রেললাইনের অধিকাংশ স্থানেই লোহার এঙ্গেল ক্লিপ নেই। কে বা কারা খুলে নিয়ে গেছে এসব ক্লিপ। এতে ক্রমে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে রেলপথ। এসব ক্লিপ সহসা না লাগালে যে কোন সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। মঙ্গলবার ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের কুমিল্লা অংশে রেললাইন ঘুরে এঙ্গেল ক্লিপগুলো খুলে নেয়ার এমনই ভয়াবহ দৃশ্য চোখে পড়ে। রেলপথ ঘিরে মাদকাসক্ত ও নেশাখোরদের উত্পাত বেড়েছে। নেশাসক্ত ও বখাটেরা এসব ক্লিপ খুলে তা বিক্রি করে নেশার টাকা জোগায়। ফলে দুর্ঘটনা ঝুঁকির মধ্যেই চলছে রেল এবং রেলপথের পার্শ্বে বসবাস করছেন বাসিন্দাদের জীবন। ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের কুমিল্লা রেল স্টেশনের দক্ষিণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পদুয়ার বাজার রেলক্রসিং পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার এবং কুমিল্লা রেল স্টেশনের উত্তরে কালিয়াজুরি মুড়াপাড়া চৌমুহনী এলাকা পর্যন্ত প্রায় আড়াই কিলোমিটার এলাকা ঘুরে দেখা গেছে- রেলের দুই লাইনের এঙ্গেল ক্লিপ ও নাট-বল্টুর বেশিরভাগ নেই। মাঝেমধ্যে এসব ক্লিপ দেখা গেলেও কোথাও ভাঙ্গা রয়েছে স্লিপার। রেলপথের পার্শ্বে বসবাসকারী লোকজন জানান, এসব ক্লিপ খুলে নিয়ে গেছে মাদকসেবীরা। তারা রেললাইন থেকে এসব ক্লিপ খুলে ভালো দামে বিক্রি করে নেশার খরচ জোগায়। মাদকাসক্তদের বেশিরভাগই রেললাইনের দু’পার্শ্বের বস্তি এলাকায় বসবাস করে। তাদের উত্পাতে আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা অতিষ্ঠ। ভয়ে কেউ নেশাখোরদের বিরুদ্ধে কথা বলতে চান না। এসব ক্লিপ খুলে নিয়ে রেলপথকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুললেও রেলের সংশ্লিষ্ট এলাকার দায়িত্বশীল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রয়েছেন নির্লিপ্ত।
