নিজ মাঠে হোঁচট খেলো আর্জেন্টিনা

আপডেট : ০৮ জুন ২০১৩, ২১:৪২
আর্জেন্টিনাকে নিজ মাঠে ড্রয়ে বাধ্য করলো কলম্বিয়া। যদিও বুয়েন্স এয়ার্সের এস্তাদিও মনুমেন্টালে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ বাছাইয়ের খেলাটিতে দুদলকেই সাজঘরে ফিরতে হয় দশজনের দলে পরিণত হয়ে। ব্রাজিলে আগামী বছর অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বের জন্য গত শুক্রবার দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের খেলায় পয়েন্ট খোয়ানোর পরও পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষেই আছে লিওনেল মেসির দল। তবে এ রাউন্ডের খেলায় চিলি ২-১ গোলে প্যারাগুয়েকে হারিয়ে চতুর্থ স্থানে উঠে আসে। অপরদিকে ইকুয়েডোর ১-০ গোলে পেরুতে হারলেও দ্বিতীয় স্থানে থাকা কলম্বিয়ার চাইতে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে। দক্ষিণ আমেরিকা থেকে শীর্ষ চারটি দল সরাসরি খেলবে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে। অপরদিকে পঞ্চম স্থান পাওয়াদের ব্রাজিলের টিকেট পেতে হলে এশিয়ার পাঁচ নম্বর দলের বিরুদ্ধে প্লে-অফে জিততে হবে। মেসি এদিন ৫৭ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেও দলকে জেতাতে পারেননি। অবশ্য তার আগেই লাল কার্ড পেয়ে মাঠ থেকে বহিষ্কার হন স্ট্রাইকার গঞ্জালো হিগুয়েন। প্রথমার্ধের মাঝামাঝিতে অতিথি কলম্বিয়ার ক্রিস্টিয়ান জাপাটার সাথে সংঘর্ষের কারণে দুজনকেই মাঠ ছাড়া হতে হয়। এছাড়া দ্বিতীয়ার্ধে সার্জিও অ্যাগুয়েরোর দুটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল করে দেন রেফারি। আর্জেন্টিনা ইতিবাচকভাবে খেলা শুরুর পরও মূলত রেফারিই খেলাটির প্রাণ কেড়ে নেন। নইলে এর আগে বিশ্বকাপের বাছাই পর্বেই প্রথম লেগের খেলায় আর্জেন্টিনা ২-১ জিতেছিল কলম্বিয়ার মাঠে। কিন্তু ১৯৯৮ সালে ফ্রান্স বিশ্বকাপের পর আর চূড়ান্ত পর্বে উঠতে না পারা কলম্বিয়ারা এদিন বিপক্ষের মাঠে মরিয়া মনোভাব নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। আর্জেন্টিনার পরবর্তী খেলা ইকুয়েডোরের মাঠে। মেসিকে এ খেলাটির জন্য পাওয়া যাবে কিনা তা আগেভাগে নিশ্চিত করতে পারেননি আর্জেন্টিনা কোচ আলেসান্দ্রো সাবেলা। শেষ পর্যন্ত উরুর ইনজুরির কারণে ১২ মের পর এদিনই প্রথম মাঠে নামেন চারবারের ব্যালন ডিঅ’র জয়ী জাদুকরী ক্ষমতার খেলোয়াড়টি। খেলা শেষে তিনি নিজেই বলেন, ‘আমি ফিট নই। আজ আমি কিছুটা খেলতে পেরেছি। তবে আমি জানি না আমার পায়ের অবস্থা কি দাঁড়াবে।’ এদিকে এডওয়ার্দো ভারগাস ও আরটুরো ভিডাল গোল করে চিলিকে গত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট ও কোপা আমেরিকার বর্তমান চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ের ওপরে নিয়ে আসেন চিলিকে। প্যারাগুয়ের গোলটি করে রোক সান্তাক্রুজ। এ খেলাগুলোর পর আর্জেন্টিনা ১২ খেলায় ২৫ পয়েন্ট পেল। এছাড়া কলম্বিয়া ও ইকুয়েডোর ২০ পয়েন্ট করে পেয়েছে। অপরদিকে চিলির অর্জন ১৮ পয়েন্ট।