বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ২০১৩-২০১৪ সালের প্রস্তাবিত বাজেট প্রসঙ্গে যে মন্তব্য করেছেন তার সাথে আমরা একমত পোষণ করছি। বাজেটে অন্যান্য বিষয় থেকে নিউজপ্রিন্টের বিষয়টি অন্যতম। এই নিউজপ্রিন্টের ওপর আমদানি শুল্ক বিদ্যমান ৩ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশ উন্নীত করার প্রস্তাব মোটেই যৌক্তিক নয়। এ প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে দেশের সংবাদপত্রশিল্প নিশ্চিতভাবে সংকটে পড়বে।
কাউছার আকন্দ
মতিঝিল, ঢাকা
এই বিশাল বাজেট লুটপাটের জন্য উক্তিটি বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া করেছেন, তা সত্য বলে আমি মনে করি।
রিফাত
এইচএসসি পরীক্ষার্থী, ঝিনাইদহ
বিগ বাজেট আর বিউটি ফুল বাজেট— যেটাই বলা হোক না, সেটি মোটেই ঠিক নয়। আমরা মনে করি, বিরোধী দলীয় নেত্রী যে উক্তি করেছেন সেটা কোন অংশেই ভুল নয়।
লাড্লা
আজিমপুর, ঢাকা
বিরোধী দলীয় মন্তব্যের সাথে একমত হতে পারলাম না। ২০১৩-১৪ অর্থবছরের বাজেটে অনেক কিছু ছাড় দেয়া হয়েছে। তবে বাড়িভাড়ার পরিমাণ বাড়ানোটা মধ্যবিত্তের জন্য একটা বিষয়। সমঝোতা করা হয়েছে কালো টাকার মালিকদের সাথে। ইনকাম ট্যাক্স ও কোটিপতিদের সম্পদের ওপর সারচার্জ আয়ের বৈষম্য কমাতে চাওয়া হয়েছে।
আবদুল মালেক মিয়া
মিরপুর, ঢাকা
বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০১৩-১৪ অর্থ বছরের বাজেটের ওপর যে মন্তব্য করেছেন তা সম্পূর্ণ ঠিক নয়। এবারের বাজেট হচ্ছে সব দিক থেকে সামঞ্জস্যপূর্ণ। যখন যে দল ক্ষমতায় থাকবে তখন বিরোধী দলের এই বাজেট পছন্দ হবে না— এটাই সত্য।
শিশির
আজিমপুর, ঢাকা
বিরোধী দলীয় নেত্রীরা যথার্থই বলেন— বিশাল বাজেট লুটপাটের জন্য হয়। তিনি তো ভালোভাবেই জানেন কিভাবে লুটপাট করা যায়। যেহেতু তিনি বিগত ৩ বার ক্ষমতায় ছিলেন। আসলে কথা হলো যে, চোরেরা চোর ধরতে জানে। সবাই ক্ষমতায় গেলে লুটপাট করে। কারোর পাল্লা ভারি আর কারোর পাল্লা হালকা। আমরা সাধারণ জনগণ আমাদের করার কিছুই নেই। আমরা সব দিকেই নিপীড়নের শিকার।
তাহমিনা আক্তার মিনু
ভাণ্ডারিয়া, পিরোজপুর
বিরোধী দলীয় নেত্রীর উক্তি ঠিক নয়। তিনি একজন সচেতন মানুষ হয়ে এরকম উক্তি করতে পারেন না। বাজেট পেশ করা হয় জনগণের জন্য, লুটপাট করার জন্য নয়। তাহলে তিনিও তো এক সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তাহলে তার আমলে কি লুটপাট করেছিলেন বলেই কি তিনি এখন বলছেন বাজেট দিচ্ছে লুটপাট করার জন্য।
জসিম উদ্দিন
পুরান থানা, কিশোরগঞ্জ
লুটপাট করার জন্য বাজেট প্রণয়ন করার কোন দরকার পড়ে না। লুটপাট করার ইচ্ছা থাকলে নানা ধরনের ফন্দি-ফিকির করে লুটপাট করা সম্ভব। বাজেট প্রণয়নের সাথে লুটপাটের কোন সম্পর্ক নেই। আমাদের দেশের রাজনৈতিক চরিত্র অতটা উন্নতি হয়নি বলেই এই ধরনের বক্তব্য শোনা যায়। আসলে কোন দায়িত্বশীল ব্যক্তি এই ধরনের মন্তব্য করতে পারেন না। যিনি এই মন্তব্যটি করেছেন তিনিও এ দেশের বেশ কয়েক মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তার অধীনে সেই সময়ের অর্থমন্ত্রী মহোদয় বেশ কয়েকবার বাজেট পেশ করেছেন। সেসব বাজেট তখনকার সময়ে ছিল বৃহত্ বাজেট। তখন কিন্তু লুটপাটের কথা ওঠেনি। আমরা তাই দায়িত্বশীল নেতা-নেত্রীর কাছ থেকে সংযত এবং মার্জিত মন্তব্য আশা করি। মনে রাখা দরকার, এ দেশ ষোল কোটি মানুষের। ষোল কোটি মানুষের দেশ বলেই আমরা মনে করি, কমপক্ষে শতকরা দশ ভাগ সচেতন মানুষ আছে যারা অন্যায় এবং অসত্ কোন উদ্দেশ্যকে সমর্থন দেবো না। এই দশ পার্সেন্ট মানুষেই গণতান্ত্রিক ভাষায় কথা বললে দেশের চেহারা পাল্টে যাবে। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, মানুষ এখন অধিক সচেতন এবং যথেষ্ট যুক্তিপূর্ণ কথা ভেবে-চিন্তে বলেন। আজকালকার যুগে কমপক্ষে যারা টেলিভিশনের টক শো দেখেন তারা অনেক সচেতন এবং রাজনৈতিক প্রজ্ঞা অর্জনকারী মানুষ। সুতরাং কোন ভয় নেই কেউ বাজেট পেশ করে লুটপাট করে খেতে পারবে।
