টেলিফোনে পাঠকের মতামত

জটের পরে জট তার ওপর মহাজট

আপডেট : ২৭ জুন ২০১৩, ২১:০২
ঢাকা শহরে কিছু কৌশল অবলম্বন করলে যানজট অনেকাংশ কমে আসবে। বাস, ট্রাক, ট্রাফিক পুলিশকে দোষারোপ করলে হবে না। একটি কৌশল হতে পারে ট্রেনের লাইনগুলো ডাবল লাইনে উন্নীত করা। একটি ট্রেন যখন ক্রসিংয়ে পড়ে তখন আধা ঘণ্টা থেকে ৪০ মিনিট সময় লেগে যায়, এমন ২/৩টি ক্রসিং পড়ে। এভাবে সময় লস হয়ে যায়। যার কারণে অফিসযাত্রী ট্রেনের আশা ছেড়ে দেয়। চাপ পড়ে বাসের ওপর। ট্রেনের সময়সূচি অনুযায়ী টাইম টু টাইম চললে অনেক অফিসযাত্রী দূর-দূরান্ত থেকে অফিস করতে পারে। আমি একজন ট্রেনযাত্রী হিসাবে কথাগুলো বললাম। ময়মনসিংহ, গফরগাঁও, জয়দেবপুর, টঙ্গি, এয়ারপোর্ট এবং নারায়ণগঞ্জ, ফতুল্লা, গেণ্ডারিয়া থেকে হাজার হাজার যাত্রী ট্রেনে অফিস করে। ব্রিটিশ আমলে ওয়ানওয়ে রেললাইন করা হয়েছিল তারপর আর এক ইঞ্চি বাড়েনি। ট্রেনের যোগাযোগব্যবস্থা ডাবল লাইনে উন্নীত করলে ৮০% যানজট কমে যাবে। মো. খালেকুজ্জামান (আপেল মাহমুদ) ঢাকা যানজটের নগরী ঢাকা শহর—এ কথা আজ আর বলার অপেক্ষা রাখে না। বাসা থেকে বের হলে সময়মত গন্তব্যে পৌঁছার কথা কল্পনাও করা যায় না। অপরিকল্পিত শহরায়ন, অধিক জনসংখ্যা, সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ছাড়া প্রতি বছরই রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি, অদক্ষ-অশিক্ষিত-কাণ্ডজ্ঞানহীন চালক, রাস্তার ত্রুটিযুক্ত অবকাঠামো ইত্যাদি যদিও এ মহা যানজটের জন্য দায়ী, তবে বর্তমানে যে কারণটি সবচেয়ে বেশি দায়ী তা হলো বড়লোকদের বিলাসবহুল জীবন যাপন। একটি পরিবারে তিনটি বা পাঁচটি করে গাড়ি। রাস্তায় প্রায়ই দেখা যায় একটি গাড়ি একজন লোক। প্রায় ৫০টি প্রাইভেট কারের বিপরীতে একটি বাস। একটি নিম্ন আয়ের দেশের জন্য এটা খুবই বেমানান। একজনের সুখের জন্য হাজারজনের দুর্ভোগ— এ অবস্থা মেনে নেয়া যায় না। ২০ মিনিটের রাস্তা আজকাল ২ ঘণ্টায়ও পৌঁছানো যায় না। তাই দেশের নীতি নির্ধারকদের উচিত খুব দ্রুত এ মহাসমস্যার সমাধান করা। ডা. মর্জিনা আক্তার বারিধারা পাইল্স কিউর সেন্টার, গুলশান, ঢাকা ১২১২ যুগোপযোগী ট্রাফিক সিস্টেম নির্মাণ করার জন্য আমাদের পাবলিক ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম নির্মাণ করা আবশ্যক। এছাড়াও ট্রাফিক সিস্টেম ও ড্রাইভার শিক্ষা, অপরিকল্পিত জনসংখ্যা দক্ষিণ এশিয়ায় ট্রাফিক পরিস্থিতির জন্য অন্যতম একটি বাধা । শওকত সাদী ১৪ মহাম্মাদী প্রধান সড়ক মোহাম্মদপুর, ঢাকা ১২০৭ প্রাইভেট গাড়িগুলোতে সিএনজি গ্যাস দেয়া বন্ধ করে দিলে এর প্রভাবে ঢাকায় যানজট কিছুটা হলেও কমবে বলে আমার বিশ্বাস। গরিব রিকশাওয়ালার পেটে লাথি মারলে ঢাকার যানজট যে কমবে না সেটা ইতিমধ্যে অনেক রাস্তায় লক্ষ করা গেছে। ফুটপাত থেকে অসহায় দোকানিকে তুলে দিয়ে এই জরুরি সমস্যার সমাধান করা যাবে না। গুরুত্বপূর্ণ সড়কের দু-ধারে নব্য বিত্তশালীদের অবৈধ গাড়ি পার্কিং বন্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে, তাছাড়া ফ্লাইওভারের সংখ্যা আরো বাড়িয়ে যানজট কমানো যেতে পেরে। দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হাতে