বাহাদুরাবাদ ঘাটে ৪০ কোটি টাকার ফেরি নষ্টের পথে

আপডেট : ২০ আগস্ট ২০১৩, ২১:৩৮
অযত্নে গাইবান্ধার ফুলছড়ি, বালাসী ও জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জের বাহাদুরাবাদ ঘাটে প্রায় ৪০ কোটি টাকা মূল্যের যাত্রীবাহী ফেরী ও পন্টুনসহ ২০টি নৌযান নষ্ট হওয়ার পথে। ব্রহ্মপুত্রে পানি কমে যাওয়ায় নৌযানগুলো এখন অন্যত্র সরিয়ে নিতে হয়েছে। বালাসী ঘাটের ১৫টি নৌযান প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে চিকিরপটল এলাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। বাহাদুরাবাদ ঘাটে এখনো পড়ে আছে ৫টি নৌযান। নাব্যতা সংকটে কারণে ২০০৫ সালের ১৫ জুলাই বালাসী-বাহাদুরাবাদ নৌরুটটি পরিত্যক্ত ঘোষণা হয়। নৌযানগুলি স্টার্ট দিয়ে চালু রাখার চেষ্টা করা হয়। এসব নৌযান পাহারায় দু’জন ইন্সপেক্টরসহ আড়াই শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত থাকলেও যন্ত্রাংশ চুরি ঠেকানো যাচ্ছে না। আর এ চুরির সাথে জড়িত রয়েছে রেলওয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তা। কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবুবক্কর সিদ্দিক মুন্না বলেন, এ পথে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হলে এ জাহাজগুলো আবারও ব্যবহার করা সম্ভব হবে। তাই এগুলো সংরক্ষণে কর্তৃপক্ষের আরও আন্তরিক হওয়া প্রয়োজন। তবে মেরিন বিভাগের একাধিক সূত্রে জানা যায়, নৌযানগুলোর কার্যক্ষমতা কমে গেছে। এ ব্যাপারে মেরিন সুপারিনটেনডেন্ট কাজী মো. সেলিম নৌযানগুলো বন্ধ থাকার কথা স্বীকার করে বলেন, যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকা ও নদীতে নাব্যতা হ্রাস পাওয়ায় নৌযানগুলো চলাচল করছে না। তবে নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে রেল ওয়াগন পারাপার আবারও শুরু হবে।