ওয়াহিদ মুরাদ
নেছারাবাদ, পিরোজপুর
বেগম খালেদা জিয়ার এই বক্তব্য সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি মনে করি, বিশাল এই জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য মৌলিক অধিকারগুলো বাস্তবায়নের জন্য বিশাল বাজেট দেয়াই স্বাভাবিক। অতি উচ্চাভিলাষী ও নির্বাচনমুখী বাজেট বটে কিন্তু দায়িত্ববোধ, সততা, আন্তরিকতা ও নিষ্ঠা নিয়ে বাজেট বাস্তবায়ন করলে তা হবে দেশ ও জাতির জন্য কল্যাণকর ও মঙ্গলজনক।
আরিফুর রহমান আরিফ
সেনবাগ, নোয়াখালী
বাংলাদেশের বর্তমান ২০১৩-১৪ অর্থবছরের জন্য যে বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে তা নিয়ে যেসব কথাবার্তা চলছে তা আসলে মুখ্য বিষয় নয়। এর বাস্তব প্রয়োগ কতটুকু হচ্ছে সেটাই বড় কথা। সাবেক প্রধানমন্ত্রী যে মন্তব্য করেছেন তা ঠিক নয়। কারণ বাজেট বড় হলেই যে লুটপাট হবে আর ছোট হলে লুটপাট হবে না এর কোন নিশ্চয়তা নেই। যদি লুটপাটের উদ্দেশ্য থাকে তাহলে এক টাকার মধ্যেও লুটপাটের ভাগাভাগি নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। আর যদি উদ্দেশ্য মহত্ থাকে তাহলে দেশের উন্নয়নের স্বার্থে বাজেট আরো অধিক হওয়া প্রয়োজন। স্বাধীনতার সময় বাংলাদেশের লোকসংখ্যা ছিল মাত্র ছয় কোটি। বর্তমানে প্রায় সতের কোটিতে উন্নীত হয়েছে। তত্কালীন বাজেট ছিল পাঁচ শ’ কোটি। সেই তুলনায় বর্তমান বাজেট বড় কিছু হয়নি। দেশের স্বার্থে, জাতীয় স্বার্থে সুষম বণ্টনের মাধ্যমে এর বাস্তব প্রয়োগ করতে পারলেই জাতীয় উন্নতি সাধিত হবে ইনশাল্লাহ।
আলহাজ মো. হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী হিফজু
হাউজিং স্টেট, রাজশাহী
অর্থমন্ত্রীর স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ২০১৩-১৪ সালের বাজেট উচ্চাভিলাষী এতে কোন সন্দেহ নেই। বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উক্তি ‘এই বিশাল বাজেট লুটপাটের জন্য’। তাঁর এই উক্তি অমূলক নয়। এই উক্তিতে প্রমাণ করে সব সরকারের বাজেটেই লুটপাটের ঘটনা ঘটে। জনগণের কষ্টের টাকায় চলে সরকার এবং রাষ্ট্র। জনগণের কষ্টার্জিত টাকা যদি লুটপাট হয় তাহলে তো লুটপাটকারীদের চিহ্নিত করা আবশ্যক। এজন্য শাসক ও বিরোধী দলের উচিত লুটপাটকারীদের ছাড় না দিয়ে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা। উভয় দল যদি লুটপাটকারীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় না দেন তাহলে লুটপাটকারীদের লুটপাট করার সুযোগ থাকবে না। সুতরাং শাসক দল ও বিরোধী দলের উচিত এখন থেকে লুটপাটকারীদের প্রতি দৃষ্টি রাখা। এতে দেশের মঙ্গলসহ জাতিও উন্নত হবে।
শাহ্ মো. হেলাল উদ্দিন হিরু
কালীহাতি, টাঙ্গাইল
বাজেট সংশোধনের সুযোগ আছে তবে সংশোধনের জন্য যুক্তিসংগত কারণ পেশ করতে হবে। বিরোধী দল সারা বছর সংসদের বাইরে থেকে সভা-সমাবেশ নিয়ে রাজপথে ব্যস্ত থেকেছে। ফলে দেশবাসীর ও দেশের অনেক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। জনগণের ও দেশের মঙ্গলের জন্য সংসদে যোগ দিয়ে আলোচনায় সহায়তা করার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তখন সংসদে যোগ দেননি। এখন এই বিশাল বাজেট লুটপাটের জন্য বলে লাভ কী। প্রতি বছর বাজেট পেশ করলে বা হলে বিরোধী দল এরূপ মন্তব্য করে থাকে। তবে দেশবাসীর এতে কোন সুফল আসে না।
