[ নি র্বা চ ন ]

নির্বাচন নিয়ে টানাপোড়েনের শেষ কোথায়

আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:১৯
বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ইতিহাসে সংকট ও অনাস্থার পরিবেশ নতুন নয়। অনাস্থার বেড়াজাল থেকে রাজনৈতিক দলগুলো কখনোই বের হতে পারেনি। নির্বাচন পরিচালনায় রেফারি কে হবে- এ প্রশ্ন নতুন নয়। গণতন্ত্রের নামে এবং গণতন্ত্র রক্ষার অঙ্গীকারে রাজনৈতিক দলগুলো জনগণকে বারবারই রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। সাম্প্রতিককালে এমনই এক অনিশ্চয়তার দোলাচলে ঘুরপাক খাচ্ছে বিদ্যমান রাজনীতি। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর সংবিধানের মাধ্যমে গণতন্ত্রমুখী যাত্রা শুরু হলেও তা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সংকটের আবর্তে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। পরবর্তীতে দীর্ঘ সময় পাড়ি দিয়ে ১৯৯০ সালে তীব্র গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোই দেশে পুনরায় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করে। আর তা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে বিভিন্ন সময়ে নানাবিধ খুঁটির আশ্রয় নিতে হয়েছে। একটি শিশু যখন হাঁটতে শিখে তখন সে তার বাবা-মায়ের হাত ধরে গুটি গুটি পায়ে হাঁটে। একা একা হাঁটতে একটু সময় লাগে বটে। কিন্তু একসময় সে পরিপূর্ণভাবে হাঁটতে শিখে। আবার একজন যুবক যখন অসুস্থ হয় তখন তাকে চিকিত্সা না দিলে তাঁর পক্ষে স্বাভাবিক জীবন-যাপন সম্ভব হয় না। কিংবা একজন বৃদ্ধ জীবনের শেষপ্রান্তে এসে স্বাভাবিক জীবন-যাপনে অন্যের সহায়তা অনিবার্য হয়ে ওঠে। বাংলাদেশের গণতন্ত্র এমনই এক শিশু, অসুস্থ যুবক এবং বৃদ্ধের মতো। চিকিত্সা কিংবা সহযোগিতা ছাড়া চলতেই পারে না। বাংলাদেশে বিপন্ন গণতন্ত্র রক্ষায় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময় সমঝোতামূলক চিকিত্সা নিয়ে স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করেছে। কখনো স্বাভাবিক হওয়ার রাস্তায় হাঁটতে শুরু করলেও ধীরে ধীরে আবার অসুস্থ হয়ে পড়েছে। ১৯৯১ সালে দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তিত হলে জনগণের মধ্যে যে আশার বাণী সঞ্চার হয়েছিল তা ১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি একতরফা নির্বাচনের ফলে বাধাগ্রস্ত হয়। গণতন্ত্র রক্ষার নামে অর্থাত্ অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন পরিচালনার জন্যই ১৯৯১ সালে অন্তর্বর্তীকালীন এবং পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে সাংবিধানিকভাবে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতির জন্ম হয়েছিল। আর পরবর্তীতে এই তত্ত্বাবধায়ক সরকারকেন্দ্রিক এবং নির্বাচনে রেফারি নির্ধারণে দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের টানাপোড়েনের ফলেই দেশে সামরিক-সমর্থিত ভিন্ন মডেলের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্ম হয়েছিল। প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষস্থানীয় নেতাদেরকে একই সঙ্গে কারাগারে বন্দি করে