কুড়িগ্রাম সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষা বাহিনী বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) গুলিতে বাংলাদেশি কিশোরী ফেলানি হত্যার বিচার গত মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহারে সদর কার্যালয়ে শুরু হয়েছে। আমরা চাই এই কিশোরীর সঠিক ন্যায়বিচার করা হোক এবং আগামীতে বাংলাদেশ ও ভারত সম্পর্ক আরো জোরদার হোক।
মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল)
আরাপপুর, ঝিনাইদহ
আগামী ১৯ আগস্ট ফেলানি মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। এই হত্যার রায়ের মাধ্যমে সঠিক বিচার করে ভারত ও বাংলাদেশের বন্ধুত্ব অটুট রাখা হোক।
হাসান মোহাম্মদ হোসাইন চৌধুরী
কবিরহাট, নোয়াখালী
একটা রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো তার সার্বভৌমত্ব। বর্তমান বাংলাদেশ সরকার ভারতকে ট্রানজিট নামে যা প্রদান করছে তা হলো করিডোর। তবে যাই হোক না কেন আজ সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে ফেলানি হত্যার বিচার যদি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ হয়ে অপরাধীর সত্যিকারের বিচার হয় তা হলেই মনে করতে হবে আগামীতে ভারতের সাথে সম্পর্ক গভীর হবে।
আইরিন সুলতানা মন্জু
ধুপপুর, মাইজপাড়া, চট্টগ্রাম
ফেলানি হত্যার বিচারের মাধ্যমে সীমান্তে হত্যা বন্ধ হবে বলে আমরা মনে করি।
রিফাত
ঝিনাইদহ
২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহারের দিনহাটার চৌধুরীহাট সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত হয় কিশোরী ফেলানি। আজ সেটার বিচারের জন্য প্রক্রিয়া শুরু করেছে ভারত। আমরা চাই সুষ্ঠু নিরপেক্ষ বিচার।
নাসরিন সুলতানা
স্যানিসাইড, নিউইয়র্ক
কিশোরী মেয়ে ফেলানি হত্যার বিচার সত্যি আমাদের জন্য অনেক কিছু। আমরা চাই সীমান্তে নিরাপত্তা আরো জোরদার এবং ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার হবে।
জাহাঙ্গীর খান
পুরানা পল্টন, ঢাকা
ফেলানি হত্যার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আশা করি এই প্রক্রিয়া সফল হবে। এতে করে দু’দেশের পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিকসহ পারস্পরিক বিষয় উন্নয়ন হবে।
সেলিম
মহাখালী, ঢাকা
বাংলাদেশের কিশোরী ফেলানি। কুড়িগ্রামের অনন্তপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত হন। আজ তার বিচারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই বিচার সফল হবে আশা করি ও দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠতর হবে।
শাহানারা ইয়াসমীন
মিরপুর, ঢাকা
ফেলানি হত্যার বিচার সত্যি একটি স্বস্তিদায়ক বিষয়। এই হত্যাকাণ্ডের বিচারের মধ্য দিয়ে সত্যিকার ন্যায়ের বিচারের বিষয়টি বেরিয়ে আসবে। পাশাপাশি দু’দেশের সম্পর্কের টানাপড়েন কেটে নতুন সূর্যের উদয় হবে।
নার্গিস সুলতানা
নবাবগঞ্জ, ঢাকা
ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে এই ফেলানি হত্যার মধ্য দিয়ে—এই বিশ্বাস আজ আমাদের।
ফারহানা ইসলাম
নিউমার্কেট, ঢাকা
আড়াই বছর আগে কুড়িগ্রামের অনন্তপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত হয় বাংলাদেশের কিশোরী ফেলানি। মর্মান্তিক এই হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া শুরুর মধ্য দিয়ে আমরা আশা করবো দু’দেশের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভালোবাসাময় হবে।