আশা এলিজাবেত গোমেজ
লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা-১০০০
বিরোধী দলীয় নেত্রীর উক্তিটি মোটেই ঠিক নয়। তিনিও তো একসময় সরকারি দলে ছিলেন। সুতরাং বাজেট সম্পর্কে ভেবে-চিন্তে কথা বলাই ভালো।
বিপ্লব আলম
উর্দু রোড, লালবাগ, ঢাকা
বিশাল বাজেট নিয়ে বিরোধী দলীয় নেত্রী যে উক্তি করেছেন—ঠিকই বলেছেন। বর্তমান সরকার তাদের নির্বাচনী প্রচারণার জন্য এই বাজেট করেছেন। সুতরাং বাজেট সংশোধনের এখনো সময় আছে।
শাহীন
ডিওএইচএস, মহাখালী, ঢাকা
বর্তমান সরকার ২০১৩-১৪ সালের যে বাজেট পেশ করেছেন তা ঠিক আছে বলে আমরা মনে করি। তবে এই বাজেটকে সুষ্ঠুভাবে কাজে লাগাতে হবে।
নাসরিন সুলতানা
স্যানি সাইড, নিউইয়র্ক
অর্থমন্ত্রী ২০১৩-২০১৪ সালের যে বাজেট পেশ করেছেন তা অত্যন্ত সময়োপযোগী বাজেট। বিরোধী দলীয় নেত্রী যে মন্তব্য করেছেন তা ঠিক নয়।
নার্গিস
লালবাগ, ঢাকা
‘এই বিশাল বাজেট লুটপাটের জন্য’— বিরোধী দলের নেত্রীর এ মন্তব্যের সাথে আমরা একমত হতে পারলাম না।
জুয়েল
বাড্ডা, ঢাকা
বাংলাদেশে আগামী ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। এর ভুল-ত্রুটি সংশোধনের সুযোগও আছে।
সাইফুল
এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা
দেশের অর্থনীতিবিদ থেকে সাধারণ মানুষ পর্যন্ত সবাই বলছেন এ বাজেট বাস্তবায়ন হবে না। যেহেতু ৫৫ হাজার কোটি টাকার বাজেট, কোথা থেকে পূরণ হবে সেটাই এখন ভাবনার বিষয়।
ফারুক আলম
মালিবাগ, ঢাকা
বেগম খালেদা জিয়া ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট সম্পর্কে যথার্থই মন্তব্য করেছেন। আসলেই এই বাজেট আওয়ামী লীগ সরকারের নির্বাচনী স্বার্থ হাসিলের বাজেট। এছাড়া কিছুদিন আগে বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. আকবর আলী খানও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, এবারের বাজেটের অর্থ দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাচনী ফায়দা হাসিল করতে পারেন। এজন্য তিনি নির্বাচন কমিশনকে সতর্ক থাকতে বলেছেন। আমরাও আশঙ্কা করছি যে, আওয়ামী লীগ সরকার এই বাজেটের অর্থ দিয়ে আগামী নির্বাচনী বৈতরণী পার করতে পারেন। তাই আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
মো. শহিদুর রহমান
কাকিনা, মনিরহাট
বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচনের আগে সর্বশেষ বাজেট প্রণয়ন করা হয় ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীদের তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে।
মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম টিপু
সেনবাগ, নোয়াখালী
জাতীয় সংসদে গত ৬ জুন মাননীয় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বাজেট পেশ করেছেন। বিরোধী দল বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন এ বাজেট লুটপাট করার বাজেট। আসলে তাঁর কথাগুলো আদৌ ঠিক নয়। বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় থাকাকালে তারা যে বাজেট দিয়েছিল তা ছিল ধনীকে আরো ধনী আর দরিদ্রকে আরো দরিদ্রতায় ঠেলে দেয়ার বাজেট —অর্থ লুটপাট করার জন্য বাজেট। তারা শুধু অর্থ লুটপাটই করেননি, জনগণের কাছেও চাঁদাবাজি করেছিল। বর্তমান বাজেট বাস্তবায়ন যোগ্য। এ বাজেট বাস্তবায়ন করা গেলে নিশ্চয়ই দেশের উন্নয়ন হবে। আর যারা বাজেট নিয়ে হৈচৈ-হুল্লোড় করছে তারা কারা? রাজাকার ও তাদের দোসর বিএনপি। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ বাজেটের অর্থ লুটপাট করতে পারে না। যারা করেছিল তারা ঐ জঙ্গী বাংলাভাই বাহিনীর উত্থানদাতারা। বাজেট নিয়ে যারা আবোল-তাবোল বলছে তারা কোনদিনই জনগণের মঙ্গল চাচ্ছে না। জনগণের উচিত হবে অর্থমন্ত্রী যত বড়ই বাজেট পেশ করুক না কেন এই বাজেট করার জন্য আবারও গণতান্ত্রিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনা।