পৃথিবীর ইতিহাসে নজির স্থাপিতও হয়েছে। দু’বছর পরে হলেও গণতন্ত্র রক্ষায়, গণতন্ত্রের মূল উপাদান সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের হাতে সামরিক-সমর্থিত সরকার ক্ষমতা হস্তান্তর করে। গণতান্ত্রিক শাসন জনগণের শাসন ও অপেক্ষাকৃত উন্নত একটি পদ্ধতি বলেই আমরা মনে-প্রাণে গ্রহণ করেছি। তবে গণতন্ত্র যে খুবই কণ্টকময় তা বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি অবলোকন না করলে কেউই সহজে বুঝতে পারেবে না। গণতন্ত্র সম্পর্কে প্রায়শই উচ্চারিত উইনস্টন চার্চিলের ভুলভাবে উল্লিখিত একটি উক্তির সঙ্গে আমরা মোটামুটি পরিচিত। তিনি বলেছিলেন, ‘কেউই ভান করে না যে গণতন্ত্র নিখুঁত বা সবকিছুর জবাব আছে এতে। বাস্তবিকই বিভিন্ন কালান্তরে অন্য যেসব পদ্ধতি প্রয়োগ করার চেষ্টা করা হয়েছে, সেগুলোকে বাদ দিলে গণতন্ত্র হলো সবচেয়ে নিকৃষ্ট ধরনের সরকার পদ্ধতি।’ চার্চিল নিঃসন্দেহে ঠিকই বলেছেন। গণতন্ত্র গোলমেলে; এটা পরিশুদ্ধ বা পূর্বানুমানযোগ্য কোনো ব্যবস্থা নয়। আর এমনই এক গোলমেলে ধরনের শাসনব্যবস্থা হলো বাংলাদেশের গণতন্ত্র। অনেকটা ‘শালিস মানি তাল গাছটা আমার’— ধরনের গণতন্ত্র বিদ্যমান। ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী আগামী ২০১৪ সালের ২৪ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়ে রাজনৈতিক মাঠকে অনেকটা ব্যস্ত করে তুলেছে। রাজনীতির মাঠে সরকারি দল ও বিরোধী দল প্রতিপক্ষ দল হিসেবে অবস্থান নিয়েছে। একদল বলছে আমরা নিয়মানুযায়ী নির্বাচনের মাঠে খেলতে চাই। আর অন্য দল বলছে নিয়ম আর রেফারি না বদলালে খেলার প্রশ্নই আসে না। অর্থাত্ এক দলের অধিনায়ককে খেলার রেফারি হিসেবে মানতে চায় না প্রতিপক্ষ দল। তবে খেলা যে মাঠেই হোক ভালো দলকে সহজে হারিয়ে দেয়াও কিন্তু মুখের কথা নয়। কারণ খেলার মাঠে বর্তমান সময়ের অন্যতম রেফারি গণমাধ্যম এবং ভোটারের নামে যেসব দর্শক রয়েছে, তারা অন্যায্য রেফারিং কিছুতেই মানবে না। দর্শকের ভূমিকা পালনকারী বিদ্যমান প্রধান বিরোধী দল নির্বাচনের মাঠকে অনুকূল মনে না করে নির্বাচনে না যাওয়ার যে হুঁশিয়ারি ব্যক্ত করেছে তা বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে পুনরায় গোলমেলে ও চরম সংঘাতময় করে তুলতে পারবে বলে আমরা আশঙ্কা করতে পারি। স্বাভাবিকভাবে সবার মনে একই প্রশ্ন- যদি বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে তাহলে কী নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে? নাকি নানা টালবাহানা শেষে বিএনপি বর্তমান সরকারের অধীনেই নির্বাচনে যাবে। আবার সরকার কী বর্তমান সাংবিধানিক ফ্রেমওয়ার্ক থেকে একচুল পরিমাণও নড়বে না? তাহলে সমাধান কী? আদৌ কী কোনো সমাধান বাংলাদেশের রাজনৈতিক মাঠে তৈরি হবে? আর যদি হয় তা কী ক্ষণস্থায়ী? নানা প্রশ্ন আমাদের সামনে। তবে আমরা চাই স্থায়ী সমাধান। গোল কে খাবে আর কে দিবে, সেটা বড় কথা নয়, আমরা চাই গ্রহণযোগ্য এবং ন্যায্য সমাধান। তবে সমাধান ও সমঝোতার টানাপোড়েনে বাংলাদেশে নতুন করে আবার কোনো ১/১১ হোক এটা আমরা চাই না। ধারণা করা যাচ্ছে যে, দেশে আসন্ন নির্বাচনকেন্দ্রিক অনাস্থার সংকট চলতে থাকলে