নিতে হবে এই দুর্ভোগ থেকে উত্তরণের জন্য। সফিকুল ইসলাম সুমন জি-২৩, দক্ষিণ বনশ্রী, ঢাকা যানজট বর্তমানে রাজধানী ঢাকাসহ অন্যান্য বিভাগীয়, জেলা এমনকি মফস্বল শহরগুলোতেও নিত্যদিনের মহাসমস্যা হিসাবে বিরাজমান। যদিও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, নানা জাগতিক ও আধ্যাত্মিক কারণে এই যানজটের সৃষ্টি; কিন্তু ভুক্তভোগীদের মতে, ৯০ ভাগ যানজটের জন্য জাগতিক সমস্যাই দায়ী। যেমন সড়ক ও মহাসড়কের উপর বিভিন্ন মহানগর ও আন্তঃনগর পরিবহন সংস্থার স্ট্যান্ড (বাস, ট্রাক, টোম্পো, পিকআপ, ভ্যানগাড়ি, সিএনজি, ট্যাক্সিক্যাব, ঠেলাগাড়ি, রিক্সা স্ট্যান্ড); সড়ক ও মহাসড়কের বাঁক ও মোড়ের যথেচ্ছ ব্যবহার, ভাসমান হকারদের দৌরাত্ম্য, রাজনৈতিক বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠনসমূহের নেতা ও কর্মীদের পকেটভারির ক্ষেত্র হিসাবে ফুটপাতসহ সড়ক ও মহাসড়কের ওপর বিভিন্ন স্পটে হরেক রকম বাণিজ্যের ক্ষেত্র প্রস্তুত করা, তথাকথিত ভেষজ ঔষধ ক্যানভাসার ও অন্যান্য আকর্ষণীয় পণ্যের ক্যানভাসার কর্তৃক প্রধান প্রধান সড়কের ওপর হাট বসানো, রাজনৈতিকসহ বিভিন্ন দল ও গোষ্ঠীর মিটিং, মিছিল, ঘেরাও, অবরোধ, অনশনসহ ইত্যাকার অনুষ্ঠান পরিচালনা এবং সর্বোপরি ট্রাফিক পুলিশের অসাধুতা। উল্লেখ্য যে, ঢাকা মহানগরীর অন্যতম ব্যস্ত গুলিস্তান মোড়ের সার্জেন্ট আহাদ পুলিশ বক্সকে কেন্দ্র করে দুই বর্গ কিলোমিটার জুড়ে দৃষ্টি দিলে যানজটের সমস্ত মূল উপাদান, তথ্য ও উপাত্ত যে কোন সচেতন নাগরিকের নজরে আসবে। মহাআশ্চর্যের বিষয় হলো, এই দুই কিলোমিটারের মধ্যে দেশের সর্বোচ্চ আদালত, মন্ত্রী ও সচিবদের কার্যস্থল কেন্দ্রীয় সচিবালয়, প্রেসিডেন্টের অফিস কাম রেসিডেন্স বঙ্গভবন, খোদ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাসহ সকলপ্রকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বোচ্চ কর্মকর্তাসহ শত পদস্থ কর্মকর্তাদের কার্যস্থল পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স অবস্থিত হওয়ায় ঐ যানজট থেকে তারাও নিস্তার পান না বলে ভুক্তভোগিগণ দাবি করছেন। অথচ যে কোন উপায়ে আগত সামরিক শাসকদের নিয়ন্ত্রণে এই সকল সমস্যা হঠাত্ কর্পূরের মত উড়ে যায় সত্য কিন্তু দীর্ঘস্থায়ীভাবে নয়। তবে মহানগরের অভ্যন্তরে ক্যান্টনমেন্ট, গ্যারিসন, বিমান বাহিনীর হ্যাঙ্গার, সচিবালয়, বঙ্গভবনের অবস্থানও যানজটের জন্য কিছু কিছু ক্ষেত্রে দায়ী বলে কোন কোন বিশেষজ্ঞগণ মনে করেন। কাজেই এই মনুষ্য সমস্যা থেকে জাতিকে উদ্ধার করবে কে? এদিকে বাজারে জোর গুজব আছে যে, উল্লিখিত যানজটের উপাদানগুলো থেকে লাখ লাখ টাকা দৈনন্দিন লেনদেন হয়ে থাকে। প্রশ্ন হলো, ঐ টাকা গায়েবি হাওলতে কোথায় যায় তা প্রকাশ্যে কেউ স্বীকার করে না। মাঝে মাঝে সাংবাদিক ভাইয়েরা পত্র-পত্রিকায় কিছু কিছু চিত্র তুলে ধরেন সত্য, কিন্তু সেগুলো পত্র-পত্রিকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। কাজেই যানজটের ক্ষেত্রে দৈব অবতার ছাড়া জটের পরে জট তার ওপর মহাজটের কবল থেকে জাতিকে রক্ষা করার কেউ নেই বলে আমাদের বিশ্বাস। সাথে সাথে আমাদের বিশ্বাসটা অমূলক হোক এটাই কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা করি। ভূঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী সাধারণ সম্পাদক, ঢাকাস্থ বেগমগঞ্জ পেশাজীবী সমিতি, ৫ বিসিসি রোড, নবাবপুর, ওয়ারী, ঢাকা ১২০৩ সারাবছরই যানজট ঢাকায় থাকে। এর মধ্যে প্রতিবছর রমজান ও ঈদ মৌসুমে যানজটের শহরে পরিণত ২য় এই নগরী। রিফাত এইচএসসি পরীক্ষার্থী ঝিনাইদহ রাজধানীতে যানবাহন ও লোকসংখ্যা বেড়েছে পৌনঃপুনিক হারে কিন্তু সেই অনুপাতে বাড়েনি রাস্তাঘাটের অবকাঠামো। উন্নত হয়নি ট্রাফিকব্যবস্থা। ফলে দিন দিন ঢাকা হয়ে উঠছে যানজট আর বসবাসের অযোগ্য শহরে। সাহানারা ইয়াসমিন মিরপুর, ঢাকা রাজধানীতে বেশ কয়েকটি দোতলা সড়ক নির্মাণ হয়েছে। এখন প্রয়োজন পাতাল রেল। যেহেতু দিনে দিনে নগরীতে যানজট তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। যানজটের ফলে চাকরিজীবীদের কেবল কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে তা নয়, সাধারণ যাত্রীদেরও জরুরি কাজের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। সবাই মিলে উদ্যোগ নিতে হবে যেভাবে এর সমাধান হয়। সোহাগ ভাগলপুরলেন, নবাবগঞ্জ, ঢাকা নগরবাসীর যানজটে নাকাল থাকে সবসময়। বাংলাদেশের প্রধান প্রধান শহরগুলোতে যানজট থাকবে না এটা কল্পনা করা যায় না। দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জরিত সাধারণ মানুষগুলো দুমুঠো খেয়ে পরে বেঁচে থাকার আশায় প্রতিনিয়ত ছুটছে শহরের দিকে। সে তুলনায় বাড়ছে না রাস্তাঘাট ও বসবাসের জায়গা। যানজট নিরসনে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ বর্ধিত জনসংখ্যার তুলনায় খুবই সামান্য। ঢাকা শহরের ফুটপাতগুলো থাকে সরকারের রাজনীতিকদের ছত্রছায়ায় হকারদের দখলে। রাস্তায় রয়েছে মেয়াদ উত্তীর্ণ গাড়ি। আর যখন তখন বিকল হচ্ছে ইঞ্জিন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো অন্য জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলো রাজনীতির বাইরে গড়ে তোলা উচিত। অন্যদিকে প্রতিটি সরকার ও রাজনৈতিক দল তাদের কর্মসূচিগুলো ঘটা করে পালন করে রাজপথে। গত ২৩ জুন আওয়ামী লীগ তাদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেন রাজপথে আনন্দ র্যালির মাধ্যমে। ১৪ জুন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ও ৪ মে প্রধান বাণিজ্যিক এলাকায় মতিঝিল এলাকায় কয়েকটি রাস্তা বন্ধ রেখে সমাবেশ করেছে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। এ সকল কর্মসূচি নগরবাসীর জন্য কাটা ঘায়ে লবণ ছিটানো বৈ আর কিছু নয়। মো. নূরুল হক কালিদা বাড়ী, শেরপুর জট নিয়ে কথা বলতে গেলে অনেক বিষয়ে জট লক্ষ করা যায়। জট আছে রাজনীতিতে, জট আছে সংস্কৃতিতে, জট আছে নানা জায়গায়, নানাভাবে। ন্যায়-নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ হয় না গুরুত্বপূর্ণ অফিসে সে এক জট। এত সব জটকে শতভাগ নাকাল করে দিয়ে মহাজট হিসাবে আভির্ভূত হয়েছে ঢাকা শহরের যানজট। এ এক মহাজট হিসাবে ঢাকা নগরীর মনপ্রাণ অতিষ্ঠ করে চলেছে। এ থেকে যেন রক্ষা নেই। নটার অফিস ধরতে মানুষ বের হয় সাতটায়। আর ফেরার সময় তো আরো জটিলতা। তখন বলাই যাবে না