর্কের কিছু নেই। কিন্তু তারপরও এটাই সত্য যে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সামনে এগিয়ে নিতে হলে, একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজ সম্পন্ন করতে হলে আওয়ামী লীগের কোনো বিকল্প নেই। আজ যদি আওয়ামী লীগ সরকারে না থাকে তাহলে দেশে উগ্র সাম্প্রদায়িক রাজনীতির যে উত্থান ঘটবে তার মোকাবিলায় দাঁড়ানোর ক্ষমতা বাম-প্রগতিশীলদের নেই। সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে এক ধরনের সমঝোতামূলক মনোভাব নিয়ে চললেও দেশকে উগ্র জঙ্গিবাদের কবলমুক্ত করতে চাইলে আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে আর কোনো শক্তির ওপর নির্ভর করা যায়? আওয়ামী লীগ এবং বিএনপিকে এক পাল্লায় চড়িয়ে যারা গলাবাজি করেন তারা দেশকে কোনো ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা করার কতটুকু ক্ষমতা রাখেন সে প্রশ্ন তোলা যেতেই পারে। তবে এটাও ঠিক যে, অন্যদের কাছ থেকে সমর্থন-সহযোগিতা পাওয়ার জন্য যে-ধরনের রাজনৈতিক উদারতা থাকা দরকার অনেক সময়ই আওয়ামী লীগের মধ্যে তা দেখা যায় না। বড় দলের অহমিকায় আচ্ছন্ন থাকলে ছোটদের নিয়ে কাজ করা যায় না। এটা কেউ কেউ বলে থাকেন যে, আওয়ামী লীগ শত্রুকে মিত্র বানাতে না পারলেও মিত্রকে শত্রু শিবিরে ঠেলে দিতে যথেষ্ট পারদর্শী। সে জন্যই আগামী নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ মিত্র বাড়ানোর দিকে মনোযোগী হবে, নাকি বর্তমান মিত্রদের বৈরী করে তুলবে সে প্রশ্নও অনেকের মধ্যেই দেখা দিচ্ছে।
সরকার পরিচালনা করতে গিয়ে মহাজোটের শরিকদের আওয়ামী লীগ কোনোভাবে বিবেচনায় নিয়েছে বলে শরিকরা মনে করে না। সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় ১৪ দল বা মহাজোটের কোনো অংশ নেই। কোনো ব্যাপারে তাদের সঙ্গে পরামর্শ করার সৌজন্য আওয়ামী লীগ দেখিয়েছে— এমনটা প্রমাণ করা যাবে না। রাজনৈতিকভাবে চাপের মুখে পড়লে ১৪ দলের সঙ্গে বৈঠক করার দায়সারা একটি ব্যবস্থা লক্ষ্য করা গেলেও এ থেকে সুফল কতটুকু পাওয়া যায় সে প্রশ্ন আছেই। জাতীয় পার্টির সঙ্গে আওয়ামী লীগ কার্যকর সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার চেষ্টা কখনো করেনি। সর্বশেষ চার সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়নের ব্যাপারেও জাতীয় পার্টির সঙ্গে কোনো ধরনের আলাপ-আলোচনার কথা শোনা যায় না। এ জন্য খুলনা সিটি করপোরেশনে জাতীয় পার্টির একজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকায় এখন বেগ পেতে হচ্ছে আওয়ামী লীগ প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেককে। অথচ আগেভাগে জাতীয় পার্টির সঙ্গে আলোচনা করলে হয়তো এই বিড়ম্বনা এড়ানো সম্ভব হতো।
জোটের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের চেয়ে সুবিধাজনক অবস্থায় আছে বিএনপি। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি কিংবা অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির সমর্থক বলে যারা নিজেদের দাবি করেন, তাদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রবণতা কম। তাছাড়া আওয়ামী লীগের প্রতি এদের কারো কারো রয়েছে চরম এলার্জি। এক্ষেত্রে ড. কামাল হোসেনের গণফোরামের নাম উল্লেখ করা যায়। গণফোরাম না পারছে বিএনপির সঙ্গে যেতে, না পারছে আওয়ামী লীগের সঙ্গে ভিড়তে। ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর সঙ্গে ঐক্য প্রক্রিয়া শুরু করতে না করতেই শেষ হয়ে গেছে। একসময় ড. কামাল হোসেনকে নিয়ে যাদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছিল, তার দোদুল্যমানতার কারণে তারাও এখন তাকে রাজনৈতিক ‘এতিম’ ছাড়া কিছু ভাবেন না।