ফারুক আহমেদ
বাগমারা, রাজশাহী
দেশের দরিদ্র অসহায় মানুষের সামাজিক নিরাপত্তামূলক চলমান কর্মকাণ্ডে বরাদ্দ বৃদ্ধি যথেষ্ট নয়। ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যে মন্তব্য করেছেন তা ঠিক বলে আমরা মনে করি। যদি বাজেট ঠিকমত বন্টন না হয় তাহলে অসহায় মানুষ চিরকালই অসহায় থেকে যাবে।
আইরিন সুলতানা সন্জু
ধুপপুর, মাইজপাড়া
নির্বাচনী বছরের বিশাল চাপ মেনে প্রায় সোয়া দুই লাখ মোটি টাকার বড় আকারের বাজেট তৈরি করেছেন সরকার। আশাবাদী হবো আমরা যদি ঠিকমত বণ্টন বা বাস্তবায়ন করা হয়। আমরা জানি সরকারের আমলেই দুর্নীতি লুটপাট হয় এবং হয়েছে। সুতরাং কোন সরকারকে স্বচ্ছ সরকার বলা যাবে না। বিরোধী দলীয় নেত্রী বাজেট নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন তা ঠিক নয়।
হোসনে আরা নীলু
এনায়েতগঞ্জ লেন, ঢাকা
দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট দিলেন মাননীয় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এই বাজেট দৈর্ঘ্যে বড় আকারে বিরাট এবং প্রতিশ্রুতিতেও বিশাল। এখন কথা হচ্ছে ২০১৩-১৪ অর্থবছরের এই বাজেট কতটুকু ঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। যদি না হয় তাহলে বিরোধী দলের নেত্রীর কথাটি মিলে যাবে। তাই আমরা চাই বাজেট যথার্থভাবে বাস্তবায়ন হোক।
নীলুফা আক্তার
টোলারবাগ, মিরপুর, ঢাকা
অর্থমন্ত্রী ঘোষিত ২০১৩-২০১৪ সালের প্রস্তাবিত ‘বাজেট’ এ যাবত্কালের সর্বাপেক্ষা ঢাউসাকৃতির। টাকার পরিমাণ ২,২২,৪৯১ কোটি টাকা। যার কভারেজ লক্ষ্যমাত্রা, রাজস্ব আহরণের মাধ্যমে বাস্তবায়ন সম্ভব বলে অর্থমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এবং স্ববিরোধী কথাও বলেছেন। যার পরিপ্রক্ষিতে একটা জোক মনে পড়ে গেল—গ্রামের এক কৃষকের ছাগল ছিল, ছাগলটির প্রসবকালীন সময়ে জটিলতা দেখা দিলে কৃষক বলছে, আল্লাহ ভালোই ভালোই হয়ে গেলে আমি একটা হাতি কুরবানি দেবো। তাত্ক্ষণিক কৃষাণী বললো, এটা কী করে সম্ভব? কৃষক বললো, আগে হতে দাও না, পরেরটা পরে দেখা যাবে। বাজেটের পরে দেখা যাবে বলে মনে হয়েছে, কারণ টাকার অংকে লম্বা বাজেট বাস্তবায়নের প্রথম ও প্রধান সমস্যা রাজনৈতিক অস্থিরতা। যা অর্থমন্ত্রী নিজেই স্বীকার করেছেন। যেমন বলেছেন, আমার সবক’টি বাজেটই জনতুষ্টিমূলক। সম্পদ আহরণে খুব একটা অসুবিধা হবে না। কালো টাকার সুযোগ দেয়া বড় আপস নয়। অথচ বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী নিজেই বলেছেন, সংঘাত, সংঘর্ষ, যুদ্ধাপরাধের বিচার এবং তার প্রতিক্রিয়ায় সৃষ্ট ঘটনা প্রবাহে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। অনেকেই যখন নির্বাচনী বাজেট বলেছেন, তখন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বাজেটকে লুটপাটের বাজেট বলে উল্লেখ করেছেন। আবাসনখাতে কালো টাকা সাদা করার লন্ড্রি প্রকল্প ও পদ্মাসেতু নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়নের বিলাসী প্রকল্পে লুটপাটের মোঘলতোরণ খুলে যেতে পারে। আমাদের অভিমত হলো, বাজেট সোনার পাথর বাটি। কালো টাকার ভারে সাধারণ জনগণ যেখানে চিড়েচ্যাপ্টা হয়ে যাচ্ছে, তখন অর্থমন্ত্রী কালো টাকার বেপারিদের প্রতি একটু অনুদার হলে ভালো হতো।
মুরাদ হোসেন
মধুখালী, ঝিকরগাছা, যশোর
