‘হাতে পর্যাপ্ত সময় না থাকা’য় ঢাকা মহানগর প্রিমিয়ার লিগের দল বদল ও শুরুর তারিখটা আরও কয়েক দিন পিছিয়ে দিতে চায় ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিশ (সিসিডিএম)। এ জন্য তারা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতির কাছে সময়ও চেয়েছে বলে জানা গেছে। দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত না হলেও ধারণা করা যাচ্ছে ২৩ জুন প্রিমিয়ারের নিলাম এবং ৩ জুলাই থেকে লিগ শুরু করতে চাইছে সিসিডিএম।
সমস্যা শুধু সময় স্বল্পতা নয়; প্রিমিয়ার লিগ নিয়ে খেলোয়াড় বনাম ক্লাব জটিলতা এখনো কাটেনি। খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক এবং গ্রেডিং পদ্ধতি নিয়ে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের (কোয়াব) সাথে ক্লাবগুলোর এখনো দ্বন্দ্ব চলছে। এর সমাধানের জন্য বোর্ড সভাপতির দ্বারস্থ হওয়ার কথা থাকলেও এখনো কোয়াব বিসিবি সভাপতিকে কিছুই জানায়নি। তাই সিসিডিএম চেয়ারম্যান জালাল ইউনুসও মনে করেন নির্ধারিত তারিখেই শুরু হবে প্রিমিয়ার লিগ।
তাহলে পিছিয়ে যাওয়ার দায় কার? এর ব্যাখ্যা দিলেন সিসিডিএম চেয়ারম্যান, ‘এখনো ক্লাবগুলোকে বাইলজ পাঠানো হয়নি। নিলাম কিভাবে হবে, কোন নিয়মে হবে, এসব বিষয় নিয়ে এখনো কথা বলার দরকার আছে। তাই আরো দুই-একদিন সময় নেয়া হতে পারে।’
এদিকে প্রিমিয়ার লিগে আরেক জটিলতা তৈরি হচ্ছে ভেন্যু নিয়ে। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হওয়ার কথা প্রিমিয়ার লিগ; এখানে বেশ কিছু ম্যাচও হওয়ার কথা। কিন্তু লিগের শেষ পর্যন্ত এই মাঠকে পাচ্ছে না সিসিডিএম। সিসিডিএমের সমন্বয়কারী সাব্বির আহমেদ রুবেল বললেন, মিরপুরকে না পাওয়া গেলে রাজশাহীতে ছুটতে হতে পারে ঢাকা লিগ নিয়ে, ‘আমাদের মূল ভেন্যু তিনটি। মিরপুর, বিকেএসপি ও বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম। যদি মিরপুর স্টেডিয়াম খেলার মাঝপথেই ছেড়ে দিতে হয় তাহলে আমাদের রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামের দিকে ছুটতে হবে। সেখানে মাঠ প্রস্তুত রয়েছে কিনা সেটাও আবার দেখতে হবে।’ কাল সিসিডিএম চেয়ারম্যান বোর্ড সভাপতির সাথে দেখা করে এসব বিষয় নিয়েই আলোচনা করেছেন। তবে আলোচনার মূল অংশ জুড়েই ছিল খেলোয়াড়দের গ্রেডিং পদ্ধতির এবং পারিশ্রামিক বিষয়টি। এ প্লাসের খেলোয়াড়রা ২২ লাখ টাকা পাবেন এটি মোটামুটি নিশ্চিত। কোয়াব যেহেতু এখনো তাদের দাবি-দাওয়া নিয়ে সভাপতির সাথে কথা বলেনি তাই এই পারিশ্রমিক নিয়েই প্রিমিয়ার লিগ খেলবে খেলোয়াড়রা।
