মিয়ানমারের পূর্বাঞ্চলে বন্যার পর প্রায় ২৫ হাজার লোককে অস্থায়ী আশ্রয় শিবিরে সরিয়ে আনা হয়েছে। প্রত্যন্ত এলাকায় যেতে ত্রাণ বিতরণকারী দলগুলোকে প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। বুধবার দেশটির কর্মকর্তারা জানান, মিয়ানমারের পূর্বাঞ্চলে বন্যা দেখা দেয়ার পর প্রায় ২৫ হাজার মানুষকে অস্থায়ী শিবিরে সরিয়ে আনা হয়েছে। প্রত্যন্ত এলাকাগুলো পানিতে নিমজ্জিত থাকায় ত্রাণ সরবরাহকারী দলগুলোকে সেখানে পৌঁছাতে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে। সমাজকল্যাণ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন দপ্তরের পরিচালক চুম হ্রি এএফপিকে জানান, কারেন রাজ্যে কয়েদিন ধরে চলা ভারি বৃষ্টিপাতের পর বন্যার পানি বৃদ্ধি পেলে ওই এলাকার বাসিন্দারা প্রায় ৮০টি আশ্রয় শিবিরে গিয়ে ওঠে। মোন ও রাখাইন রাজ্যে কয়েকশ’ লোক বাস্তুচ্যুত হয়েছে উল্লে¬খ করে তিনি বলেন, ‘সর্বমোট ২৪ হাজার ৪৯৯ জন বন্যাদুর্গতকে আশ্রয় শিবিরে সরিয়ে আনা হয়েছে।’ ত্রাণ তত্পরতায় হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে উল্লে¬খ করে তিনি আরো বলেন, ‘খারাপ আবহাওয়া ও ভূমিধসের কারণে কোন কোন দুর্গত এলাকায় পৌঁছানো খুবই কঠিন।’
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রবল বর্ষণের কারণে থাই সীমান্তবর্তী এলাকাও নিমজ্জিত হয়েছে। বুধবার থাইল্যান্ডের সাতটি প্রদেশে বন্যা দেখা দিয়েছে। মন্ত্রণালয় আরো জানায়, সোমবার থেকে গাছ চাপা পড়ে তিনজন প্রাণ হারিয়েছে। পানির তোড়ে গাছগুলো উপড়ে পড়ে। মিয়ানমার বন্যাদুর্গত অঞ্চলের সীমান্তের ওপারে থাইল্যাণ্ডের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর মায়ে সোতের মধ্যাঞ্চলে বন্যার পানি হ্রাস পেয়েছে। তবে সীমান্ত চেকপয়েন্টের পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে পানি এখনো উঁচুতে রয়েছে।