মাননীয় অর্থমন্ত্রী নিজেই বলেছেন, আমার বাজেট সবসময়ই উচ্চভিলাষী এবং জনতুষ্টির হয়। পূর্বের বাজেটগুলোতে আমরা কতটা সুফল পেয়েছিলাম? তিনি ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরের জন্য ব্যয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ কোটি টাকা। এর মধ্যে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরেছেন ১ লাখ ৬৭ হাজার ৪৫৯ কোটি টাকা। এই হিসাবেও ৫৫ হাজার ৩২ কোটি টাকা ঘাটতি থেকে যায়। তিনি এ ঘাটতি ব্যাংকিংখাত থেকে, বৈদেশিক উত্স হতে ঋণ ও অনুদানের মাধ্যমে পূরণের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। যদি তিনি ব্যাংক ব্যবস্থার উপর নির্ভর করেন তবে বেসরকারি খাতে কিভাবে ঋণ যোগাবেন? এটাই যদি সত্য হয় তাহলে আগামী বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অর্থ সংস্থানের চ্যালেঞ্জ থেকেই গেলো। অর্থসংস্থান যদি না হয় তবে এ উচ্চভিলাষী বাজেট নিঃসন্দেহে মুখ থুবড়ে পড়বে। যার কুফল আমাদের জনগণকেই বহন করতে হবে। যেখানে চলতি অর্থবছরেই আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। সেখানে আগামী অর্থবছরে তিনি কিভাবে রাজস্ব আদায় বাড়াবেন? বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে যদি অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে কোন সরকার দায়িত্ব নেয় সেক্ষেত্রে তিনি রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থার দিকেই বেশি জোর দেবেন। যদি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং নির্বাচিত সরকার যদি ক্ষমতায় আসে। তখন সেই সরকারের উপরই এ বাজেট বাস্তবায়নের দায়ভার বর্তাবে। নতুন সরকারের পক্ষে এ বিশাল বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। এ কারণেই আগামী বছরের বাজেট হওয়া উচিত ছিল সুষ্ঠু ও পরিকল্পনা মাফিক। মাননীয় বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এ বাজেটকে লুটপাটের বাজেট হিসাবে আখ্যায়িত করেছেন। পূর্বের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী তিনি যথার্থই বলেছেন। ইতিমধ্যে অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা এ বাজেটের কঠোর সমালোচনা করেছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন অর্থমন্ত্রী আগামী নির্বাচনের ফলাফল কী হবে তা আঁচ করতে পেরে ধোঁয়াশাচ্ছন্ন বাজেট না দিয়ে জনকল্যাণমুখী বাজেট দিলেই জাতি উপকৃত হতো। শুধু নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার জন্য নয়, আমরা চাই জাতীয় অগ্রগতির স্বার্থে সঠিক বাজেট পেশ এবং তার সুষ্ঠু বাস্তবায়ন।
মো. আবদুল্লাহ আল মামুন
সারিয়াকান্দী, বগুড়া
বর্তমান সরকার তার মেয়াদের শেষ বাজেট হিসেবে ২০১৩-’১৪ সালের বাজেট ঘোষণা করেছে যার পরিমাণ ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ কোটি টাকা তার মধ্যে আয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ১২৯ কোটি টাকা এবং ঘাটতি আছে ৪৮ হাজার ৩৬২ কোটি টাকা। এ বাজেট দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড়। ফলে নিন্দুকেরা এই বাজেটকে ভোটবিলাসী এবং পরাবাস্তব বাজেট হিসেবে আখ্যায়িত করতে মোটেও কুণ্ঠাবোধ করেননি। বাজেটে রবিনহুডি কায়দায় বহু ধরনের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে সত্য, কিন্তু বাস্তবায়নের রূপরেখা সম্পর্কে অনেকটা মৌনতা অবলম্বন করা হয়েছে। অপরদিকে উক্ত বাজেটে কালো টাকার মালিকদের সাথে সখ্যতা চোখে পড়ার মতো, যদিও এই সখ্য দেশের অর্থনীতিতে কোন কালেই সুফল বয়ে আনেনি বলে স্বয়ং বর্তমান অর্থমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট অর্থনীতি