কে কখন বাসায় ফিরতে পারবে। এই তীব্র যানজট কাটানোর জন্য অবশ্যই নগরীর ত্রাণকর্তাদের বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া জরুরি। যানজটমুক্ত করতে ফুটপাত দখল করার কালচার দূর করতে হবে। রাস্তা সংস্কার বা মেরামতের নামে যত্রতত্র মালামাল ফেলে রাস্তা আটকানো থেকে ঠিকাদারদের রোধ করতে হবে। কোন অবস্থায় আসছে রমজানে বড় মার্কেটের সামনে ফেরিওয়ালা ও হকারদের ক্ষুদ্র ব্যবসার মতো যত রকমের ব্যবসা আছে তা একটি নির্দিষ্ট জায়গায় নিয়ে যেতে হবে, যাতে রাস্তায় যানজট না হয়। অফিস-আদালতে যাতায়াতের সময় ব্যাপক যানজট দেখা যায়। সেজন্য যানজট নিরসনের লক্ষ্যে অফিস আদালতের ভিন্ন ভিন্ন সময় নির্ধারণ করতে হবে। ওয়াহিদ মুরাদ স্বরূপকাঠি, পিরোজপুর চলছে যানবাহনের মহাজট। প্রশ্ন করা হয়েছে-এর শেষ কোথায়? উত্তরে বলবো, এর শেষ নেই। তার প্রধান কারণ এই মহাযানজটের বিড়ম্বনা প্রেসিডেন্ট-প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে অন্যসব ছোট বড় কোন মন্ত্রীকে সইতে হয় না। তারা ক্ষমতায় থাকার সময় কোন দিন পড়বেও না এবং এর সমাধানও হবে না। মোহাম্মদ লুত্ফুর রহমান এলিফেন্ট রোড, ঢাকা রাজনৈতিক জোটের কারণে আজ রাজপথে মহাজটের সৃষ্টি হয়েছে। এম এ কাসেম ঘিলাবাড়ী, বাসাইল, টাঙ্গাইল জটের পরে জট হচ্ছে মেগাসিটি ঢাকা। পৃথিবীর অনেক দেশেই যানজট থাকলেও এভাবে নেই। সিঙ্গাপুর, হংকং টোকিওতে পরিবহনব্যবস্থা প্রাইভেট গাড়ি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে যানজট দূর করা সম্ভব হয়েছে। অন্যদিকে আমেরিকাতে প্রায় ৩০ ভাগ গাড়ি চলাচল করে শুধুমাত্র ছেলেমেয়েদের স্কুলে আনা-নেয়ার জন্য। সুতরাং এদেশেও সম্ভব তবে নিয়মতান্ত্রিক ও প্রশাসনকে কঠোরভাবে এগিয়ে আসতে হবে। সৈয়দা নাসরিন সুলতানা স্যানি সাইড, নিউইয়র্ক যানজটের প্রধান কারণ হচ্ছে অপরিকল্পিতভাবে ঢাকা শহরকে নির্মাণ করা হয়েছে। তারপর ঢাকার অসংখ্য লোকের বসবাস। অথচ গ্রামে গেলে দেখা যায় বৃদ্ধ ও শিশু ছাড়া সবাই জীবিকার সন্ধানে ঢাকামুখী হয়েছে। এর প্রতিকার করা যেতে পারে এভাবে—সরকার প্রতিটি জেলায় উপজেলায় কলকারখানা স্থাপন করলে মানুষের চাপ কমবে এবং মহাজটও কমবে। তাহমিনা আক্তার মিনু পিরোজপুর হাউস, ভাণ্ডারিয়া, পিরোজপুর তিলোত্তমা ঢাকাসহ সারাদেশে যানজটের সমস্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এখন এই সমস্যা মানুষের নিত্যদিনের সঙ্গী। পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে এর থেকে রেহাই পাওয়ার কোন সুযোগ নেই। ফারুক আলম মালিবাগ, ঢাকা জট থেকে মহাজট, নাম তার যানজট। এই সমস্যা আজকের নয়। বহুদিনের এই সমস্যা। অনেক ধরনের উদ্যোগ নিলেও বাস্তবে এ সমস্যার কোন সমাধান দেখা যাচ্ছে না। তবে এ সমস্যা থেকে সারা দেশের মানুষ মুক্তি চায়। শিশির আজিমপুর, ঢাকা মানুষের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সাথে ঢাকার যানজটের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। মানুষ যখন নিজ জেলায় বা বিভাগে চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ অন্যান্য জরুরি ব্যক্তিগত ও অফিসের কাজসহ মানুষের কর্মসংস্থান রাজধানীর