মাসুম
যাত্রাবাড়ী, ঢাকা
ফেলানি হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারত সরকার একটি দ্বি-পাক্ষিক সমঝোতায় পৌঁছাবে এটাই আমাদের বিশ্বাস।
মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু
মহাখালী, ঢাকা
ভারতের কুচবিহারে ফেলানি হত্যার বিচার শুরু হয়েছে। এই বিচারের উপর নির্ভর করছে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের দিক নির্দেশনা।
জাহাঙ্গীর খান বাবু
মুন্সীগঞ্জ
ভারতের কুচবিহারে শুরু হওয়া বাংলাদেশি কিশোরী ফেলানি হত্যার বিচার। আমরা আশা করছি, এই বিচার অত্যন্ত নিরপেক্ষ হবে এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরো সাবলীল হবে।
হাবিবুর রহমান
মতিঝিল, ঢাকা
কুড়িগ্রাম সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গুলিতে বাংলাদেশি কিশোরী হত্যার বিচার শুরু হয়েছে। আমরা দেখতে চাই, এই বিচার ন্যায়-নীতি ও সুষ্ঠু বিচার। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক চাই।
আতিক হাসান
এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা
ফেলানি হত্যার বিচার শুরু হয়েছে। আজ থেকে আড়াই বছর আগে সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে তিনি নিহত হন। মর্মান্তিক এই হত্যাকাণ্ডের বিচারের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতিসহ তথা দেশের সাথে সম্পর্ক আরো গভীর হবে।
পারভীন সুলতানা
ঝিনাইদহ
ফেলানি হত্যার বিচার শুরু হওয়াতে ভারতের সাথে আমাদের সম্পর্কটা আরো ঘনিষ্ঠ হবে। এতে করে সাম্প্রতিক সময়ে বিএসএফের হাতে বিভিন্ন ব্যক্তিকে হত্যা করার ব্যাপারে বিচার প্রক্রিয়া আরো অগ্রসর হবে বলে আমি মনে করছি।
স্বপন সরকার
এসএম মালে রোড, নারায়ণগঞ্জ
ভারতের কুচবিহারে শুরু হয়েছে বাংলাদেশের কিশোরী ফেলানি হত্যার বিচার। সারাবিশ্ব তাকিয়ে আছে এই বিচারের দিকে। কারণ এর ফলে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপিত হবে।
নীলুফা আক্তার
টোলার বাগ, মিরপুর, ঢাকা
বিশ্বব্যাপী আলোচিত-সমালোচিত সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে আড়াই বছর আগে নির্মমভাবে কিশোরী ফেলানি হত্যার বিচার শুরু হওয়ায় সীমান্ত এলাকার জনগোষ্ঠী কিছুটা হলেও স্বস্তি পাচ্ছে। বর্তমান গণতান্ত্রিক আওয়ামী লীগ সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করায় সীমান্তে হত্যাসহ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হওয়ায় জনগণ বুঝতে পারছে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগই প্রকৃত দেশপ্রেমিক। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সীমান্তে হত্যা বন্ধের ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেয়নি। কিশোরী ফেলানি হত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি হলে সীমান্তে হত্যায় বিএসএফ নিষ্ক্রিয় হবে।
ফারুক আহমেদ
বাগমারা, রাজশাহী
আমরা মনে করি, ফেলানি হত্যার বিচারের মধ্য দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক আরো নিবিড় হয়ে উঠবে।
শহীদুল ইসলাম রয়েল
কাজীপাড়া, মিরপুর, ঢাকা
বাংলাদেশের কিশোরী ফেলানি হত্যার বিচারের মধ্য দিয়ে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক অত্যন্ত জোরালো হবে— এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
মো. মেজবাহ উদ্দিন সেলিম
শেওড়াপাড়া, মিরপুর