বিশেষজ্ঞরা অভিমত ব্যক্ত করেছেন নির্দ্বিধায়। তাছাড়া আন্তর্জাতিক মুদ্রাতহবিলের চাপে সম্ভাব্য অনেক খাতে ভর্তুকি কমানো হয়েছে যার চাপ জনগণের উপর পড়তে বাধ্য। আভ্যন্তরীণ রাজস্ব আদায়ে অর্থমন্ত্রীর আশাবাদ নিয়ে খোদ এনবিআর শঙ্কা প্রকাশ করেছে। কৃষিখাতে ভর্তুকি কমানো এবং স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ কমানোর কুফল জনগণ প্রত্যক্ষভাবে ভুগবে বলে অভিজ্ঞমহল তাদের মূল্যবান মতামত ব্যক্ত করেছেন। ঐ বাজেটের উল্লেখযোগ্য দিক হলো, দেশের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৭৩ হাজার ৯ শত ৭৩ কোটি টাকা। যার মধ্যে পদ্মাসেতু নির্মাণের জন্য বরাদ্দ ৬ হাজার ৮৫০ শত কোটি টাকা (এর মধ্যে দুর্নীতির পরিমাণ নির্ধারণ আছে কিনা তা জানা যায়নি)। মাননীয় সংসদ সদস্যদের জন্য ?আগামী পাঁচ মাসে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে খরচ করার জন্য মাথাপিছু বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩ কোটি টাকা (নিন্দুকেরা বলে ভোটের জন্য বরাদ্দ)। তার বাইরে পল্লী পরিবহন উন্নয়নের জন্য মোট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২৫০ কোটি টাকা (তার মধ্যে হুণ্ডা-গুণ্ডা খাতে কত তা জানা যায়নি)। কৃষিখাতে ভর্তুকির জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৯ হাজার কোটি টাকা (মতিয়া আপা আছেন বলে জনগণের কিছুটা ভরসা আছে)। চর জীবিকায়ন প্রকল্পে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৪৬ কোটি টাকা (অডিট কর্তাব্যক্তিরা অডিটের আওতায় তা আনতে পারবেন কিনা নিন্দুকেরা সন্দেহ পোষণ করছেন)। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর সুবিধাভোগীদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৭৩ কোটি টাকা (এই বেষ্টনীতে আর কারা কারা ঢুঁ মারবে তা কেউ হলফ করে বলতে পারছে না)। পুঁজিবাজারে ক্ষতিগ্রস্তদের সুবিধা দিতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৯০০ কোটি টাকা (যদিও আমাদের বর্তমান অর্থমন্ত্রী মহোদয় পুঁজিবাজার বোঝেন না বলে অকপটে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন)। আভ্যন্তরীণখাত থেকে আয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৩৯ হাজার কোটি টাকা যা চলতি অর্থবছরের আয়ের তুলনায় ২৫% বেশি (কাজেই বর্ধিত কর ও শুল্ক দিতে জনগণকে সাহসের সাথে প্রস্তুত থাকার সতর্ক সংকেত দেয়া গেলো)। কাজেই সর্বদিক বিচার করে “এই বিশাল বাজেট লুটপাটের জন্য” বলে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া যে মন্তব্য করেছেন তাকে একেবারে উড়িয়ে দেয়া যায় না বলে আমরা সর্বসাধারণ মনে করি। ঐ বাজেটে ২০১৩-’১৪ সাল থেকে ২০২০-’২১ সাল নাগাদ জিডিপির প্রবৃদ্ধির ৭.৬% থেকে ক্রমাগতভাবে ১০% ভাগে উন্নীত; দারিদ্র্যের হার কমিয়ে ১৩.৫% ভাগে আনা “যদিও বর্তমানে আমাদের দেশে দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে ৪০ থেকে ৫০ মিলিয়ন লোক” ; মূল্যস্ফীতির হার ৫.২% ভাগে সীমিত রাখার অভিপ্রায় ব্যক্ত করা হয়েছে (কিন্তু আমাদের দেশে সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথে যে সর্ব পর্যায়ে সকল গণেশ উল্টে যায় সে সম্পর্কে কোন অভিপ্রায় ব্যক্ত করার সময় পাওয়া যায়নি)। পরিশেষে বলবো মূলত আমাদের উন্নয়ন ও দারিদ্র্যবান্ধব বাজেট কাম্য, কোন এজেন্ডা বাস্তবায়ন বাজেট নয়।
ভুঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জ
৫ বিসিসি রোড, নবাবপুর,
ওয়ারি, ঢাকা ১২০৩
