হার্ট অ্যাটাকের মারাত্মক ঝুঁকির কারণে বাজার থেকে ভায়োক্স নামক ব্যথা নাশক ওষুধ প্রত্যাহার করা হয়েছে বেশ আগে। এবার বিশেষজ্ঞগণ গবেষণায় দেখেছেন শুধু ভায়োক্স নয়, দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ মাত্রার আইব্রুফেন অথবা ডাইক্লোফেনাক সোডিয়াম জাতীয় ব্যথানাশক সেবনেও হার্ট এ্যাটাকের ঝুঁকি রয়েছে। নন স্টেরয়ডাল পেইন কিলার হিসাবে পরিচিত এসব ওষুধের শুধু হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি রয়েছে তাই নয়, স্ট্রোক অথবা রোগীর মৃত্যু ঝুঁকিও অনেক বেশী। বিশ্বের সবচেয়ে প্রেস্টিজিয়াস মেডিক্যাল জার্নাল ল্যানসেটে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সার্ভিস ইউনিটের গবেষক কলিন বেইজেস্ট উল্লেখ করেছেন ফক্সিবল, আইব্রুফেন ও ডাইক্লোফেনাক ওষুধের একই ধরনের ক্ষতি হয়। তবে পেশীর ব্যথায় স্বল্পমাত্রায় এধরনের ওষুধের তেমন ঝুঁকি নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ ব্যাপারে ব্রিটেনের ওয়ার্ন উইক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল ফার্মাকোলজির প্রফেসর ড: ডোনাল্ড সিঙ্গার এর অভিমত: ব্যথানাশক নিয়ে গবেষণায় যে বার্তাটি দেয়া হয়েছে তা হচ্ছে রোগী ও চিকিত্সকদের শক্তিশালী ব্যথানাশক সেবন ও ব্যবস্থাপত্র দেয়ার আগে এবং ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে ভাবা উচিত। আর ডাক্তারদের উচিত সব ধরনের ব্যথানাশক ওষুধ সম্পর্কে ব্যবস্থাপত্র দেয়ার সময় এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে রোগীদের অবহিত করা। যদিও বেশিরভাগ চিকিত্সক একাজটি করেন না।
লেখক : চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ
