চাঁদপুরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নিত্যদিন মেঘনা-পদ্মা পাড়ি

আপডেট : ০৮ জুন ২০১৩, ২১:৪১
এখন বর্ষা সমাগত। পদ্মা-মেঘনা উত্তাল হয়ে উঠেছে অথচ প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ইঞ্জিনচালিত নৌকা ও ট্রলারে পদ্মা-মেঘনা নদীতে যাতায়াত করছে জেলার ৩টি উপজেলার কয়েকশ নারী-পুরুষ ও শিশু। চাঁদপুর সদর, মতলব উত্তর ও হাইমচর উপজেলার পশ্চিমে রয়েছে মেঘনা-পদ্মা নদী। আর এ দুইটি নদীর বিভিন্ন স্থানে, বিশেষ করে মেঘনার পশ্চিম পাড়ে জেগে উঠেছে ৩০/৪০টি ছোট-বড় চর। এসব চরাঞ্চলে দেড় থেকে দুই লক্ষ লোকের বসবাস। এখানে স্কুল, মাদ্রাসা, বিভিন্ন হাটবাজার গড়ে উঠেছে। এসব চরাঞ্চলের ৯০ ভাগ লোক জেলে, মত্স্যজীবী ও কৃষক। প্রতিদিন চাঁদপুর, মতলব ও হাইমচর থেকে ২০/২৫টি ইঞ্জিনচালিত নৌকা বা ট্রলার রাজরাজেশ্বর, চরকাশি, চরওমেদ, চরফ্যাশন, বোরচর, ইশানবালা, ৬ষ্ঠখণ্ড বোরচর, আলুর বাজার, আলগী প্রভৃতি চরে চলাচল করে। শত শত নারী-পুরুষ ও শিশু জীবনের ঝুঁকি জেনেও পদ্মা-মেঘনার ১০/১২ মাইল পূর্ব-পশ্চিম পাড়ি দিচ্ছে। এসব নৌকায় ৯০-১৫০ জন পর্যন্ত লোক ঠাসাঠাসি করে উঠে। তার উপর আবার রয়েছে বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী। চরাঞ্চলের লোকজনের সাথে আলাপ করে, বিশেষ করে চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেস্বর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন, মতলব উত্তর উপজেলার এখলাসপুর ইউপি চেয়ারম্যান মুরাদ হোসেন জানান, গত ৩ বছরে মেঘনা-পদ্মায় ৮টি নৌকা ও ট্রলার ডুবে গেছে। এতে ১২ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং বহু টাকার দ্রব্যসামগ্রী নদীর তলদেশে হারিয়ে গেছে। তবুও এ মেঘনা-পদ্মা বাধ্য হয়ে ইঞ্জিনচালিত নৌকা দিয়ে পাড়ি দিতে হচ্ছে।