অন্যদিকে, যারা সরাসরি মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি কিংবা সাম্প্রদায়িক রাজনীতির সমর্থক তাদের মধ্যে ঐক্য গড়ে উঠতে কোনো সমস্যা হয় না। বিএনপির নেতৃত্ব মেনে নিতেও এদের মধ্যে বড় ধরনের বিতর্ক হয় বলে শোনা যায় না। এছাড়া বিএনপির প্রতি মুক্তিযুদ্ধের সমর্থক অনেকেরই আছে নিঃশর্ত সমর্থন। আওয়ামী লীগবিরোধী, ভারতবিরোধী, ধর্মাশ্রয়ী যত দল বা গ্রুপ আছে, তাদের সবার স্বাভাবিক মিত্র হচ্ছে বিএনপি। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে সে জন্যই বিএনপি’র নেতৃত্বাধীন জোট সম্প্রসারণের সম্ভাবনা বেশি। এরমধ্যেই বিএনপি থেকে লজ্জাজনকভাবে বিতাড়িত ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বিকল্প ধারা পুনরায় বিএনপিতে লীন হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। বিএনপিতে সম্মানজনক পদ-পদবি পেলেই নাকি বি. চৌধুরী তার দলের বিলুপ্তি ঘটাবেন। চট্টগ্রামের ড. অলি আহমেদ বিএনপিতে বিলীন না হলেও তার এলডিপি নিয়ে ১৮ দলে শরিক হয়েছেন। ‘বঙ্গবীর’ বলে খ্যাত কাদের সিদ্দিকী এখনও ১৮ দলের সঙ্গে একাত্ম না হলেও তিনি যে ঐ পথেই হাঁটছেন, সেটা বোঝা যায় তার এক সাম্প্রতিক বক্তৃতা থেকে। কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের এক সভায় ভবিষ্যদ্বাণী করে তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে ৩০টির বেশি আসন পাবে না। আওয়ামী লীগের ভরাডুবি নিয়ে আগাম বক্তব্য দিলেও আগামী নির্বাচনে তার দল কতটি সিট পাবে সে সম্পর্কে কিছু বলেননি কাদের সিদ্দিকী। তবে এটা বলেছেন যে, আগামী নির্বাচনে তার ‘গামছা’ ছাড়া দুই নেত্রীর কেউই পার পাবেন না।
প্রশ্ন হলো, কাদের সিদ্দিকী কি দুই নেত্রীকে ‘পার’ করার মিশনে আছেন নাকি এক নেত্রীর প্রতি তার বিশেষ পক্ষপাত আছে? কাদের সিদ্দিকী ঐ সভাতেই বলেছেন, ‘আগামী পাঁচ বছর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে মসজিদে গান-বাজনা ও বাদ্যযন্ত্র বাজবে।’ বেগম জিয়া একবার বলেছিলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গেলে মসজিদে আজানের বদলে উলুধ্বনি শোনা যাবে। কাদের সিদ্দিকী এবার তাকে টেক্কা দিলেন। এ ধরনের চরম উস্কানিমূলক বক্তব্য কি কাদের সিদ্দিকী শুধু বেগম জিয়ার কৃপাধন্য হওয়ার জন্য দিয়েছেন, নাকি এর পেছনে আরো বিশেষ কোনো উদ্দেশ্য আছে? ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করার সোল এজেন্ট এতদিন কেবল মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তিদেরই মনে করা হতো। এখন দেখা যাচ্ছে, ‘মুক্তিযোদ্ধা’ কাদের সিদ্দিকীও সেই দলেই নাম লিখিয়েছেন। জামায়াতের সঙ্গে বিএনপি’র নেতৃত্বে জোটে শরিক হতে আপত্তি ছিল কাদের সিদ্দিকীর। এখন জামায়াতের চেয়ে উগ্র সাম্প্রদায়িক বক্তব্য দিয়ে কাদের সিদ্দিকী তার অবস্থান পরিবর্তনের কথাই কি জানান দিলেন? একইসঙ্গে আগামী নির্বাচনে ধর্ম নিয়ে কি ধরনের প্রচার-অপপ্রচার চলবে, তার সামান্য ইঙ্গিতও সম্ভবত কাদের সিদ্দিকী দিয়েছেন।
সব মিলিয়ে আগামী নির্বাচনে পক্ষ বাছাই করতে যদি ভুল করা হয়, তাহলে কোন্ পরিণতির দিকে দেশ যাবে— এটা বুঝতে খুব অসুবিধা হচ্ছে কি?
লেখক : সাংবাদিক ও কলাম লেখক
ই-মেইল : [email protected]