বাইরে বিভাগীয় জেলাগুলোতে যদি সম্প্রসারণ করা যেতো। তবে মানুষ আর ঢাকার দিকে দলে দলে ধাপিত হতো না। কথায় আছে ঢাকায় নাকি টাকা ওড়ে, এই কথার প্রতি সাধারণ মানুষের বিশ্বাস জন্মেছে। ঢাকায় কাজের অভাব নেই। তাই শিক্ষিত-অশিক্ষিত শ্রমিক মজুর খেটে খাওয়া মানুষ কর্মের জন্য ঢাকায় ছুটছে। যানজট থেকে রেহাই নেই নগরবাসীর। নগরবাসীর এখন নাভিশ্বাস এই যানজটে। হাজার হাজার মানুষ এখন কর্মের জন্য ঢাকামুখী। ফলে যানবাহনসহ জনসংখ্যার চাপে আজ জট থেকে মহাজট তৈরি হয়েছে। তাই যানজট থেকে মুক্ত হবার জন্য প্রয়োজন কিছু প্রশাসনিক উদ্যোগ। সব কাজ ঢাকায় হতে হবে তার কোন অর্থ হয় না। তাই রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সকল শহরে যানজট নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন সঠিক সিদ্ধান্ত। আবদুল মালেক মিয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, মিরপুর, ঢাকা যানজট ঢাকার সবচেয়ে বড় গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। এই সমস্যার কারণে আমরা ইচ্ছে করলেও বেড়াতে যেতে পারি না, আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবের সাথে যোগাযোগ রাখাটাও আজ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই একটু পিছনে ফিরে তাকালে বোঝা যাবে যে গত ২০ বছর ধরে ঢাকার এই অধঃপতন শুরু হয়েছে। এই অধঃপতনের মূল কারণ হচ্ছে আবাসনশিল্পের প্রসার। এই শিল্পের প্রসারের কারণে ঢাকায় প্রায় তিনগুণ বেশি মানুষ বসবাস করছে। অন্যদিকে বলা হচ্ছে ঢাকার রাস্তা মাত্র ২৫ ভাগ। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় আমাদের চার পাশে রাস্তা। কিন্তু এগুলো কি আমাদের ব্যবহার করতে দিচ্ছে? নতুন একটি সড়ক নির্মাণ হলে পার্শের রাস্তাটি বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। ক্রসিংগুলোতে যার গন্তব্য যেদিকে হোক না কেন সবাইকে একই রাস্তায় দাঁড় করানো হচ্ছে। ফলে দেশের তেল, গ্যাস এবং মানুষের সময় অর্থের অপচয় হচ্ছে। সর্বোপরি এখন নতুনভাবে যুক্ত হয়েছে রাজপথে সভা-সমাবেশ- দিনের পর দিন এগুলো মানুষকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। তাই রাজপথে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা, অতিরিক্ত বাড়ি-ঘর নির্মাণ বন্ধ করা, ক্রসিংগুলো সক্রিয় করা এবং একদিকে চলাচলে ব্যবস্থা করা উচিত। সেলিনা রাহাত আরা গুলশান ১, ঢাকা ১২১২ যানজট নিত্যদিনের খবর। যাদের কাছে প্রথম প্রথম অসহ্য মনে হতো, এখন তা অনেকটা সয়ে গেছে এরকম। আর না সয়েও কোন উপায় নেই। তাই যানজট রোধ করতে হলে পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করা দরকার। কাউছার আকন্দ মতিঝিল, ঢাকা ঢাকা মহানগরীর সকল সড়কে চলাচল করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও কোন কোন সড়কে বিকেল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ভয়ানক জট লেগে থাকে। পরিস্থিতি এমনই যে এ সমস্যা উত্তরণের জন্য এখনই উদ্যোগ নেয়া দরকার। নীলুফা আক্তার টোলারবাগ, মিরপুর, ঢাকা রাজধানী ঢাকাতে কিছু কিছু এলাকায় প্রায়শই যানজট লেগে থাকে। তার মধ্যে উদাহরণস্বরূপ বলা যায় মিরপুর, মোহাম্মদপুর