শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তর অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্ব শর্ত

আপডেট : ৩০ জুন ২০১৩, ২১:২৬
শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তর দেশকে সমৃদ্ধ করবে প্রত্যেকটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তর। উন্নত দেশগুলোতে আমরা দেখে আসছি শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের দৃষ্টান্ত। নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী জয়ী প্রার্থীকে শুভেচ্ছা জানান। সব কাজে সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে এখন পর্যন্ত এ ধরনের দৃশ্য দেখা যায়নি। এক পক্ষ আরেক পক্ষকে শত্রু মনে করে কোনো কাজেই সহায়তা না করার শপথ নেয়। ফলে দেখা যায় দেশের উন্নয়নে বিরোধী দলের কোনো ভূমিকা থাকে না। নির্বাচনে যে দলই পরাজিত হোক না কেন, কারচুপির অভিযোগ তোলা হয়। এ ব্যবস্থার পরিবর্তন হয়ে যদি শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তর করা যায় তাহলে দেশ অর্থনৈতিকভাবে আরো এগিয়ে যাবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। মাহতাবউদ্দীন রবিন চতুর্থ বর্ষ, ইতিহাস বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা ০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০ রাজনৈতিক অস্থিরতা অর্থনীতিতে ধস নামায় রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণের কোনো সঠিক হিসাব নেই। অর্থনীতির চাকাকে আমরা কখনোই ধারাবাহিকভাবে ঘুরতে দেয়নি। এর দায় আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোকে নিতে হবে। আমরা এখনো শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতা স্থানান্তরের প্রাকটিস শুরু করতে পারিনি। যদি পারতাম তাহলে আজ আমাদের অন্য দেশগুলোতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে যেতে হত না। আগামী সংসদ নির্বাচন থেকে যদি শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতা স্থানান্তর করা যায়, বিরোধী দল সরকারি দলকে সব কাজে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেয় তাহলে অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে খুব শিগগিরই উন্নয়নশীল বিশ্বের একনম্বর দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ। মাহমুদুল হাসান লিমন ইতিহাস বিভাগ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা ০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০ রাজনৈতিক অস্থিরতা দেশকে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে দিচ্ছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা দেশকে অর্থনৈতিকভাবে চরমভাবে পিছিয়ে দিচ্ছে। রাজনৈতিক অস্থিরতায় একই সাথে ঝরে যাচ্ছে তাজা প্রাণ। নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে অনেক পরিবার। যদি শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তর করে সাবলীলভাবে দেশের অর্থনীতি এগুতে পারতো তাহলে দেশে বেকারত্বের হার অনেকাংশে কমে যেত। জাবিদ হোসেন শহীদ সালাম-বরকত হল, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, সাভার, ঢাকা-১৩৪২ ০০০০০০০০০০০০০০০০ ক্ষমতা হস্তান্তর শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য হতে হবে যে কোন দেশের নির্বাচিত সরকারের মেয়াদ শেষ হবার সাথে সাথেই যে বিষয়টি সামনে আসে তা হলো গ্রহণযোগ্য উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তর। কেননা এর উপরই নির্ভর করে কোন দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে যে কথাটি আরো বেশি প্রযোজ্য। কেননা এখানকার রাজনৈতিক যে পরিবেশ তা স্থিতিশীলতা দাবি করে। যার উপর ভিত্তি করে এখানকার অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিচালিত হবে। আজকে বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা না থাকলে কালকে দেখব ইউরোপীয় ইউনিয়ন এ সুবিধা তুলে নিয়েছে। এ তো গেল একটা দিকের কথা। এরকম দেখলে অনেক বিষয়ই আমাদের নজরে আসবে। যেগুলোর সাথে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্পর্কযুক্ত। দিদারুল হক আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, সাভার, ঢাকা ০০০০০০০০০০০০০ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অবসান হোক রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও অস্থিরতায় সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে ব্যাহত করছে। সবাই সংলাপ ও সমঝোতার কথা বললেও তার কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। সরকারের পক্ষ থেকে সংলাপের কথা আসলেও অন্যদিকে বিরোধী দলকে দমনে পিছু হটেনি সরকার। আমাদের পরে স্বাধীনতা অর্জন করেও অনেক দেশ অর্থনীতির দিক থেকে উন্নত, তারা উন্নত শিক্ষা ও আধুনিক প্রযুক্তিতে এগিয়ে চলছে। আর আমাদের দেশে হিংসামূলক রাজনীতি করে পাটা-শিলে ঘষাঘষি করে বড় বড় রাজনৈতিক দল এদেশের অর্থনীতির পথকে অচল করে দিচ্ছে। এভাবে এক দল আরেক দলকে যদি ল্যাং মারতে থাকে তাহলে দেশের অর্থনীতির অবস্থা আরও খারাপ হয়। সুতরাং বর্তমান সরকারের উচিত এ দেশের মানুষের ঈমানী অধিকার এবং প্রাণ নিয়ে ছিনিমিনি না খেলা। সর্বোপরি, সরকার একটি মধ্যমপন্থী সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে এ দেশের অর্থনীতির অবনতি থেকে উন্নতি এবং অশান্তি থেকে শান্তি ফিরিয়ে আনতে পারে। এক কথায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও অস্থিরতাই বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল সমস্যা। নাজিমউদ্দিন ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, গাজীপুর