লালমনিরহাটে হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে বিল গায়েব

আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০১৩, ২১:৪২
গত আর্থিক বছরে সদর উপজেলার ৫৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বরাদ্দকৃত আনুসঙ্গিক খাতের ৬৭ হাজার ৬১৪ টাকার বিল জেলা হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে গায়েব হয়ে গেছে। বিল তামাদি হওয়ায় শিক্ষকেরা বিক্ষুব্ধ হয়েছে। গত আর্থিক বছরে সদর উপজেলার ৫৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আনুসঙ্গিক ব্যয় বাবদ ৭০ হাজার ৮ শত বরাদ্দ দেয়া হয়। উক্ত বরাদ্দ মোতাবেক উপজেলা শিক্ষা অফিসার ভ্যাট বাদে ৬৭ হাজার ৬১০ টাকার বিল স্বাক্ষর করে গত ৯ জুন সোনালী ব্যাংক শাখায় দাখিল করে। যাহার বিল নম্বর ৬০। সোনালী ব্যাংক শাখা উক্ত বিল এল.এস.সি নম্বর ৬৩২ এর মাধ্যমে গত ১২ জুন জেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে প্রেরণ করে। বিলটির টোকেন নম্বর ১৬৪৮। প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও শিক্ষকদের অভিযোগে জানা যায়, জেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের সুপার হাবিবুর রহমান বিলটি পাসের জন্য ১০% টাকা দাবি করে। তার দাবিকৃত টাকা না দেয়ায় বিলটি পাস না করে ফেলে রাখা হয়। বর্তমানে বিলটি পাওয়া যাচ্ছে না। বিলটি গায়েব করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে গত আর্থিক বছরের ৩০ জুন বিলটি পাস না হওয়ায় তা তামাদি হয়েছে। ফলে ৫৯টি স্কুলের প্রধান শিক্ষকরা আনুসঙ্গিক বিলের ৬৭ হাজার টাকা পাচ্ছেন না। গত ১৮ আগষ্ট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা জেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে যোগাযোগ করে জানতে পারেন যে বিলের টোকেন নম্বর ১৬৪৮, তারিখ ১২/৬/১৩, হওয়া সত্ত্বেও বিল পাস হয়নি। তারা বিলের টাকার চেক প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবি জানান এবং বিক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ ব্যাপারে জেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, ৩০ জুন সমস্ত বিল পাস ও চেক হয়েছে। তিনি সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের প্রধান শিক্ষকদের আনুসঙ্গিক বিল গায়েব ও চেক না হওয়ার বিষয়ে খতিয়ে দেখবেন বলে জানান।