নয় মাসেই মধ্যপ্রাচ্য শান্তিচুক্তি চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০১৩, ২১:৪৭
ইসরাইল ও ফিলিস্তিন তাদের দীর্ঘদিনের সংঘাত অবসানে আগামী ৯ মাসের মধ্যেই ‘চূড়ান্ত পর্যায়ের’ শান্তিচুক্তিতে পৌঁছার চেষ্টা চালাবে। তাছাড়া, এ সপ্তাহে প্রথম দফা ইতিবাচক আলোচনার পর দুই পক্ষের আলোচকরা দুই সপ্তাহের মধ্যে আবারো বৈঠকে বসবেন। মঙ্গলবার দুই দিনের আলোচনা শেষে ওয়াশিংটনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানান যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী কেরি বলেন, “দুই পক্ষের মধ্যকার এ বৈঠক হয় ইসরাইল নয়তো ফিলিস্তিন ভূখন্ডে অনুষ্ঠিত হবে। আর এর মধ্য দিয়েই শুরু হবে আনুষ্ঠানিক আলোচনা প্রক্রিয়া”। “সব বিষয়ই আলোচনার টেবিলে থাকবে। এর লক্ষ্য হবে একটাই। আর তা হচ্ছে সংঘাতের অবসান ঘটানো”। ইসরাইল এবং ফিলিস্তিন দুই পক্ষই বিরোধপূর্ণ ইস্যুগুলোতে টেকসই, নিরবিচ্ছিন্ন এবং বাস্তবসম্মত আলোচনায় প্রতিশ্রুতবদ্ধ বলেও জানান কেরি। কেরি বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য হল আগামী নয় মাসের ভেতর চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছে যাওয়া। তিনি দেশ দুইটির আলোচকদের সঙ্গে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে ইতিবাচক ও গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে। এবং আমি খুব সন্তুষ্ট যে, তারা শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চায়। দীর্ঘ প্রায় তিন বছর পর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনে প্রথম দুইদিনের এ মধ্যপ্রাচ্য শান্তি আলোচনায় বসে ইসরাইল ও ফিলিস্তিন। কেরির উপস্থিতিতে ইসরাইলের প্রধান আলোচক সিপি লিভনি ও ফিলিস্তিনের প্রধান আলোচক সায়েব এরাকাত আলোচনায় অংশ নেন। ইসরাইলের মন্ত্রিসভা শতাধিক ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দিতে সম্মত হওয়ার পর দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে এ শান্তি প্রক্রিয়া শুরু হল।