ও যাত্রাবাড়ীসহ রাজধানীর কেন্দ্রস্থলের আশপাশ থেকে যারা রাজধানীতে অফিস করেন তাদের সময় অপচয়ের কোন পরিসীমা নেই। অনেক ধৈর্যের সাথে নিত্যদিন চলাচল করতে হয়। এ বড় কষ্টদায়ক। মো. সেলিম মহাখালী, ঢাকা ঢাকা এখন আর তিলোত্তমা নেই বলা যায়। নানা সমস্যায় ঢাকা এখন জর্জরিত। বিশেষ করে মৌসুমের শেষ দিকে এসে নগরীতে সড়ক খোঁড়াখুঁড়ির পর মেরামত না করা এবং সঠিকভাবে নির্ণয় না করার কারণে যানজটের সঙ্গে ধুলোবালি মিলে নগরজীবন এখন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। কোন কিছুতেই ঢাকাবাসী এখন শান্তিতে নেই। ঘর থেকে বের হলে নির্দিষ্ট স্থানে কখন পৌঁছানো যাবে বলা কঠিন। যানজটের কবলে পড়ে মানুষ দিশেহারা। এস কে মোহাম্মদ রমিজউদ্দিন প্রশিকা প্রধান কার্যালয়, মিরপুর, ঢাকা যানজট নিরসনের পদক্ষেপ হতে হবে সুসমন্বিত এবং সুবিন্যস্ত। আশপাশের এলাকা থেকে রাজধানীর প্রবেশের পয়েন্টগুলোকেও এই পরিকল্পনায় যুক্ত রাখা দরকার। তা না হলে নগরী বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে। সুতরাং আরো অনেক ফ্লাইওভার নির্মাণে বাস্তব, সুসমন্বিত পরিকল্পনা এবং নির্ধারিত সময় তা বাস্তবায়নের কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। লাড্লা পিলখানা, ঢাকা যানজট সমস্যার সমাধানে রাজধানীতে স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল পদ্ধতি চালু হতে না হতেই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এই যানজট নিয়ন্ত্রণে স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল পদ্ধতি চালু করা হলেও একমাসের মধ্যেই তা ব্যর্থ হয়েছে। যান চলাচলে লেন পদ্ধতি ব্যবহারে যানবাহন চালকদের উত্সাহ কম। এদিকে নজর দিতে হবে সকলকে। সৈয়দা পারভীন সুলতানা ঝিনাইদহ তিলোত্তমা ঢাকা আর সেই ঢাকা নেই। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে নানা সমস্যায় আজ জর্জরিত। চলাচলের পথ নেই, অতিরিক্ত গাড়ি চলাচল মাত্রাতিরিক্ত লোকসংখ্যা এগুলো বেড়েই চলেছে। ফলে দিনে দিনে ঢাকা এখন বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। এ থেকে পরিত্রাণের জন্য এখনই প্রশাসনকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। শিলা জামান সিডনি, অস্ট্রেলিয়া সারা দেশেই যানজটের সীমা অতিক্রম করতে চলেছে। পরিস্থিতি এখন এমনই ঘর থেকে কাজ-কর্মে বা কোথাও বেড়ানোর জন্য বের হলে কখন সেই গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবো তা বলাই কঠিন। অনেক সময় কোন সড়কে দীর্ঘ জটের লাইন থাকে যা কল্পনা করা যায় না। এর ফলে আমাদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থাও দিন দিন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই এ থেকে পরিত্রাণের একমাত্র উপায় সঠিক সিদ্ধান্ত। খায়রুল ইসলাম (ফুল) আরাপপুর, ঝিনাইদহ ঢাকা শহরের তীব্র যানজট সমগ্র দেশের উন্নয়নে বড় বাধা। প্রতিদিন প্রত্যক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে লক্ষ লক্ষ মানুষ। বিশেষ করে রোগী ও কোমলমতি ছাত্রছাত্রীরা এতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আজ পর্যন্ত কোন সরকারই যানজট নিরসনে