লিওনেল মেসি গত মঙ্গলবার বিশ্বকাপ বাছাইয়ে স্বাগতিক ইকুয়েডরের সাথে ১-১ গোলে ড্রয়ে হতাশ হলেও জানিয়েছেন দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের প্রতিদ্বন্দ্বিতার নিয়ন্ত্রণ এখনো তাদের হাতেই রয়েছে।
সার্জিও অ্যাগুয়েরো চতুর্থ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু স্বাগতিকরা স্বল্প সময়ের মধ্যেই সমতাসূচক গোল আদায় করে নেয় সেগুন্ডো ক্যাসটিলোর দারুণ নৈপুণ্যে।
আর্জেন্টিনা দ্বিতীয়ার্ধে ইকুয়েডরের রক্ষণব্যুহ ভেদ করতে পারেনি। তাই আলেসান্দ্রো সাবেলার দলকে এক পয়েন্ট পেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়। দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের পয়েন্ট টেবিলে অবশ্য আর্জেন্টিনা এখনো দ্বিতীয় স্থানে থাকা কলম্বিয়ার চেয়ে তিন পয়েন্টে এগিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে। কলম্বীয়রা অবশ্য একটি ম্যাচ কম খেলেছে।
সতীর্থ অ্যাগুয়েরোর বদলি হিসেবে ৬১ মিনিটে মাঠে নামা মেসি মনে করেন পাঁচটি ড্র আর্জেন্টিনার জন্য বেশি হয়ে গেছে। তিনি বলেন, ‘ম্যাচ জয়ের সবকিছুই আমাদের মধ্যে ছিল, তারপরও আমরা ড্রয়ে অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছি। আমরা প্রথমার্ধে যথেষ্ট ফাঁক-ফোকর পেলেও সুযোগ কাজে লাগাতে পারিনি। তারপরও আমরা বাছাই থেকে উত্তীর্ণ হওয়ার পথে। সেটাই আসল। তিনি আরো বলেন, ‘আমরা প্রথম গোলটি তাড়াতাড়িই পেয়েছিলাম। এখানে (ইকুয়েডোর) খেলা খুব কঠিন। এরপর তো তারা সমতা আনল।’
ইকুয়েডোরের এস্তাডিও অলিম্পিকো আতাহুয়ালপা স্টেডিয়ামটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৮০০ মিটার ওপরে অবস্থিত। গোলদাতা অ্যাগুয়েরোও স্বীকার করেন যে আর্জেন্টিনার খেলায় উচ্চতাও প্রভাব ফেলেছে। এরপরও তিনি ইকুয়েডোরের খেলার প্রশংসা করেন। দলটি আগামী বছর ব্রাজিলে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে পৌঁছানোর কাছাকাছি রয়েছে।
এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হলো দ্রুত ও কষ্ট করে নিঃশ্বাস নিতে হচ্ছিল। যদিও শেষটা ভালো হয়েছে। আমার মনে হয় এমন উচ্চতায় খেলাটা কঠিনই। ইকুয়েডোরিয়ানরা শারীরিকভাবে শক্তিশালী এবং তাদের এখানে হারানো কঠিন।’
