মাথা গলাবে না দুদক

আপডেট : ০৬ জুন ২০১৩, ২১:৫৭
মোহাম্মদ আশরাফুলের পরিণতি কী হতে যাচ্ছে, এ নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। ক্রিকেটীয় শাস্তির বাইরে তার সম্ভাব্য আইনি পরিণতি নিয়েও ভাবছেন বিশেষজ্ঞরা। এরই অংশ হিসেবে অনেকের অনুমান আশরাফুল ও বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অনিয়মে হয়তো মাথা গলাতে পারে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কিন্তু ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকইনফো দুদক চেয়ারম্যান গোলাম রহমানকে উদ্ধৃত করে লিখেছে, তাদের এই ঘটনায় সম্পৃক্ত হওয়ার ইচ্ছা নেই। এছাড়া একই প্রতিবেদনে দেশের খ্যাতনামা আইনজীবীরা দ্বিধাগ্রস্ত মতামত দিয়েছেন এই ব্যাপারে দেশের প্রচলিত আইনের ব্যবহার প্রসঙ্গে। দুদকের সম্ভাব্য সম্পৃক্ততার কথা অনেকটা উড়িয়ে দিয়ে গোলাম রহমান বলেছেন, ‘ক্রিকেটের তো একটা নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা আছে—ক্রিকেট বোর্ড। এই সংস্থার তার নিজের ভূমিকাটাই পালন করা উচিত। আমরা যদি প্রতিটা ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করি, তাহলে এসব সংস্থার ভূমিকা সংকুচিত হয়ে যায়। যাই হোক, বিসিবি যদি এটা সামাল দিতে না পারে, তাহলে আমরা হয়তো জড়িত হতে পারি।’ দুদক জড়িত হোক আর নাই হোক; এখন আলোচনার একটা বড় ব্যাপার হল—এই ম্যাচ ফিক্সিং বা স্পট ফিক্সিং কী আসলেই বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে অপরাধ বলে গণ্য হবে। এ ব্যাপারে দ্বিধাবিভক্ত মতামত আছে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে। কেউ কেউ বলছেন, এই ধরনের অপরাধে প্রচলিত আইনের প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতা বিষয়ক ঘারাগুলোই যথেষ্ট। আবার অনেকে বলছেন, প্রতারণা বিষয়ক আইনে এই ফিক্সিং অপরাধ প্রমাণ করা কঠিন হবে। এ জন্য বরং দরকার নতুন আইন।