অধ্যায়: প্রথম
প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ,
নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নোত্তরের জন্য অধ্যায় ভিত্তিক বিশ্লেষণমূলক কিছু চিন্তাশীল বিষয় আলোচনা করা হল। যা এখন থেকে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হবে। যা থেকে যেকোন নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে। অধিকন্তু এটি পড়লে সৃজনশীল প্রশ্নের জ্ঞানমূলক অংশেরও উত্তর করতে পারবে।
ভৌত বিজ্ঞানের বিকাশ
প্রাচীনকালে ভৌত বিজ্ঞানের বিকাশ:
থেলিস ছিলেন প্রাচীন গ্রীক বিজ্ঞানী।
থেলিস সূর্যগ্রহণ সম্পর্কিত ভবিষ্যদ্বানির জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
থেলিস বলেছিলেন, বৃত্তের ব্যাস বৃত্তকে সমদ্বিখন্ডিত করে।
থেলিস লোডস্টোনের চৌম্বক ধর্ম সম্পর্কে জানতেন।
অ্যারিস্টার্কাস সর্বপ্রথম বলেন-সূর্যই সৌরজগতের কেন্দ্র এবং পৃথিবী ও অন্যান্য গ্রহগুলোকে তার চারদিকে ঘুরছে।
গ্রিক গণিতবিদ আর্কিমিডিস-(১) লিভারের নীতি আবিষ্কার করেন (২) তরলে নিমজ্জিত বস্তুর উপর ক্রিয়াশীল উর্ধমুখী বলের সূত্র আবিষ্কার করে ধাতুর ভেজাল নির্ণয় সমর্থ হন।
গ্রিক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস-ধারণা দেন যে পদার্থের অবিভাজ্য একক রয়েছে এবং তিনি এর নাম দেন পরমাণু বা এটম।
ভৌত বিজ্ঞানের বিকাশ মুসলিম অবদান
জাবির ইবনে হাইয়ান ও ইবনেসীনা, আলকেমীর উন্নতি সাধন করেন।
‘আলকেমি’ থেকেই বর্তমান কেমিস্ট্রি নামের উদ্ভব হয়েছে।
ইবনেসীনা একাধারে ছিলেন রসায়নবিদ, চিকিত্সক, দার্শনিক, গণিতজ্ঞ ও জ্যোতির্বিদ।
আল-খোয়ারেজিমি বীজগণিত ও ত্রিকোনোমিতির ভিত প্রতিষ্ঠা করেন।
তার বিখ্যাত গ্রন্থ ‘আল জিবর ওরাল মুকাবিলা’ এর নাম থেকে অ্যালজেবরা শব্দের উত্পত্তি হয়েছে।
আল ফাজারী গ্রহ নক্ষত্রের উন্নতি নির্ণয়ের জন্য অ্যাস্ট্রোলাব নামক যন্ত্র আবিষ্কার করেন।
আল খুজান্দি সেক্রট্যান্ট নামক যন্ত্র আবিষ্কার করেন। জ্যোতিবিজ্ঞানী ইবনে ইউনুস তার পূর্ববর্তী ২০০ বছরের জ্যোতিবিজ্ঞানী সংক্রান্ত পর্যবেক্ষণ রেকর্ড জমা করে জ্যোতিবিজ্ঞানী বিষয়ক একটি সারণী তৈরি করেন। এই সারণীর নাম ছিল হাকেমাইট অ্যাষ্ট্রোনমিক্যাল টেবিল।
কায়রোর খলিফা আল হাকিম ৯৯৫ সালে House of Science বা বিজ্ঞানাগার নির্মাণ করেন। আল মাসুদী প্রকৃতির ইতিহাস বিষয়ে একটি এনসাইক্লো পিডিয়া লেখেন। এই গ্রন্থে উইন্ডমিল বা বায়ুকলের উল্লেখ পাওয়া যায়। উইন্ডমিল বা বায়ুকলের সাহায্যে বিদ্যুত্ উত্পাদন করা হত।
আল মাসুদী ৯৫৭ সালে মারা যায়।
House of Science বা বিজ্ঞানাগার প্রতিষ্ঠা করেন ইবনে ইউনুস। পরবর্তী অংশ আগামীকাল