বাস্তবসম্মত কাজ করেনি। ঢাকা শহরের যানজট কমাতে হলে জরুরিভিত্তিতে প্রাইভেটকার ও জিপ কমাতে হবে। এর বিপরীতে অধিক সংখ্যক উন্নতমানের বাস চালু করতে হবে। সাইফুল ইসলাম তানভির মোরেলগঞ্জ, বাগেরহাট দিন দিন রাজধানী ঢাকায় লোকসংখ্যা বাড়ছে। আর এর ফলে জটের পর তার ওপর মহাজট সৃষ্টি হচ্ছে। এক ঘণ্টার রাস্তা তিন ঘণ্টায় শেষ হয় না। যারাই ক্ষমতায় আসীন হোন তাদের প্রতি অনুরোধ, সাধারণ মানুষের জন্য প্রশাসনিক কাজ-কর্ম, কর্মের সংস্থানসহ অন্যান্য জরুরি কাজসমূহ জট নিরসনের জন্য বিভাগীয় জেলাগুলোতে নিয়ে যাবার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। মন্জু খন্দকার চুয়াডাঙ্গা জনসংখ্যা বাড়ছে সে কারণে যানজট বাড়ছে। যানজট নিরসনে দেশের গণতান্ত্রিক সরকার কাজ করছে। ঢাকায় ফ্লাইওভার তৈরি করা হয়েছে এবং হচ্ছে। এরকমভাবে অন্য বিভাগীয় শহরগুলোতে মহাসড়ক প্রশস্ত করা হলে যানজট কমে আসবে। ফারুক আহমেদ বাগমারা, রাজশাহী যে হারে মানুষ গ্রাম ছেড়ে শহরে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ, চিকিত্সা ও কর্মসংস্থানের জন্য ভিড় জমাচ্ছে এতে জটের পর জট তার ওপর মহাজোটের সৃষ্টি হবেই। ঘনঘন দুর্ঘটনাও ঘটবে। সরকারের সাথে দেশবাসীরও দায়িত্ব পালনে সচেতন হতে হবে। প্রথমত, দেশে নগরায়ণে সরকারের সুষ্ঠু পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। দ্বিতীয়ত, ফুটপাতে দোকান, গৃহনির্মাণের সামগ্রী, গাড়ি পার্কিং করে রাস্তা আটকানো বন্ধ করতে হবে। তৃতীয়ত, ট্রাফিক আইন কঠোর করা উচিত। ট্রেনিংপ্রাপ্ত ট্রাফিকদের সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে। উন্নত দেশের ট্রাফিকদের দেখা যায় দায়িত্ব পালনে তারা কত সচেতন। আমাদের দেশেও বিজ্ঞানসম্মত ট্রেনিংপ্রাপ্ত ট্রাফিকদের দায়িত্ব দিতে হবে। চতুর্থত, নেশাগ্রস্ত গাড়িচালকদের লাইসেন্স বাতিল করতে হবে। পথচারী ও গাড়িচালকদের জট ছাড়াতে ধৈর্য ধরতে হবে। পঞ্চমত, শহরের চারপাশের গ্রামগুলোর সাথে দ্রুত যোগাযোগ করার ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্রুত যোগাযোগের একমাত্র উপায় ট্রেনলাইন। তা’ না হলে শহরবাসীর কর্মক্ষেত্রে, ছাত্রছাত্রীদের স্কুল-কলেজে যানজটের কারণে ঠিক সময়ে পৌঁছানো আরো কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। শহরবাসীর মূল্যবান সময় রাস্তাতেই কাটবে। আশা এলিজাবেত গোমেজ লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা ১১০০ ঢাকা মহানগরীর যানজটের মূল কারণ সড়কের তুলনায় যানবাহনের সংখ্যা বেশি। রাজধানীর জনসংখ্যা রাতারাতি বাড়লেও রাস্তা বাড়েনি। বিশ্বের অন্য সিটিগুলোর মধ্যে একমাত্র ঢাকাতেই অযান্ত্রিক যানবাহন চলাচল করছে। ঢাকা সিটি দেশের বৃহত্তম শহর। এটাকে সুন্দর করতে হলে যানজটকে আগে মুক্ত করতে হবে। তবে বর্তমান সরকারের যোগাযোগমন্ত্রী অনেক কাজ করে যাচ্ছেন আন্তরিকতার সাথে। মো. মেজবাহউদ্দিন সেলিম শেওড়াপাড়া, মিরপুর ঢাকার কয়েকটি জায়গায় দেখা যায় যানজট দীর্ঘ ট্রাফিক সিগন্যালের জন্য। তার মধ্যে নীলক্ষেত মোড় ও মগবাজারসহ অন্যান্য স্থানে ট্রাফিক পুলিশ এক রাস্তা বন্ধ করে অন্য রাস্তায় যান চলাচল করাতে গিয়ে ওই রাস্তা