বাংলাদেশের কিশোরী ফেলানি। আজ থেকে আড়াই বছর আগে কুড়িগ্রামের অনন্তপুরে বিএসএফের গুলিতে মর্মান্তিকভাবে তিনি নিহত হন। অত্যন্ত স্বস্তির কথা, আনন্দের কথা— এর বিচার শুরু হয়েছে। এই বিচারের মাধ্যমেই দুই দেশের মধ্যে আন্তরিকতা দিন দিন বাড়বে বলে আমরা মনে করছি।
হোসনে আরা করিম
এনায়েতগঞ্জ লেন, ঢাকা
ফেলানি হত্যার বিচার হচ্ছে। এই বিচার হোক সুষ্ঠ,ু নিরপেক্ষ এবং আগামীতে দুই দেশের সম্পর্ক সুন্দর সাবলীল হোক এই প্রত্যাশা আমাদের।
রবিউল ইসলাম রবি
আজিজ মার্কেট, ঢাকা
ভারতের কুচবিহারের একটি বিশেষ আদালতে চাঞ্চল্যকর ফেলানি হত্যা শুরু হয়েছে। আমরা আশা করছি, ফেলানি হত্যার বিচারের মাধ্যমে হত্যা নির্মূল হবে।
মুন্সী মোহাম্মদ ওয়াহিউল্লাহ
ষ্টুডিও ফুজিয়া, মিরপুর, ঢাকা
ফেলানি হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া শুরুর ফলে ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক নিশ্চয়ই ঘনিষ্ঠ হবে। আমাদের আশা, ভবিষ্যতে সীমান্তে নিরীহ বাংলাদেশের নাগরিকের উপর গুলিবর্ষণ, প্রহার, জীবননাশের মত ঘটনা বন্ধ হবে। দুই দেশের সীমান্তে হাটবাজার আরো বেশী বেশী চালু করে পণ্য বেচা-কেনাসহ আত্মিক সম্পর্ক গভীর করা অত্যন্ত জরুরি।
আবু তাহের বকুল
১৫ দীননাথ সেন রোড, গেণ্ডারিয়া, ঢাকা
ভারতের ফেলানি হত্যার বিচার শুরু আমাদের বাংলাদেশের জন্য স্বস্তিদায়ক অবশ্যই। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা দরকার; তাহলে আগামীতে এমন ঘটনা আর ঘটবে না বলে আমরা মনে করছি।
এস এম মোহাম্মদ রমিজউদ্দিন
প্রশিকা প্রধান কার্যালয়, মিরপুর, ঢাকা
আজ থেকে আড়াই বছর আগে কুড়িগ্রামের অনন্তপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত হন আমাদের দেশের কিশোরী ফেলানি। মর্মান্তিক এই হত্যাকাণ্ডের বিচার হতে হবে অবশ্যই নিরপেক্ষ। তাহলে সারাবিশ্ব দেখবে যে, ভারত নিরপেক্ষ বিচার করেছে; অন্যদিকে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার হবে।
শিশির
পিলখানা, ঢাকা
ভারতের কুচবিহারে চাঞ্চল্যকর ফেলানি হত্যার বিচার শুরু হয়েছে-সত্যি এটা আশার বাণী আমাদের জন্য। বিএসএফের গুলিতে নিহত হন বাংলাদেশের এই কিশোরী। আমরা মনে করছি, সত্যিকারের বিচারের মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক আরো জোরদার হবে।
কাউছার আকন্দ
মতিঝিল, ঢাকা
আজ থেকে আড়াই বছর আগে কুড়িগ্রামের অনন্তপুরে সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত হন এ দেশের কিশোরী ফেলানি। আজ তার বিচার শুরু হয়েছে। এই বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই দুই দেশের বন্ধুত্ব আরো সুন্দর হয়ে উঠবে।
সোহাগ
ভাগলপুর লেন, নবাবগঞ্জ, ঢাকা
ফেলানি হত্যার বিচারের মধ্য দিয়ে ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠতর হবে এটাই আমরা আশা করছি।
ফারুক আলম
মালিবাগ, ঢাকা
ফেলানি হত্যার বিচার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা মনে করি, এই সুষ্ঠু বিচারের মধ্য দিয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো নদীর স্রোতধারার মত হয়ে উঠবে।
মারুফ
খিলগাঁও, ঢাকা
ফেলানি একটি কিশোরীর নাম। একটি নির্দোষ, অপরাধবিহীন মেয়েকে বিএসএফ হত্যা করেছিল। তার বিচার এখন শুরু হয়েছে। এই বিচারের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা পাবে। অন্যদিকে দুই দেশের সম্পর্ক আরো জোরদার হবে বলে আমরা ভাবছি।
আবদুল মালেক মিয়া
দলিল লেখক, মিরপুর, ঢাকা
ফেলানি হত্যার বিচার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ চাই। এতে করে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ হবে।
স্বপন
কবিরহাট, নোয়াখালী
ফেলানি হত্যার বিচার হচ্ছে শুনে খুশি হলাম। গত ৪৩ বছর ধরে সীমান্তে যে অগণিত মানুষ হত্যা করা হয়েছে প্রত্যেকটির বিচার কি ভারত সরকার করবে? বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর এ পর্যন্ত ভারতের নিকট থেকে আমরা কখনো বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ দেখিনি।
শাহ আলম খান শরণ
বাঁশখালী, চট্টগ্রাম
২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহারে ফেলানি নামের এক কিশোরী বিএসএফ-এর গুলিতে নির্মমভাবে প্রাণ বিসর্জন দিয়েছে। এই মর্মান্তিক মৃত্যু হত্যাকাণ্ড, না দুর্ঘটনা তা কারো জানা নেই। আড়াই বছর পর গত মঙ্গলবার কুচবিহার জেলার তিনহাটা বিএসএফ সদর কার্যালয়ে বিচারকার্য শুরু হয়েছে। হত্যাকাণ্ড বা দুর্ঘটনা যাই হোক, পিতা-মাতার কাছে সন্তানের নির্মম মৃত্যু মর্মান্তিক আঘাত। আমাদের দেশে মানুষের রক্তের বিনিময়ে সব পাওনা আদায় হয়, অথচ প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকলে আলোচনা বা সমঝোতার মতো হলে কাউকে নির্মমভাবে প্রাণ দিতে হবে না। আজ পর্যবেক্ষক মহল মনে করছেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠতর হবে। পর্যবেক্ষক মহলের আগেই সুসম্পর্ক বজায় রাখতে সুযোগ তৈরি করা উচিত ছিল। তবে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ থাকলে ফেলানিকে রক্ত দিতে হতো না।
আশা এলিজাবেত গোমেজ
লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা ১১০০
ফেলানির মৃত্যু নিয়ে দীর্ঘদিন পর বিচার চলছে শুনে আমরা আশান্বিত হয়েছি। ভারত প্রতিবেশী দেশ। তারা বড় রাষ্ট্র হলেও আমাদের ছোট দেশের প্রতি তাদের যে উদারতা রয়েছে সেজন্য ভারতকে ধন্যবাদ। এভাবে যদি সর্বক্ষেত্রে ভারত আমাদের পাশে থাকে তাহলে বাংলাদেশ সবদিক থেকেই চিন্তামুক্ত থাকবে। সবশেষে ভারতকে আবার ধন্যবাদ জানাই।
জসিম উদ্দিন
পুরান থানা, কিশোরগঞ্জ
ফেলানি হত্যার বিচার নিয়ে ভারত অনেক সময় নষ্ট করলেও তার বিচার হচ্ছে সেজন্য আমরা আনন্দিত। সাধারণ মানুষকে যেভাবে বিএসএফ হত্যা করে তা এরপর আর করবে না বলে আমার বিশ্বাস।
সৈয়দ হায়দার আলী
সভাপতি, মহাখালী যুব কল্যাণ সমিতি, মহাখালী, ঢাকা
বিশ্বে সাড়া জাগানো ফেলানি হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রসঙ্গে ভারতের এই উদ্যোগ এক স্মরণীয় ইতিহাস। যার প্রভাব গোটা বিশ্বেই আলোড়ন সৃষ্টি করেছে ইতিমধ্যে। ফেলানি হত্যাকাণ্ডের বিচার করায় ভারতও বিশ্বের কাছে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের স্বীকৃতি আরেক দফা আদায় করবে এতে কোন সন্দেহ নেই। এটা বাংলাদেশের জন্য একটা নতুন ইতিহাস। কাঁটাতারের বেড়ায় ফেলানির ঝুলন্ত লাশ এখন বিএসএফ-এর কাছে যমদূত হিসাবে এগিয়ে যাচ্ছে। এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের বিচারকে বিশ্ব বিবেক অবশ্যই স্বীকৃতি দেবে।
শাহ মো. হেলাল উদ্দিন হিরু
কালিহাতি, টাঙ্গাইল