বাজেটে উচ্চাভিলাষ নিয়ে অনেকেই বিভিন্ন কথা বলছেন। বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ‘এই বিশাল বাজেট লুটপাটের জন্য’ বলে যে উক্তি করেছেন তা সম্পূর্ণ সত্য বলে মনে করি। আমাদের দেশে সমস্যা অনেক রকম। এর মধ্যে এত বড় বিশাল বাজেট কোথা থেকে পূরণ হবে সেটাই এখন বিষয়।
মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল)
আরাপপুর, ঝিনাইদহ
আগামী অর্থবছরের বাজেট নিয়ে বিএনপির নেত্রীর মন্তব্য শতকরা ১০০ ভাগ খাঁটি সত্য। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী যখন আবার বিরোধী নেত্রী হবেন তখন তিনিও বাজেট নিয়ে এই একই মন্তব্য করবেন। কারণ তাঁরা অতি অভিজ্ঞ, তাঁরা জানেন কোন দিক দিয়ে সিঁদ কাটলে গৃহস্থের ধানের গোলা অতিদ্রুত শূন্য করা যায়। যেখানে ক্ষমতাসীন আর বিরোধী দল মিলেমিশে লুটতরাজের ছিদ্র পথ বন্ধ করার প্রয়াসে সচেষ্ট থাকবে, তা না করে বরং ডিজিটাল পদ্ধতিতে কিভাবে আরো দ্রুত লুটপাট করা যায় বা যাবে তারই নতুন পথ উদ্ভাবনে সদা সচেষ্ট। অবস্থাদৃষ্টে এই মুহূর্তে আমার তাই মনে হয়, বাবা বাজেট তুমি সব সরকারের আমলেই বছর বছর নবজন্মে জন্মাও— তুমি কি আশীর্বাদ হয়ে আসো? না অভিশাপ হয়ে আসো? আমরা যে অসহায় জনগণ ফি বছর তোমার যাওয়ার আর আসার পথে পরের বোঝা হওয়া ছাড়া কিছুই দেখি না, কিছুই পাই না? বাবা বাজেট এজন্য তুমি দোষী? নাকি জন্মদাতা দোষী? বাজেট বাবা বলো তোমার মুক্তি আর কতদূর।
লুত্ফর রহমান
এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা
অনেকেই বলছেন বাজেট হচ্ছে বিগ বিউটিফুল বেলুন। আগামী ২০১৩-১৪ সালের যে বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে তা মন্দের ভালো।
সোহাগ
ভাগলপুর লেন, নবাবগঞ্জ, ঢাকা
এই বাজেটে সরকার পদ্মা সেতু নির্মাণে বড় ব্যয় করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। বাস্তবায়ন হলে তো খুবই ভালো। অর্থনীতির জন্য সেটা ইতিবাচক হবে। সুতরাং বিরোধী দলের নেত্রীর বক্তব্যের সাথে একমত হতে পারছি না।
এস কে এম রমিজউদ্দিন
প্রশিকা কেন্দ্রীয় কার্যালয়, মিরপুর, ঢাকা
আগামী ২০১৩-১৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সুশাসনের অভাব রয়েছে অনেক। এই বিশাল বাজেট কিভাবে সমন্বয় হবে সেটা অবশ্যই এখন দেখার বিষয়। বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যে মন্তব্য করেছেন এই বাজেট নিয়ে তার সাথে একমত পোষণ করছি।
সৈয়দা পারভীন সুলতানা
ঝিনাইদহ
‘এই বিশাল বাজেট লুটপাটের জন্য’ বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ২০১৩-১৪ সালের প্রস্তাবিত বাজেট প্রসঙ্গে যে উক্তি করেছেন তা সঠিক নয়। তিনি যখন ক্ষমতায় ছিলেন তখন তার দুই সন্তান আর দলের লোকজন লুটপাট করেছেন। তাই তিনি এ সরকারের সব কাজ বাঁকা চোখে দেখছেন। তাদের কোন ভালো কাজই ভালো চোখে দেখছেন না।
মোহাম্মদ মেজবাহউদ্দিন সেলিম
শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা
আমরা মনে করি ২০১৩-১৪ সালের প্রস্তাবিত বাজেটে শুভঙ্করের ফাঁকি রয়েছে। ব্যাংক থেকে যদি টাকা নেয়া হয় সেখানে তারল্য ঘাটতি হবে। কোটি কোটি টাকা কোথা থেকে আসবে। সুতরাং বাজেটের অনেক কিছু পরিবর্তন করা দরকার।
মুন্সী মো. ওয়াহিদউল্লাহ,
মিরপুর ১, ঢাকা
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ২০১৩-১৪ সালের প্রস্তাবিত বাজেট প্রসঙ্গে যে উক্তি করেছেন তা ঠিক নয়। কারণ তিনি যতটুকুই বুঝেছেন, ততটুকুই বলেছেন। সুতরাং এ বিষয়ে আর কিছু বলার নেই তার।
হাসান মোহাম্মদ হোসেন চৌধুরী
কবিরহাট, নোয়াখালী
জাতীয় বাজেট আমাদের দেশে আর্থিক পরিকল্পনার একটি মাধ্যম। বাজেটের মধ্যেই যে কোন সরকারের কর্মকৌশল প্রতিফলিত হয়ে থাকে। আমরা তাই মনে করি এই ২০১৩-২০১৪ সালের বাজেট সার্থক হবে।
শাওন,
মগবাজার, ঢাকা
এই সরকারের শেষ বাজেট হচ্ছে ২০১৩-২০১৪ সনের। এটি নির্বাচনের প্রতিশ্রুতির বাজেট। রাজনৈতিক ও বিশ্ব অর্থনীতির বাস্তবতার মধ্য পর্যায়ে এ বাজেট সংশোধনের জন্য কাজে লাগবে। সুতরাং আমরা মনে করি এই বাজেট বাস্তবভিত্তিক।
মামুন,
মালিবাগ, ঢাকা
সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী ২০১৩-২০১৪ সনের বাজেট ঘোষণা করেছেন। এটি আসলে ভালো-মন্দের একটি বাজেট। এটি বাস্তবায়নের জন্য স্বচ্ছতার প্রয়োজন।
মো. মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু
মহাখালী, ঢাকা
বিরোধীদলীয় নেত্রী উক্তি ঠিক করেছেন। বাজেটের সমালোচনায় মুখর সারাদেশ। ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট ঘোষণার একদিনের মধ্যে সমালোচনার ঝড় ওঠে রাজনৈতিক দলসহ দেশের মানুষের। এই বিগ বাজেট আমরা ফলপ্রসূ দেখতে চাই।
হাসান
মিরপুর, ঢাকা
জাতীয় বাজেটের আবার বছর বছর বৃদ্ধি করার ধারা অনুসরণ করে ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরে দেশের ইতিহাসে বৃহত্তম বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী। তবে বাজেট বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার পদক্ষেপ সরকারের আন্তরিকতা ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রতিফলন ঘটাতে হবে। এটাই সাধারণ মানুষের চাওয়া। বিরোধী দলের নেত্রীর কথা যাতে বাস্তবায়ন না হয় সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে।
আবুল হোসেন
ইলেকট্রিক প্লাজা, মিরপুর ১, ঢাকা
দেশে বাজেট ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত দুর্বল। এটি কাটিয়ে ওঠা খুবই জরুরি। বাজেটের যথার্থ বাস্তবায়ন বরাদ্দ সঠিক সময়ে পৌঁছাতে হবে।
মো. জাহাঙ্গীর আলম,
শেওড়াপাড়া, ঢাকা
নতুন অর্থবছরের বাজেট কেবল একগুচ্ছ অঙ্গীকারের বাজেট হিসেবে বিবেচিত হোক এটা কখো কারোরই কাম্য হতে পারে না। বাজেট বাস্তবায়নের পদক্ষেপে সরকারের আন্তরিকতা ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রতিফলন ঘটাতে হবে। তাহলেই এই বাজেট স্বার্থক ও সুন্দর হবে।
শিরিন আক্তার,
হাজারীবাগ, ঢাকা
গত ৬ জুন সংসদে পেশ হলো ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরের বিশাল আকারের বাজেট। যা সবদিক থেকেই বৈষম্যহীন। আসলে বাজেট হলো কোন রাষ্ট্রের পরবর্তী বছরের আয় ও ব্যয়ের খাতওয়ারি পরিকল্পিত হিসাব নিকাশের বিবরণ। আমাদের দেশের প্রতি বছরই বাজেট তৈরি করা হয় গতানুগতিকভাবে। এবারের বাজেটেও তার কোন ব্যতিক্রম ঘটেনি বরং এবারের বাজেটটি হয়েছে অন্য যে কোন সময়ের চেয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষী ও উচ্চাভিলাষী, যাতে সাধারণ জনগণের আশা-অকাঙ্ক্ষার কোন প্রতিফলন ঘটবে না। প্রতিবারের মতো এবারও বাজেটে রাখা হয়েছে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ-সুবিধা। আর এই কালো টাকার সঠিক পরিমাণ কারো জানা নেই, তবে পত্র-পত্রিকার মধ্যে এর পরিমাণ প্রায় নয় হাজার কোটি টাকা বলে ধারণা করা হয়েছে। আর এই কালো টাকার মালিক শুধু দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ীরা। কাজেই এতে সহজে বোঝা যায় যে, এই বাজেটে দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ীদের হিংস্র হাত আরো প্রসারিত হবে। বাজারে ঘটবে মূল্যস্ফীতি, জনসাধারণ হবে ক্ষতিগ্রস্ত। তাই বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মন্তব্য— এই বিশাল বাজেট লুট-পাটের জন্য। আমি এর সাথে একমত প্রকাশ করি।
ডা. মর্জিনা আক্তার
বারিধারা পাইল্স কিউর সেন্টার, গুলশান, ঢাকা
