সরকারি চাকরিতে
কোটা পদ্ধতি সংস্কার
করা উচিত
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিশ্বে মানচিত্রে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে জায়গা করে নেয় বাংলাদেশ। এই যুদ্ধে সমাজের সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করে যাদের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে আমাদের এই দেশ বাংলাদেশ। তারা আজ সমাজে মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে পরিচিত। আমি তাদের সম্মান করি এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করি। আমাদের সংবিধান অনুযায়ী সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও নাতি-নাতনিদের জন্য ৩০ শতাংশ বরাদ্দ। অনেক মুক্তিযোদ্ধা আছে যারা আজ সমাজে প্রতিষ্ঠিত, অর্থ-সম্পদের অভাব নেই, তাদের সন্তানরা এবং যে সকল মুক্তিযোদ্ধা দৈনিক তিনবেলা পেটপুরে খেতে পারে না, অনাহারে দিন কাটে তাদের সন্তানরাও মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পেয়ে থাকেন। আমার মনে হয় প্রতিষ্ঠিত মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের মেধাবী কোটায় দিয়ে এবং অসহায়, গরীব মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী কোটা বরাদ্দ রাখা। তাহলে মেধাবীদের মেধা দিয়ে সরকারি কাজে সাহায্য করতে পারবে এতে করে দেশ ও দেশের জনগণ উপকৃত হতে পারবে।
হাবিবুর রহমান
স্নাতক, (সম্মান) ইতিহাস
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
০০০০০০
সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাদ দিয়ে মেধাবীদের নিয়োগ দেয়া না হলে দেশ একদিন রসাতলে যাবেই
বর্তমানে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন কোটা পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকে। যেমন: পোষ্য কোটা, নারী কোটা, প্রতিবন্ধী কোটা, জেলা কোটা, মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান, নাতি-নাতনি কোটা ইত্যাদি। এবং এই কোটা পরিপূর্ণ করার জন্য সরকার সাধারণ মেধাবীদের থেকে অনেক কম নম্বর (১৫-২০) পাওয়া মেধাহীন ছাত্র-ছাত্রীদের (কোটার আওতাভুক্ত) নিয়োগ দিয়ে থাকেন। আমি একজন সাধারণ ছাত্র হিসাবে বলবো যে, পোষ্য কোটা, নারী কোটা ও প্রতিবন্ধী কোটার পরিমাণ কমিয়ে আনা উচিত। এবং মুক্তিযোদ্ধা সন্তান, নাতি-নাতনিদের জন্য কোটা পদ্ধতি বাতিল করা প্রয়োজন। প্রয়োজনে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের অন্য কোন উপায়ে সম্মানিত করা যেতে পারে। মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদেরকে সরকারি চাকরিতে অবশ্যই নিয়োগ দিতে হবে কারণ শুধু মেধাবীরাই পারবে তাদের মেধার মাধ্যমে দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং মেধাবীরা সুকৌশলী হয়ে থাকেন। অন্যথায় মেধাবীরা ভুগবে সরকারি ভাল চাকরি না পাওয়ার বেদনায়।
মো. ইয়াছিন খান
এম,এ ফাইনাল, ইংরেজি বিভাগ
সরকারি বিএম কলেজ, বরিশাল
০০০০০
কোটা থাকার
দরকার আছে
বাংলাদেশে অসংখ্য লোক বেকার আছে, সরকারি-বেসরকারি কোথায়ও চাকরি মিলছে না আবার অনেকে আছে মাস্টার্স পাস করে টেক্সিক্যাব চালাচ্ছেন। তাহলে শিক্ষা-দীক্ষা দিয়ে বড় হয়ে কি মিললো ভাগ্যে এটাই কি তার অপরাধ, যে ঘুষ দিতে পারছে না দেখে চাকরি মিলবে না, আরো অনেক ছাত্র আছে তারা পড়াশুনা শেষ করে চাকরি পাচ্ছে না দেখে তারা খারাপ পথ বেছে নিয়েছে। এতে বাংলাদেশের জন্য ক্ষতি হচ্ছে। দেশ হারাচ্ছে ভাল, মেধা বিকাশের ব্যক্তিদের। দেশ চলে যাচ্ছে ধ্বংসের দিকে। সরকারি চাকরিতে দেখা যায়, কেউ বলে মন্ত্রীদের জন্য কোটা, কেউ বলে নেতাদের কোটা, কেউ বলে মামুর জোর, কেউ বলে খালুর জোর, আরো অনেক জোর আছে, যাদের কোটা নেই জোর নেই তাদের, কি দোষ তাদের, কিভাবে চলবে, জীবনে তাদের ভাগ্য পরিবর্তন কিভাবে ঘটবে, কারণ তাদের তো মামুর জোরও নেই, খালুর জোরও নেই, ঘুষও দিতে পারে না, তাহলে কোথায় যাবো আমরা। কারণ সবাই তো বাংলাদেশের নাগরিক, খেয়ে-পরে সবাই তো বাঁচতে হবে। কোটাভিত্তিক চাকরিতো সবাই পাচ্ছে না, তারা কি করবে সেদিকে একটু লক্ষ্য রাখা উচিত।
মো.মোশারফ হোসেন সোহাগ
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
চট্টগ্রাম
০০০০০
ক্ষমতা হস্তান্তর করা মানে অর্থনৈতিক উন্নতির চাবিকাঠিতে পরিণত হওয়া
বাংলাদেশ গণতন্ত্রের দেশ বলে অবশ্যই ক্ষমতা ত্যাগ করে অন্যের হাতে ন্যস্ত করা অতীব জরুরি। আর এতে দেশের উন্নতি হবে। প্রতিহিংসা বাড়ছে বলে দেশ অস্থিতিশীল হচ্ছে। এজন্য ব্যক্তিগত ও নিজ দলীয় স্বার্থ বাদ দিয়ে গণতন্ত্রকে উন্নত করা একান্ত কর্তব্য। গার্মেন্টস, কেমিক্যাল কোং কারখানার উত্পাদন সবই আমাদের দেশের তাতে কিন্তু রফতানি বাইরের দেশে। যেমন করে হরতাল, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, বিদ্বেষ চলছে দেশে রফতানি বাজার বন্ধ হচ্ছে আর অচল হচ্ছে দেশ। এমনকি দেশ সোনালীতে না হয়ে অদম্য সীসায় পরিণত হচ্ছে। তার জন্য দরকার ক্ষমতা ত্যাগ। আর তার ফলেই বাংলা একটি সোনালী হীরাতে পরিণত হবে ও গড়ে উঠবে একটি ডিজিটাল বাংলাদেশ।
মো. আমিনুল ইসলাম
এমবিএ (এম,আই, ৩য়)
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
