ইসরাইলের ১২০০ নতুন ইহুদি বসতি অনুমোদন

আপডেট : ১২ আগস্ট ২০১৩, ২০:৫৬
অধিকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চলে নতুন করে প্রায় ১২শ’ ইহুদি বসতি নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে ইসরাইল। দেশটির নাগরিকদের চাহিদা পূরণে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে এ সমস্ত বাড়ি নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ইসরাইলের আবাসন মন্ত্রী ইউরি এরিয়াল। ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে নতুন করে শান্তি আলোচনা শুরুর মুহূর্তে এ ধরনের একটি পদক্ষেপ আসন্ন বৈঠককে অনিশ্চয়তায় ফেলে দিবে বলে মনে করছেন অনেকে। সেই সঙ্গে ইসরাইলের ঘোষিত ২৬ ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেয়ার বিষয়টিও কতটা বাস্তবায়িত হবে তা নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে। ফিলিস্তিনি আলোচক সায়েব ইরাকাত এরই মধ্যে তার প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন, ইসরাইলের এ পদক্ষেপে শান্তি প্রক্রিয়ায় তাদের আন্তরিকতা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। ইহুদি বসতি নির্মাণকে কেন্দ্র করেই ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে সর্বশেষ সরাসরি শান্তি আলোচনা ভেস্তে গিয়েছিল ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে। ফিলিস্তিনিদের নতুন রাষ্ট্র গড়ার কাঙ্ক্ষিত জায়গাটিতেই ইসরাইলের ইহুদি বসতি স্থাপনের বিষয়টি দু’পক্ষের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে আছে। যুক্তরাষ্ট্রের চেষ্টায় সমপ্রতি মধ্যপ্রাচ্য শান্তি আলোচনা আবার শুরুর সম্ভাবনার এ সময়টিতে ফের অধিকৃত ফিলিস্তিন অঞ্চলে ইসরাইলের নতুন বসতবাড়ি নির্মাণের ঘোষণায় সে আশা অঙ্কুরেই বিনষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ সপ্তাহের পরপরই এ আলোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এদিকে নতুন এ বসতি স্থাপনের অনুমোদনের পর ২৬ ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেয়ার ইসরাইলি ঘোষণা কতখানি বাস্তবায়িত হবে তা নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে। শান্তি আলোচনার শর্ত হিসাবেই ইসরাইল ওই ২৬ বন্দীকে ছেড়ে দেয়ার কথা বলে। সে মোতাবেক রবিবার ইসরাইলের কারা সেবা ২৬ জনের নামসহ তালিকা প্রকাশ করে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, আগামী দুইদিনের মধ্যে তাদের মুক্ত করা হবে। এদের মধ্যে ১৪ জনকে গাজায় ও ১২ জনকে পশ্চিমতীরে ফেরত পাঠানো হবে। সামনে শান্তি আলোচনার যদি অগ্রগতি হয় তাহলে চার ধাপে মোট ১০৪ জন বন্দীকে মুক্ত করা হবে।