বিচারের ফলাফল যাই হোক না কেন দীর্ঘ আড়াই বছর পর ভারত ফেলানি হত্যার বিচার শুরু করেছে বলে আমাদের ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হবে এমন ভাবনা আমি ভাবছি না। ফেলানি হত্যাই যদি সীমান্ত এলাকায় শেষ হত্যা হতো তাহলে হয়তো দুই দেশের সম্পর্ক আরও ভ্রাতৃপ্রতিম হতো। ভারত আমাদের এক জটিল প্রতিবেশী রাষ্ট্র। মূলা দেখিয়ে আমাদের কলা নিয়ে যায়। ফেলানি হত্যার বিচার প্রক্রিয়া শুরু করে আবার না আমাদের কোন করিডোর বা অন্য কোন ফায়দা লোটার ফন্দিফিকিরে আছে কিনা এখন তাই আমার ভাবনা।
মো. লুত্ফুর রহমান
এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা
যদি ফেলানির মৃত্যুর বিচার যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়, প্রকৃত দোষী ব্যক্তিরা শাস্তি পায়, তবেই দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও সুন্দর হতে পারে। গরিব অশিক্ষিত কিংবা ভিনদেশি মরেছে বলে জীবনের জয়গান সেখানে যেন থেমে না থাকে। দেরিতে হলেও ফেলানির মৃত্যু নিয়ে মামলা হয়েছে, সে মামলার বিচার হতে যাচ্ছে জেনে আমরা খুশি হয়েছি এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অবহেলিত মানবতার জয় হয়েছে। কোন মৃত্যুই তুচ্ছ নয় এবং সে মৃত্যু পুরুষ কিংবা নারী যার বেলায়ই হোক তার বিচার পাওয়ার অধিকার আছে। রাষ্ট্র এমন একটা সংগঠন যেখানে কোন অন্যায়, অসত্য, অন্যায্য ঘটনাকে চাপা দেওয়া যায় না—ফেলানির বিচার তারই একটা প্রকৃষ্ট উদাহরণ। আমরা ফেলানির দুঃখজনক মৃত্যুর জন্য ভারতের কাছ থেকে যথোপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারি। সেইসাথে নিশ্চয়তা আইনের মাধ্যমেও চাইতে পারি, যেন আগামীতে এরকম হূদয়বিদারক ঘটনা আর না ঘটে। আমরা আছি সেইদিনের শুভক্ষণের জন্য, যেদিন কোন প্রতিবেশী বড় রাষ্ট্র ছোট প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে কোনরূপ চাপে রাখবে না, বরং মর্যাদার দিক দিয়ে রাষ্ট্রকে রাষ্ট্র হিসাবে দেখবে। দেরিতে হলেও ভারতের শুভবুদ্ধির উদয় হওয়ায় বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানাই। জয় হোক মানবতার।
ওয়াহিদ মুরাদ
স্বরূপকাঠি, পিরোজপুর
২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ি উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে কিশোরী ফেলানিকে গুলি করে হত্যা করে ভারতের ১৮১ ব্যাটালিয়নের চৌধুরীহাট ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা। তবে আমরা আশা করি, কোমলমতি মেয়ে ফেলানির মতো আর কাউকে যেন নির্মমভাবে বিএসএফ-এর গুলিতে হত্যার শিকার না হতে হয়। দেশবাসী এমন বিচার পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী অনেক। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বও আশা করছি।
আক্তার জাহান
মালিবাগ, ঢাকা
ইতিহাস স্মরণীয় কিশোর ফেলানি হত্যাকাণ্ডের বিচার সত্যি এক প্রশংসনীয় উদ্যোগ ভারতের। এই বিচার গোটা বিশ্বে স্বীকৃতি পেয়ে নতুন করে রেকর্ড সৃষ্টি করলো ভারত।
মাসুদ
লালবাগ, ঢাকা
ফেলানির হত্যাকাণ্ডের বিচার সুষ্ঠু হওয়া দরকার। সারাবিশ্ব এখন ভারতের এই ফেলানির বিচারের দিকে মন দিয়েছে। সত্যিকারের গণতন্ত্রের মধ্য দিয়ে কাজটি করছে ভারত। ভারত তাই প্রশংসার দাবিদার
আতিকুল ইসলাম
রূপনগর আবাসিক এলাকা, মিরপুর, ঢাকা
কুড়িগ্রাম সীমান্তে ফেলানি হত্যার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আমরা চাই সুষ্ঠু নিরপেক্ষ বিচার।
ওয়াহিদ
ইস্কাটন, ঢাকা
পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহারে বাংলাদেশি কিশোরীর হত্যাকাণ্ডের বিচার হচ্ছে। আমরা চাই নিরপেক্ষতা। বিচার হতে হবে স্বচ্ছ।
জিনাত হোসেন
ইস্কাটন, ঢাকা