সম্পূর্ণ যানমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখেন। এজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া উচিত । হোসনে আরা এনায়েতগঞ্জ লেন, পিলখানা, ঢাকা জটের পর জট, এরপর মহাজট হয় বন্ধ হওয়া রাস্তার যানবাহনের লাইন দীর্ঘ হতে দীর্ঘতর হওয়ায়। তাই যানজটমুক্ত করতে হলে যেখানে-সেখানে গাড়ি পার্কিং ও রাস্তা দখল রোধে ব্যবস্থা নিতে হবে কড়াভাবে। অন্যদিকে রাজপথে সভা-সমাবেশ ও মিছিল-মিটিং বন্ধে পদক্ষেপ নিতে হবে। বিপ্লব আলম উর্দু রোড, লালবাগ, ঢাকা ঢাকাসহ সারাদেশে তীব্র যানজটের নানাবিধ কারণ রয়েছে। একটি বা দুইটি কারণ এর জন্য দায়ী নয়। নানাবিধ কারণের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো জনসংখ্যার তুলনায় রাস্তাঘাট প্রশস্ত নয়। তাছাড়া অনভিজ্ঞ চালকের দ্বারা রাস্তায় যেখানে-সেখানে গাড়ি পার্কিংয়ের কারণেও কখনও কখনও তীব্র যানজট হয়। এছাড়া কিছুসংখ্যক মানুষের অনিয়ন্ত্রিত আয় অর্থাত্ ঘুষ বা দুর্নীতির কারণে বিলাসী জীবনযাপন করতে গিয়েও রাস্তাঘাটে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া সড়ক বা মহাসড়কগুলোতে নসিমন বা ভটভটির কারণেও যানজটের সৃষ্টি হয়ে থাকে। সর্বোপরি অধিকসংখ্যক গাড়ি বা গাড়িচালকের রেজিস্ট্রেশন বা ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকাও রাস্তাঘাটে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলে প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েই চলেছে। ঢাকাসহ দেশের বড় বড় শহরগুলোতে স্কুল বা অফিস বাস পর্যাপ্ত সংখ্যক না থাকার কারণেও দেশে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। মোট কথা, সরকারি নজরদারির অভাবের কারণেই যানজট বা মহাজটের সৃষ্টি হচ্ছে। মো. শহীদুর রহমান কাকিনা, লালমনিরহাট সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে এ দেশের মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়ন হচ্ছে। ফলে পরিবহনের সংখ্যা বাড়ছে, হাট-বাজারে মানুষজনের যাতায়াত বাড়ছে। একইসাথে শহর-গ্রাম সব জায়গায় সরকারি অফিস-আদালতে অনিয়মতান্ত্রিক দলবদ্ধতা শহরসমূহের যানজটের অন্যতম কারণ। প্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ নির্দিষ্ট শহর থেকে কিছু পাশে সরিয়ে এবং অবৈধ দখলমুক্ত করলে যানজটের অবসান হতো। মো. ফখরুল ইসলাম টিপু সেনবাগ, নোয়াখালী বুড়িগঙ্গার তীরঘেঁষে ষোড়শ শতাব্দীতে গড়ে ওঠা ঐতিহ্যবাহী নগরী ঢাকা এখন শ্রীহীন ও মলিন। যেন সুরম্য অট্টালিকার এক বস্তি। রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি, ট্রাফিক অব্যবস্থাপনা, জ্যাম, সড়ক দুর্ঘটনা, জলজট, ময়লা-আর্বজনার স্তূপ, পরিবেশ দূষণ, পলিথিন, পানি, যানজটের কারণে রাজধানী ঢাকার হাজার হাজার কোটি টাকার অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে। প্রতিদিনই নষ্ট হচ্ছে কয়েক লাখ শ্রমঘণ্টা। মুন্সী মো. ওয়াহিদ উল্লাহ স্টুডিও ফুজিয়া, মিরপুর ১ জনসংখ্যা অনুপাতে যানবাহন ও রাস্তাঘাটের অপর্যাপ্ততা ঢাকা শহরের যানজটের অন্যতম কারণ। নার্গিস লালবাগ, ঢাকা

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন