ক.বেশ কয়েক বছর আগের কথা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসটেক বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতা করছেন উইনস্টন চার্চিল জুনিয়র। তিনি খ্যাতনামা সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার উইনস্টন চার্চিলের গ্র্যান্ডসন। বক্তৃতার বিষয় ইসলাম ও গণতন্ত্র। বক্তৃতার এক পর্যায়ে তিনি মুসলিম গণতন্ত্রায়নে মার্কিন সহায়তার তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, মুসলিম বিশ্বের গণতন্ত্রায়নে মার্কিন তথা পাশ্চাত্যে স্বার্থের বিপরীত ফল বয়ে আনবে। তিনি আরও বলেন: আজ যদি মিসরে নির্বাচন দেয়া হয় তাহলে ক্ষমতাসীন হবে আল-ইখওয়ান, যদি আলজিরিয়ায় নির্বাচন দেয়া হয় ক্ষমতাসীন হবে এফ এল এন, যদি নাইজেরিয়ায় নির্বাচন দেয়া হয়.....। এভাবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর নাম উল্লেখ করে সর্বত্র ইসলমপন্থিদের উত্থানের কথা বলেন। তিনি ব্যাখ্যা করেন মুসলমানদের ধর্মগ্রন্থ আল কোরআনে ছত্রে ছত্রে সন্ত্রাসের কথা আছে। এ লেখকের প্রবল প্রতিবাদে তিনি ভোল পাল্টে ফেলেন। এ মুহূর্তে এ উদ্ধৃতি এ জন্য প্রাসঙ্গিক যে, সত্যি সত্যি মিসরের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে আল-ইখওয়ান অর্থাত্ মুসলিম ব্রাদারহুড পার্টি বিজয় অর্জন করে এবং তা অবশেষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পাশ্চাত্যের স্বার্থের বৈরী হয়ে দাঁড়ায়।
খ. মনীষী এডওয়ার্ড সাঈদ তার বিখ্যাত গ্রন্থ অরিয়েন্টালিজমে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের চিরায়ত সংঘাত তথা পাশ্চাত্য কর্তৃক প্রাচের অবদমনের এক কঠিন চিত্র অঙ্কন করেছেন। প্রয়াত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী এস পি হান্টিংটন সেই দ্বন্দ্ব এবং অবদমনকে সভ্যতার দ্বন্দ্বে রূপান্তরের প্রয়াস পেয়েছেন। আজকে গোটা বিশ্বে সমাদৃত পাশ্চাত্য গণতন্ত্রও প্রাচ্যে প্রশ্নহীন নয়। আধুনিক সিঙ্গাপুরের স্থপতি লি কোয়ান ইউ পাশ্চাত্য গণতন্ত্রের গ্রহণযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। প্রাচ্যের অন্যান্য সভ্যতার চেয়ে ইসলামী সভ্যতার সাথে পাশ্চাত্যের তফাত্ আরো বেশি। সুতরাং ইসলামী বিশ্বে পাশ্চাত্য গণতন্ত্রের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করা অযৌক্তিক নয়। অপরদিকে পাশ্চাত্যের ঔপনিবেশিকতার যাঁতাকলে নিষ্পিষ্ট গোটা বিশ্বব্যাপী মুসলিম মানসে বিভক্তি, দ্বৈধতা, কোন্দল, হতাশা, স্ববিরোধিতা প্রবলভাবে পরিদৃষ্ট। মিসরের সমাজ ও রাষ্ট্রের আজকের অবস্থার প্রেক্ষিতে খুব সঙ্গতভাবেই এসব প্রশ্ন উত্থাপন করা যায়। বিশেষ করে যারা ইন্দোনেশিয়া থেকে মরক্কো পর্যন্ত বিস্তৃত মুসলিম জাহানে ইসলামী পুনর্জাগরণের মন্ত্র নিয়ে কাজ করছেন তাদের কাছে পাশ্চাত্য গণতন্ত্র ইসলাম প্রতিষ্ঠার উপায় হিসেবে কতটা গ্রহণযোগ্য তা আজ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে। আলজেরিয়া, নাইজেরিয়ার করুণ অভিজ্ঞতার পর মিসর থেকে তারা কি শিক্ষা গ্রহণ করেন সেটি বিবেচ্য বিষয়। অন্তত: এ টুকু বলা যায় যে, পাশ্চত্য লালিত সেনাবাহিনী ইসলাম তো দূরের কথা গণতন্ত্রের জন্যও মহা হুমকি স্বরূপ।
গ. শক্তি ও সম্মতি তথা স্বৈরাচার ও গণতন্ত্রের দ্বন্দ্বে মিসরীয় জনগণ আজ নির্মমভাবে পর্যুদস্ত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের তাঁবেদার সামরিক শাসক গোষ্ঠী মতাদর্শিক প্রতিহিংসা, কায়েমী স্বার্থবাদ এবং বিদেশি ক্রীড়নক হিসেবে ঝাঁপিয়ে পড়ে নিজ নিরস্ত্র জনগণের উপর। বিগত ১৪ আগস্ট সমসাময়িক পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মম, নিষ্ঠুর, বর্বর হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। সেনাবাহিনী নিরস্ত্র জনতার উপর মেশিনগান হেলিকপ্টারসহ অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করে। সরকারি হিসেব মতে মৃতের সংখ্যা ৬৭৮+১৭৩=৮৫১। ব্রাদারহুডের মতে দু হাজারেরও বেশি। সিএনএন এর ভাষ্যে বলা হয় একটি মসজিদে ৫ শত লাশ স্তূপ করে রাখা হয়। বিশ্বব্যাপী নিন্দা সত্ত্বেও হায়েনাদের রক্তপিপাসা মিটছে না। ১৬ আগস্ট ১৭৩ জনকে হত্যা করা হয়। প্রতিদিনই মৃতের খবর আসছে। ভারি হয়ে উঠছে কায়রোর আকাশ বাতাস। নীল নদে এ যেন রক্তের প্লাবন।
ঘ. এমনিতে মিসর আমাদের কাছে ফেরাউনের দেশ হিসেবে সমধিক পরিচিত। সত্য কথা বলতে কি ৯৬৯ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১২৫০ পর্যন্ত ফাতেমীয় এবং সুলতান সালাহ উদ্দিন আইয়ুবীর শাসনকাল বাদে মিসরে কখনই সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়নি। উনবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে সুনির্দিষ্টভাবে ১৮৮২ সাল থেকে ১৯৫২ পর্যন্ত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মিসর ব্রিটিশ শাসনাধীনে ছিল। সুতরাং আমাদের মত তারাও গোলামীর মানসিকতা পুষ্ট হয়েই বেড়ে উঠেছে।
ঙ. ১৯৫২ সালের ২৩ জুলাই মিসরে জেনারেল নাজিব এর নেতৃত্বে ইসলামপন্থিদের সমর্থনে এক সামরিক অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। এখনতার মতই বিশ্বাসঘাতকতায় পরিপূর্ণ সে ইতিহাস। কর্নেল জামাল আবদুন নাসের ষড়যন্ত্র আর বিশ্বাসঘাতকতার মাধ্যমে ক্ষমতার পাদপীঠে চলে আসেন। ইসলামপন্থিদের উপর নেমে আসে হত্যা, গুম, ফাঁসি, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের করাল গ্রাস। ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটে। বর্তমান গণহত্যার নায়ক জেনারেল আবদুল ফাত্তাহ এলসিসি সহজ সরল ড. মোহাম্মদ মুরসীকে বিভ্রান্ত করতে সক্ষম হন। অবশেষে সুযোগ বুঝে স্বমূর্তিতে আবির্ভূত হন। দেশের ৬৯ ভাগ মানুষ এ পদক্ষেপের বিরোধী।
চ. ড. মুরসী তথা ব্রাদারহুডকে ক্ষমতাচ্যুত করার বিষয়টি অভ্যন্তরীণ এবং বহিস্থ দু’ ধরনের ষড়যন্ত্রের সমন্বিত ফসল। অভ্যন্তরীণ বৈরী শক্তিগুলো ইসলামী শাসনের আশঙ্কায় ছিল ভীত-সন্ত্রস্ত। দীর্ঘ আধুনিকায়নে অভ্যস্ত নারীকুল ছিল মোল্লাতন্ত্রের প্রতি বাতিকগ্রস্ত। সংখ্যালঘু গোষ্ঠীগুলো নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিল। অপরদিকে প্রকৃত মৌলবাদী অতিমাত্রিক ইসলামীকরণের পক্ষপাতি সালাভীরা ব্রাদারহুডের ক্রমান্বয়ে ইসলামীকরণের রণকৌশলে ছিল ক্ষুব্ধ। দীর্ঘদীন ধরে আন্দোলন-সংগ্রামে উত্তাল মিসরের জনসমাজে শান্তি-শৃংখলা ফিরিয়ে আনা সহজ ব্যাপার ছিল না। অর্থনৈতিক দুর্দশা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বেকারত্ব, দাঙ্গাহাঙ্গামা মিসরের জনগণকে কিছুটা হতাশ করছিল। এ সুযোগ গ্রহণ করে আল বারাদির মত ধর্মনিরপেক্ষবাদীরা। তামারোদ বা বিদ্রোহ ঘটে সর্বত্র। তারা ব্রাদারহুড তথা প্রেসিডেন্টের ক্রমশ: ক্ষমতা সুসংহতকরণে ভবিষ্যত্ সম্পর্কে হতাশ হয়ে পড়েছিল। দীর্ঘকাল (১৯৫২-২০১১) একনায়কত্বের নিগড়ে আবদ্ধ জনশ্রেণী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় দায়িত্বশীল আচরণ করতে ব্যর্থ হয়। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে মিসরের মত কৌশলগতভাবে আন্তর্জাতিক রাজনীতির জন্য অতীব সংবেদনশীল একটি দেশে স্থিতিশীলতা অর্জন যে কত কঠিন তা বিরোধীরা বুঝতে সক্ষম হয়নি। এমনও হতে পারে যে, তারা ব্রাদারহুডকে সে সুযোগ দিতে প্রস্তুত ছিল না। বিরোধী পক্ষ মুরসীকে উত্খাত করতে গিয়ে গণতন্ত্রকেই উত্খাত করে ফেলেছে এবং ওত পেতে থাকা সামরিক বাহিনী আমাদের মত ১.১১ স্টাইলে সে সুযোগের সদ্ব্যবহার করেছে। এভাবে তামারোদের বাহকরা তাদের জ্ঞাত বা অজ্ঞাতসারে মিসরের সর্বনাশ সাধন করেছে।
ছ. মিসরে গণতন্ত্রায়নে সবচেয়ে ভীত ছিল যে রাষ্ট্রটি তার নাম ইসরাইল। ১৯৭৩ সালের যুদ্ধ বাদে মিসরীয় সেনাবাহিনী ইসরাইলের সাথে তেমন কোন পারঙ্গমতা দেখাতে পারেনি। ১৯৪৮, ১৯৫৬, ১৯৬৭ সালে মিসরীয় বাহিনীর চরম অবমাননাকর পরাজয় ঘটে। ১৯৫৬ সালে যুদ্ধে নয় অবশেষে কূটনৈতিক বিজয় ঘটে। মিসরে অতীতে সেনা হস্তক্ষেপ ছিল অনবরত। ১৯৫২ সালের পর থেকে মূলত: সেনাবাহিনীই ক্ষমতাসীন। তাদের প্রতিভূ ছিল কখনও নাসের, কখনও সাদত, কখনও বা হোসনী মোবারক। প্রেসিডেন্ট মুরসী সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণে অতি সাহসী ভূমিকা দেখান। এটাই হয়তো তার জন্য কাল হয়েছে। ইসরাইলী গোয়েন্দা বাহিনী এতটাই শক্তিশালী যে, তারা সামরিক বাহিনীর হাড়ির খবরও রাখে। সুতরাং মুরসীর পতনে ইসরাইলী গোয়েন্দা সংস্থা মোশাদ এর হাত আছে- একরকম নিশ্চিতভাবেই একথা বলা যায়। একটি ধর্মনিরপেক্ষ আপসকামী সুবিধাভোগী মিসরের চেয়ে ত্যাগের আদর্শে দীক্ষিত, আপসহীন, সদৃঢ়, অনমনীয় মিসর খোদ ইসরাইলের অস্তিত্বের জন্যই হুমকিস্বরূপ- একথা সহজেই বোধগম্য।
জ. মিসরের রাজনীতিতে আর একটি বড় ফ্যাক্টর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মিসরে তাদের বার্ষিক সাহায্যের পরিমাণ ১.৬ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে ১.৫ বিলিয়নই সামরিক সাহায্য। মিসরে যখন আরব বসন্ত জাগ্রত হয় অর্থাত্ হোসনী মোবারক বিরোধী গণআন্দোলন তুঙ্গে ওঠে তখন যুক্তরাষ্ট্র তার চিরায়ত নীতি অনুযায়ী হোসনী মোবারককে দৃশ্যত: ত্যাগ করে এবং গণআন্দোলনের প্রতি তাদের প্রচ্ছন্ন সমর্থন ব্যক্ত করে। পরবর্তীকালে ব্রাদারহুড ক্ষমতায় আসলে বাধ্য হয়ে তাদের অনুমোদন দেয়। ব্রাদারহুডও তাদের বাস্তববাদী নীতি-কৌশল অনুযায়ী সতর্কতার সাথে মার্কিন সমর্থন গ্রহণ করে। ব্রাদারহুড বুঝতে পারে যে, এই একক বিশ্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে অস্বীকার করার কোন যৌক্তিকতা নাই। তাদের এই সাময়িক সমঝোতায় চিড় ধরে তখনই যখন ধর্মনিরপেক্ষ ও সংখ্যালঘু ক্যাপটিভ খ্রিস্টানরা সরকার বিরোধী আন্দোলন জোরদার করে। বিগত ২৪ জুলাই সেনাবাহিনী যখন সামরিক অভ্যুত্থান ঘটায় এবং প্রেসিডেন্টকে অপহরণ করে তখন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর একে ক্যু বা অভ্যুত্থান বলতে অস্বীকৃতি জানায়। বরং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরী ১ আগস্ট এক অযাচিত উক্তি করেন: “অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে”। কি নির্লজ্জ দ্বিমুখী চরিত্র!
ঝ. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের চিরাচরিত দ্বৈত নীতি-কৌশল অনুযায়ী দৃশ্যত: গণহত্যার নিন্দা করছে এবং অদৃশ্যভাবে সামরিক শিখণ্ডির মদদ যোগাচ্ছে। গণহত্যার নায়ক যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার প্রচ্ছন্ন সমালোচনা করছে। আপাত বৈরিতার ভানের আড়ালে মূলত: উভয় পক্ষ স্ব স্ব স্বার্থের পক্ষে কুশলী ভূমিকা অব্যাহত রেখেছে। নিরাপত্তা পরিষদ বা জাতিসংঘ মহাসচিব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের আর এক প্রতিভূ। তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশের মধ্যেই তাদের দায়িত্ব সীমাবদ্ধ রেখেছে। অথচ অন্যত্র মানবাধিকার অথবা গণতন্ত্রের দোহাই দিয়ে প্রকাশ্য যুদ্ধ পরিচালনা করছে। নিরাপত্তা পরিষদসহ বিশ্ব সম্প্রদায় যদি এ গণহত্যা বন্ধে সক্রিয় ভূমিকা পালন না করে তাহলে মিসরীয় সামরিক দাঙ্গা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে এবং জাতিসংঘের প্রতি মানব গোষ্ঠীর আস্থা ও বিশ্বাস ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
ঞ. জাস্টিজ কায়ানী একবার বলেছিলেন, ‘Pakistan military is so mighty that they have conquered their own territory’ এখন মিসরীয় সেনাবাহিনী সম্পর্কে ঐ একই কথা বলা যায়। সামরিক বাহিনীর এ দখলের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক মিসরের মৃত্যু হয়েছে। প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ন্যক্কারজনক সামরিক স্বৈরতন্ত্র। এ সামরিকতন্ত্র অনাগতকালের জন্য অব্যাহত থাকবে বলেই বিজ্ঞজনদের আশঙ্কা। ইসরাইলকে প্রতিহত করার মুরোদ নেই এদের। এখন নিরস্ত্র শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনকারী সাধারণ মানুষের উপর তারা হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে। এ নির্মম হত্যাকান্ডের জন্য মিসরীয় সেনাবাহিনী প্রধানসহ সংশ্লিষ্টদের হেগস্থ আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনালে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো উচিত। অবশ্য জনগণই যদি সত্যি সত্যি ক্ষমতার উত্স হয় তাহলে মিসরীয় জনগণ অবশ্যই জয়লাভ করবে। আর এ হত্যাকারীরা ইতিহাসের আঁস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবে। তার কারণ “Democracy may lose many battles but wins the last”.
লেখক ঃ প্রফেসর, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ,
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
ইমেইল[email protected]
