জগদীশচন্দ্র বসু লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি ডিগ্রি নিয়ে ভারতবর্ষে ফিরে এলে তাঁকে কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে অস্থায়ী অধ্যাপকের পদে নিযুক্ত করা হল। সেই সময় সাহেবরা ভাবতেন ভারতীয়রা বিজ্ঞান শিক্ষাদানের জন্য উপযুক্ত নয়। তাই ঐ পদে ইংরেজরা যে বেতন পেতেন জগদীশকে দেয়া হতো তার দুই-তৃতীয়াংশ। আবার অস্থায়ী বলে ঐ বেতনের অর্ধেকটা জগদীশচন্দ্রের হাতে আসত।
ইংরেজ ও ভারতীয়দের মধ্যকার এই বৈষম্য জগদীশচন্দ্রের আত্মসম্মানে ঘা লাগল। তিনি এর প্রতিবাদ জানালেন। তরুণ এ অধ্যাপকের কথায় কেউ কর্ণপাত করল না। শেষ পর্যন্ত তিনি স্থির করলেন যে তিনি বেতনই নেবেন না। তিনি একাধারে তিন বছর কোনো বেতন না নিয়ে অধ্যাপনা করে গেলেন। কর্তৃপক্ষ অবশেষে তাঁর জেদের কাছে নতিস্বীকার করল। ইংরেজ অধ্যাপকের সমতুল্য বেতন নির্ধারণ করে তাঁর পাওনা সকল টাকা পরিশোধ করা হয়।
ষষ্ঠ শ্রেণির বন্ধুরা,ুু তোমাদের পাঠ্যবইয়ে আত্মমর্যাদার উপর ভিত্তি করে অনেক ঘটনা দেয়া আছে । তোমাদের সৃজনশীলতা ও মননশীলতা বৃদ্ধির জন্য এর আলোকে গল্প সাজিয়ে পাঠিয়ে দাও আমাদের এই ঠিকানায় অনুশীলন, দৈনিক ইত্তেফাক, ৪০ কাওরান বাজার ,ঢাকা অথবা [email protected] তোমাদের নাম , স্কুলের নাম ও ফোন নাম্বার লিখতে ভুলবে না।