সংঘাতময় পরিস্থিতি ব্যাপকতর হতে পারে। কারণ খুবই পরিষ্কার। বাংলাদেশের রাজনীতি মোটামুটিভাবে দু’টি মেরুতে বিভক্ত। একটি আওয়ামী মেরু আর অন্যটি বিএনপি কিংবা আওয়ামী-বিরোধী মেরু। নব্বই-পরবর্তী সময়ে নির্বাচনী গণতন্ত্রের মাধ্যমে বিএনপি তিনবার এবং আওয়ামী লীগ দু’বার দেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়। যদিও বিএনপি একবার সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য সরকার গঠন করেছিল, কারণ সেটি ছিল দলীয় সরকারের অধীনে একতরফা নির্বাচন। তখন প্রধান বিরোধী দল আওয়ামী লীগ নির্বাচনের বাইরে ছিল। নির্বাচনে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করলেও বেশিদিন থাকতে পারেনি। কাজেই প্রশ্ন থেকে যায় যে, এবারের দশম সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগও প্রধান বিরোধী দলকে বাদ নিয়ে নির্বাচনে গেলে সরকারের প্রত্যাশিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়। কারণ বিএনপিও বাংলাদেশের রাজনীতিতে জনপ্রিয় এবং বৃহত্ রাজনৈতিক শক্তি। এক্ষেত্রে বলা যায় যে, নির্বাচন প্রশ্নাতীতভাবে সম্পন্ন করার একমাত্র উপায় দুই বড় দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। কিন্তু সেটি কীভাবে সম্ভব? একটি সুশৃঙ্খল গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার, নির্বাচন কমিশন ও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে আন্তরিকতার সাথে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা ইতিমধ্যেই লক্ষ্য করেছি যে, জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী নির্বাচনকে সামনে রেখে দুই বড় দলকে ইতিবাচক করে তোলার ব্যাপারে যথেষ্ট তত্পরতা দেখিয়েছে। অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে যে, উভয়ই দলই (আওয়ামী লীগ ও বিএনপি) নির্বাচনী প্রস্তুতি গ্রহণে বিভিন্ন জেলায় ও বিভাগীয় পর্যায়ে সাংগঠনিক ও দলীয় কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে সিভিল সমাজসহ বিশিষ্টজনরা নির্বাচনমুখী আলোচনায় ব্যস্ত। কারণ সবাই চায় একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। এক্ষেত্রে সমঝোতার প্রশ্নে সুধীজন অনেকটাই একমত। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, এ সমঝোতা কীভাবে সম্ভব? নাকি আদৌ সম্ভব না। এখন প্রশ্ন হলো নির্বাচনের স্বার্থে কেন সমঝোতা প্রয়োজন। আর সমঝোতা না হলে দেশের পরিস্থিতি কী হতে পারে? ধারণা করা যায় যে, নির্বাচনকেন্দ্রিক সমঝোতা না হলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি, সহিংসতার মাত্রা অভাবনীয়ভাবে বৃদ্ধি এবং প্রত্যক্ষ সহিংস কার্যক্রমের পরিমাণগত পরিবর্তন সন্দেহাতীতভাবে ঘটবে। এক্ষেত্রে দেশের রাজনীতিতে রাষ্ট্রপতি, সেনাবাহিনী, আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী, জঙ্গি সংগঠনের তত্পরতা, গণমাধ্যম ও নতুন সরকারের ভূমিকা রাজনীতির ক্রীড়নকে পরিণত হবে। বিশেষ করে এ সময়ে রাষ্ট্রপতি ও সেনাবাহিনীর ভূমিকা দুই-ই সৃষ্টি হবে বলে অনুমান করা যায়। এছাড়াও জঙ্গি সংগঠনগুলোর সুযোগ নেয়ার প্রবণতা অধিকভাবে বৃদ্ধি পাবে। সংসদ বহাল রেখে নির্বাচনে অংশগ্রহণে সাংবিধানিক জটিলতার প্রশ্নে নানাবিধ নতুন নতুন ব্যাখ্যার সৃষ্টি হচ্ছে। আইন বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক মনে করেন, ‘যেহেতু প্রধানমন্ত্রীসহ তাঁর মন্ত্রিসভা ও এমপিরা (বিরোধী দলের এমপিসহ) নির্বাচনের সময় স্বপদে বহাল থাকবেন এবং নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে সবার জন্য সমতল মাঠ থাকবে না, সে কারণে এ ব্যবস্থায় বিরোধী দল নির্বাচনে যেতে পারে না। ফলে সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন করতে গেলে জটিলতা বৃদ্ধি পাবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই’। (দৈনিক ইত্তেফাক, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩)। কোনো সংসদীয় গণতান্ত্রিক দেশে সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন হয় না। ভারত ও ব্রিটেনেও সংসদ ভেঙেই নির্বাচন হয়। তবে যেসব দেশে গণতন্ত্র পরিপূর্ণতা পেয়েছে, সেসব দেশে সংসদ রেখে নির্বাচন করলে বাধা নেই। যেমন— ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ তারিখের অস্ট্রেলিয়ার ৪৪তম সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সংসদ না ভেঙেই সকল প্রস্তুতি হয়েছে। তবে এসব রাষ্ট্রে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো অত্যন্ত শক্তিশালী, দলীয়করণ হয় না বললেই চলে। কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখানে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো দলীয় প্রভাবমুক্ত না। রাজনৈতিক দলগুলোর মেনে নেয়ার মানসিকতা নেই। তাদের মধ্যে আস্থার সংকট চরম। রাজনৈতিক দলগুলো মানতে নারাজ যে, নির্বাচনে পরাজয় যেমন একটি তাত্ত্বিক বিষয় তেমনি বাস্তবও বটে। কাজেই সবশেষে এ কথা বলেই শেষ করতে চাই যে, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য দুই বড় দলের অংশগ্রহণ আবশ্যক। কোনো কারণে ২৪ জানুয়ারি ২০১৪’র মধ্যে নির্বাচন না হলে বর্তমান সংবিধান মোতাবেক রাষ্ট্রপতি সর্বদলীয় সরকার গঠনের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারবে। এক্ষেত্রে রেফারি কে হবে তার চেয়ে বড় কথা হলো- সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের স্বার্থে সরকারি দল এবং বিরোধী দলকে নিজ নিজ অবস্থানে কিছুটা হলেও নমনীয় হতে হবে। আগামী ১২ সেপ্টেম্বরে নবম সংসদের সর্বশেষ অধিবেশনে সংসদীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমঝোতামূলক পদক্ষেপ গণতন্ত্রের পথকে মসৃণ করতে পারে। কারণ ক্ষমতাসীন দলকে বুঝতে হবে, সংবিধানের আওতায় সমঝোতা করতে হলে সংবিধান সংশোধনের বিষয়টি আলোচনার মধ্যে রাখতে হবে। আবার বিরোধী দলকে বুঝতে হবে সমঝোতার জন্য ছাড় দিতে রাজি না হলে সংবিধানসম্মত কিংবা এর বাইরের যেকোনো সমাধানই শেষ পর্যন্ত মানতে হবে। অতএব যেকোনো ইতিবাচক সমাধানের প্রশ্নে সরকারি দলের আন্তরিকতা ও বিরোধী দলের সদিচ্ছা রাজনৈতিক ভারসাম্যতার প্রতীক হতে পারে। লেখক :সহকারী অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় E-mail: [email protected]

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন